11-12-2006 এর একটি পোষ্টে জাতীয় সরকারের আশংকার কথা বলেছিলাম। দুর্ভাগ্য বা সৌভাগ্য যাই বলি না কেন আমারতো মনে আমরা তার মুখোমুখি এসে গেছি।
দুনর্ীতিকারী, সন্ত্রাসী, অবৈধব্যবসায়ী, মজুতদারেরা আজ আতংকে আছে। নিয়মে মধ্যে সব চলছে। সাধারন জনগনের কোন কষ্ট না হলেও কষ্টে আছে রাজনীতিবিদরা। তাদেরকে জনগন এখন আরও ঘৃনার চোখে দেখছে। পুলিশ যেমন অসম্মানের পাত্র হয়ে গেছে তেমনি হয়েছে রাজনীতিবিদরাও আজ সমাজে অনাকাংখিত। তারা পচে গেছে, কুলষিত হয়েছে, হয়েছে পংকিলতায় নিমজ্জিত।
কেন এমন হলো?
সোজা উত্তর- "রাজনীতিবিদদের জন্য"।
দায়ী তারাই। তারা দলের স্বার্থে উঠে দেশের স্বার্থ দেখেনি। নিজেদের স্বার্থে কেউ সংবিধান রক্ষার জিকির তুলেছিল আর কেউ সংসকারের নামে নৈরাজ্য ও রক্তের নেশায় মেতেছিল। তাদের একজনও ভাবেনি এতে সাধারন জনগনের কতটুকু কষ্ট হচ্ছে। তারা দেখেছে তাদের প্যাচে অন্যদল কতটুকু পরাস্ত হলো। এর জন্য যত প্রান যায় ততো তাদের লাভ।
একদল এখন আর সংবিধান লংঘনের কথা বলে না। আরেক দল অবরোধের নামে ভাংচুর, হত্যা করে না। স্বচ্ছ ব্যালট বাক্র, নির্ভুল ভোটার লিস্ট, পরিচয়পত্র এগুলো এখন তাদের কাছে গৌন বিষয়, কারন তাদের দলের নেতা কমর্ী গ্রেফতার হচ্ছে। রাজপ্রত্রের ডান হাত বাম হাতকে পুলিশ খুজে বেড়াচ্ছে। কাজেই এখন যেভাবেই হোক যত তাড়াতাড়ি নির্বাচন হবে, রাজনৈতিক দলের পিঠের চামড়া ততো বাচবে।
আমরা চাই-
- নির্ভূল ভোটার লিস্ট
- স্বচ্ছ ব্যালট বাক্র
- জাতীয় পরিচয় পত্র
- শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ দুনর্ীতি দমন কমিশন
- শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন
- রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন ও আইনের আওতায় আনা
- সংসদ সদস্য পদে যোগ্যতার সঠিক মাপকাঠি নির্ধারন ও নির্বাচনে কালো টাকার দৌরাত্য বন্ধ করা।
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা।
এ কাজের জন্য বর্তমান সরকারের যতদিন লাগে লাগুক, কিন্তু কাজ গুলো করতে হবে। কেননা রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষমতায় এসে আবার আগের মতো কাজ শুরু করবে আর বিরোধীদল এ দাবী ও দাবী দিয়ে ব্যতিব্যস্ত রাখবে আর মাঝখানে জান যাবে আমাদের মতো নিরীহ জনগনের।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






