স্বাধিনতার 35 বছর পাড়ি দিয়েছি। দেশের উন্নতি বলতে কিছু লোকে লেঙ্াসে ঘুড়ে বেড়ায়, দুনর্ীতিতে টানা চ্যাম্পিয়ন, রাজাকারের বিচার না করে তাকে কোলে বসিয়ে বুলি কপচায় আর কিছু হইলে 71 বইলা চিৎকার করে। রাজাকারের গাড়িতে লাল-সবুজের পতাকা দেখা যায়, সংসদে তারা যায়, মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে বসেই দেশের আইন পাশ করে। আর কিছু লোক সারাদিন উজির নাজির বইলা 71 এর হাক ছাড়ে।
স্বাধিনতার সময়ে গরীব মালয়েশিয়া আজ ঝলমলে দেশ। আমাদের দেশের লোক সেখানে কাজে যাবার জন্য লাইন দিয়ে থাকে আর আমরা আজও রাজাকারদের কোলে বসিয়ে আদর দিই আর 71 নিয়ে বড় বড় বুলি কপচাই।
সামনে নির্বাচন আসছে। দেশের একটি বড় অংশ তরুন সমাজ। তারা চাইলেই এই নোংরা রাজনীতির স্পরূপ পাল্টে দিতে পারে। কোন দলই দেশের জন্য কাজ করছেনা তারা করছে নিজেদের ব্যবসা।। রাজাকার ইস্যূ জিইয়ে রেখে করছে রাজনীতি। অথচ যে কোন সময়েই তা মিটিয়ে ফেলা সম্ভব। দেশে রাজাকারের তালিকা করে তাদের নাগিরকত্ব বাতিল করে দেশ থেকে বের করে দেওয়া হোক অথবা বিচার করে ফাসিতে ঝোলানো হোক। যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে কাপুরুষের মতো তাদের মেনে নিয়ে কিভাবে দেশের জন্য কাজ করা যায় তা নিয়ে ভাবা হোক।
পুরা ব্লগে দেখি হুদা কামে রাজাকার গালায় আর মুক্তিযোদ্ধারা ভিা করে। বিচার না কইরা মাফ কইরা দিয়া আবার ঐইডা নিয়া চিল্লায়। শেখ মুজিবরে রাজাকার মাফের অধিকার কে দিছিল? দেশের লোক কি তারে বলেছিল?
কাজেই.. পারলে রাজাকার মেরে সাফ করে দিয়ে আসুন নতুন করে দেশ গড়ি। আর যে সব দল রাজাকারকে সুবিধামতো ব্যবহার করছে তাদের পরিত্যাগ করি। তরুন সমাজে দেশের জন্য কাজের আগ্রহ সৃষ্টি করি।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




