somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

City University-Bangladesh এর সাতকাহন........

১৮ ই মে, ২০১৫ রাত ৮:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

২০০২ সালে সিটি ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠিত হয়। পথ চলা শুরু তখন থেকে। এখন বাংলাদেশের অন্যতম সেরা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়।
অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই আস্থাশীল বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়েছে এই সিটি ইউনিভারসিটি। এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা অত্যন্ত মেধাবি এবং কর্মপরায়ণ। আর তিনি হলেন আলহাজ্ব মকবুল হুসেন। তার ব্যক্তিগত প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ দাড়িয়ে আছে আজকের এই বিশ্ববিদ্যালয়।

শিক্ষকদের নিবিড় শিক্ষাদান আর পরিচর্যায় এই বিশ্ববিদ্যালয় এখন দেশের অন্যতম সেরা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়। বিশেষ করে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট এই বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে গেছে উন্নতি তথা পরিচিতির শীর্ষে।

অভিভাবকদের মধ্যে একটি নেতিবাচক মন্তব্য দেখা যায় আর তা হল যে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় মানেই টাকা দ্বারা সার্টিফিকেট পাওয়া যায়।
কিন্তু সিটি ইউনিভার্সিটির ক্ষেত্রে তা অনেকটাই ভুল। এখানে টাকার বিনিময়ে সার্টিফিকেট তো দূরে থাক একটা লুজ সিটও পাওয়া যায়না।
এখানে সার্টিফিকেট পেতে হয় পড়াশোনা করে।
টিচারদের মধ্যে কোন ধরনের স্বজনপ্রীতি নেই যে কোন প্রিয় ছাত্রকে পরীক্ষার খাতায় লেখা ছাড়া পাশ করিয়ে দিবে।
এই বিষয়টির দিক দিয়ে সিটি ইউনিভারসিটি নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।
বাংলাদেশের যেকোন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে কম টিউশন ফি নেয়া হয় এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। কিন্তু পড়াশোনার মানের দিক দিয়ে অন্য যেকোন ৩০-৪০টা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনেক এগিয়ে এই সিটি ইউনিভার্সিটি।

দৃষ্টিনন্দন ক্যাম্পাস এই প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়টিকে নিয়ে তৎক্ষণাৎ পছন্দ করার তালিকার একবারে উপরিভাগে।

২০১১ সালে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি "স্থায়ী সনদপ্রাপ্ত" হয়।

এই বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি ক্যাম্পাস রয়েছে। একটি ঢাকার পান্থপথে আরেকটি ঢাকার অদূরে সাভারের আশুলিয়ায়।

এই বিশ্ববিদ্যালয়টি বাংলাদেশের প্রথম প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় যার রয়েছে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য আলাদা ৩টি আবাসিক হলের ব্যবস্থা।
গরীব ও মেধাবি ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ১০০%টিউশন ফি মওকুফের ব্যবস্থা রয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। ইতোমধ্যে অনেকেই ১০০% টিউশন ফি ছাড় নিয়ে পড়াশোনা করছে।
তাছাড়া সেমিস্টার ভিত্তিক রেজাল্ট এর উপর ৩০-৬০% টিউশন ফি এর উপর স্কলারশিপ রয়েছে।

দৃষ্টিনন্দন এই ভার্সিটিতে এসে ঘুরে যাওয়ার নিমন্ত্রণ রইল।

মোঃ মহিউদ্দিন মিয়া
Department of Textile
সিটি ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মুহাম্মদ আলি জিন্না

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫



১৮৭৬ সালে করাচিতে এক দুষ্ট বালকের জন্ম হয়।
এবং ৭৬ বছর বয়সে দীর্ঘদিন যক্ষা রোগে ভূগে- দেশ ভাগের পরের বছর মারা যান। এই দুষ্ট বালক'ই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা। নাম তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

"রিকন্সিলিয়েশান"....ইহা কি খায় নাকি মাথায় দেয়?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:০০



সত্যি সত্যিই তাদের সুযোগ ছিলো ২৫ শে মার্চ এর পর যাবতীয় অপকর্ম জনগণের কাছে স্বীকার পূর্বক,
/মুক্তিযুদ্ধে তাদের দ্বারা নৃশংসতার শিকার জনগণের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা,
/তাদের ক্ষতিপূরণ দিয়ে এবং,
/সব... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেরা লেখক

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৭



বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভালো লেখক এক কথায় - হুমায়ূন আহমেদ। হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস মধ্যাহ্ন বা দেয়াল - এর পাশাপাশি রাখার মতো বাংলাদেশে আর কোনো উপন্যাস আছে কিনা আমার জানা... ...বাকিটুকু পড়ুন

=ডায়াটে একদিনের খাবার=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫১

ডায়াটের প্রথম দিকে-একদিনের খাবার। বর্তমানে আমাদের দেহে রোগসুগের অভাব নাই। ডায়াবেটিস, প্রেসার, ক্যান্সারসহ নানাবিধ রোগ বলা নাই কওয়া নাই শরীরে এসে বাসা বাঁধে।

আর এসব রোগের একমাত্র কারণ আনহেলদি... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিদায় নানা পাটেকার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৫৭



৯০ দশকের শুরুর দিকের কথা, সারা দিনের ক্লান্তি নিয়ে যখন বাসভবনে ফিরেছি, রুটিন মাফিক গোসল খাওয়া দাওয়া করে ঘুমোবো কিন্তু টিভি অন করে দেখি একটি সিনেমা শুরু হচ্ছে -... ...বাকিটুকু পড়ুন

×