মুক্তি যুদধে কত লোক মারা গেছে তার চেয়ে বড় কথা একটা রক্তক্ষয়ি যুদধের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি ! যুদধটা সবকিছুর উর্ধে ! বৃটীশ উপনিবেশ শাসনের বিরুদধে সংগ্রাম করতে গিয়ে ভারতে বহু লোক জীবন দিয়েছে ! কত লোক নীহত হয়েছে তার পরিসংখন কি আমরা জানি বা ভারতে ক'টি লোক তা জানে বা ভারতের রাজনীতিবিদরা ক'বার সেটি উচচারন করে । আমেরিকা ইংল্যানডের সাথে যুদধ করেই স্বাধীন হয়েছে কিনতু আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস উৎযাপনের দিনে কখনওকি শুনেছেন নীহতের সংখ্যা নিয়ে বাগাড়মবর ! মূখ্য নীহতের সংখ্যা নয় ! মুখ্য যুদধ ও স্বাধীনতা ! একজনের আত্নদ:া ন আর তিরিশ লক্ষের আত্নদ:া ন স্বাধীনতাকে সমান ভাবেই মূল্যায়ন করে !
আমি নীহতের সংখাকে মুখ্য মনে করি না ! তবে যেহেতু পরিসংখনটি নিয়ে বিতর্ক সৃষটি হয়েছে তাই এ ব্যাপারে আমার কিছু মতামত ব্যক্ত করতে চাই -
নীহতের সংখা নিয়ে সব বিতর্কের অবসান হবে যদি পরিসংখ্যন করে একটি সঠিক তালিকা তৈরি করা হয় !
! মুকতিযোদধার পরিসংখনের চেয়ে মুকতিযুদধে শহীদের সংখা নির্নয়ন অধিকরও সহজ ! জীবিত লোকেদের লোভ লালাসা কাজ করে ! মুকতিযোদধার তালিকা করতে হবে জীবিত লোকেদের উপর আর সে তালিকা তৈরি করতে লোভ লালসায় অসমভব হয়ে উঠবে ঐ কাজ বিধায় কাজটি দুরুহ । তার চেয়ে বরং স হ জ কাজ হবে একাওরে কত লোক নীহত হয়েছে তার তালিকা তৈরি করা । মৃত লোকের তালিকা ! তাই লোভ লালসার কোন বালাই নাই এখানে । নির্ভেজাল তালিকা করা যেতে পারে স হজেই !
আর একটা বিষয়ে শহীদের তালিকা তৈরি জরুরি সেটা হল :
একটা বিষয় আমরা অবহেলা করে আসছি সেই স্বাধীনতার পর থেকেই সেটি হল আমরা মুকতিযোদধা পরিবারকে সমমান দিচছি তাদের সমতানদের চাকুরী ক্ষেএে বিশেষ সুবিধা দিচছি কিনতু শহীদ পরিবারের পরিসংখন না থাকায় শ হীদ পরিবারের সনতানদের আমরা অবহেলায় রেখেছি !
শহীদ পরিবারদের সমমান জানানোর জন্যেই শহীদের একটা তালিকা অত্যাবশ্যক ! উললেখ্য ইরানে বিপলব আর ইরাক-ইরান যুদধে সবচেয়ে বেশী সমমান দেয়া হয় বিপলব আর যুদধে যারা শহীদ শয়েছে তাদের পরিবারকে ।
ইরানে শহীদ পরিবারকে বলা হয় " খোনেবাদে শোহাদ:া " এই সব শহীদ পরিবারের সদস্যদে চাকুরি থেকে শুরু করে উচচ শি ক্ষা রেশন পাওয়া সবখানেই সবচেয়ে বেশী অগ্রাধিকারর পায় ! আমাদের দেশে শহীদ পরিবারের সনতানেরা অবহেলায় রেখেছি !শহীদ পরিবারের দিকে দৃষটি দেয়া মুকতিযুদধের চেতনারই অংশ ! শহীদ পরিবারকে অবহেলায় রেখে রাজাকারের ফাসীতে কলংক মোচন হবে কি ?
শহীদ পরিবারের পরিসংখন বের করে তাদেরকে সমমান জানাতে হবে আর এ জন্যেই শহীদদের একটি তালিকা গুরুও্বপুর্ন !
আরও একটি গুরুও্বপূর্ন বিযয়ে শহীদের তালিকা দরকার - গ্রামের যে সব ইউনিয়নের মানুষ একাওরে শহীদ হয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ অফিসের সামনে সমৃতি ফলক তৈরি করে তাদের নামের তালিকা খোদ:াই করে রাখা হোক । প্রজনম থেকে প্রজনম শ হীদের তালিকা দেখে তাদের সমমান জানাবে !
পরিশেষে বলতে চাই যারা স্বাধিনতার জন্যে জীবন দিয়েছে তাদের তালিকা অত্যাবশ্যকীয় কারন স্বাধীনতার জন্যে তাদের আত্নদ:ান সবার উপরে । ম হৎ উদদ্যেশ্যে জীবন দ:ানের চেয়ে নহে কিছু আর মহিয়ান !
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৩:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





