somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল

১৮ ই অক্টোবর, ২০০৬ দুপুর ২:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি একদিন রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছিলাম। হাটতে যদিও আমার ভাল লাগে না তবুও হাটছি। কিন্তু সব কিছু কেমন অপরিচিত লাগছে, সবাই আমার দিকে চেয়ে আছে। ছেলেরা এবং মেয়েরাও হা করে তাকিয়ে আছে মুখ কিছুতেই বন্ধ করতে পারছে না। আমি তো অবাক কি হল ব্যাপার টা কিছুই বুঝছি না। এ রকম তো আগে কখনও হয় নি। ব্যাপার টা আসলে কিছুই না। কারণ সেদিন আমার ইয়েকে নিয়ে একটু হাটতে বেরিয়েছিলাম এই যা............

দুধে আলতা বরণ কন্যা ,
মেঘ বরণ কেশ,
হাসিতে তার মুক্ত ঝরে,
চোখেতে লুকায় সাগর

বেশি বলছি না ভাই আমার ইয়ের আবার এসব বর্ণনা কম হয়, তার যেন দুধ বেশি না আলতা বেশি এটা বের করা যাবে না। আবার, মেঘ বেশি কাল না কেশ কাল তাও বের করা যাবেনা, মুক্ত তো ধারে কাছেও আসবে না। আর সাগর তো লজ্জায় মুখ লুকায়।
তাই প্রকৃতির এ অপার সৌর্দয্যগুলোকে লজ্জা দিবার জন্য তাকে নিয়ে খুব একটা বের হইনা এই আরকি...........

সে দিন ওর সাথে মোবাইলে কথা বলছিলাম। কোন জরুরি কথা না। কেমন আছ, কি কর, আমাকে নিয়ে বেশী চিন্তা কর না আমি তো তোমারই আছি এই টাইপের, হঠাৎ মোবাইলে শুরু হল ডিস্টার্ব উল্টা পাল্টা আওয়াজ আসতে শুরু করল, কথা ঠিক মত আসছে না সিগনাল উল্টা পল্টা হয়ে যাচ্ছে। এর পর থেকে ওর মোবাইল থেকে ফোন আসলেই এরকম হয়। আমি তো মহা চিন্তায় পড়লাম কি হল, কি হল। মোবাইল কোম্পানিতে খোজ করলাম সমস্যা টা কোথায়, ওরা আবার খুব তরিৎ গতিতে সমস্যাটা বের করে ফেলল। আসলে সমস্যাটা হল ওর কন্ঠটা এতটাই মিস্টি যে সার্ভার ঠিক মত সিগনাল রিলে করতে পারছে না, মেমরি গন্ডগোল হয়ে যাচ্ছে, প্রসেসরের হার্ট বিট বেড়ে যায়, কম্পিউটার অভার হিটেট হয়ে যায়। কিছুতেই তা বন্ধ করা যাচ্ছে না, তাই ওরা আমায় অনুরোধ করল আমার জান যেন তাদের সিম আর ব্যবহার না করে তাদের সার্ভিসই না কি হুমকির মুখে পড়েছে। আমি হতাশ আর ফোনে কথা বলতে পারবনা। শেষে আবার সেই চিঠি চালাচালি শুরু করতে হল.............কি আর করা আমার জানের জন্য আমি তো সব কিছু করতে প্রস্তুতই আছি......

আমার জানের কিছু গুনাবলী:
আমার জানের মধুর হাসি যেন বহমান নদীর কলতান,
তার কথা যে রবীন্দ্রনাথের কবিতা, লতা মঙ্গেশকরের গান,
তার চোখ যেন সীমাহীন সম্ভাবনার দূত্যি, আশার আলো,
তার হাটা যেন দৃপ্ত পদে আগুয়ান কোন মহীয়সী নারী,
তার মন যেন মহাকাশের মত বিশাল এবং স্বচ্ছ পানির মত পরিস্কার,
এবং ভালবাসায় সে খুবই স্বার্থপর এবং তা শুধুই আমার জন্য।

আমার আবার আইসক্রীম খুবই প্রিয়, আমার জানেরও। কিন্তু অনেকদিন আইসক্রীম খাওয়া হয় না তাই ভাবলাম আমার জানকে নিয়ে একদিন আইসক্রীম খেতে যাই। তাই একদিন গেলাম একটা আইসক্রীমের দোকানে, সেখানে দেখলাম অনেকেই এসেছেন আইসক্রীম খেতে। আমরাও বসে পড়লাম এক টেবিলে। যেই না মাত্র ওকে নিয়ে বসেছি, কিসের যেন একটা গুঞ্জন শুরু হল, সবাই যেন কিছু বলছে। সবাই ওয়েটারকে ডাকেছে আর ডেকে কড়া মেজাজে কিছু যেন বলছে। তো আমারা তো কিছুই বুঝছি না, একসময় দেখি ওয়েটার আমাদের আইক্রীম এনে দিল। কিন্তু একি! আইসক্রীম যে গলে পানি হয়ে গেছে, এদিকে আবার এ/সি চলছে জোরে সোরে কিন্তু আইসক্রীম যাচ্ছে গলে, চিন্তিত ওয়েটার বলল,
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৬ বিকাল ৩:০১
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সাংবাদিক নারীরা কি টিপিক্যাল, চিন্তার গভীরতা কি ওদের কম??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ২৪ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০



সাংবাদিক নারী বা সাংবাদিকতার সাথে সম্পর্কিত পেশায় জড়িত মেয়েরা কি একটু টিপিক্যাল টাইপের হয়??
আমার তো তা-ই মনে হয়! এছাড়া, চিন্তার গভীরতা ওদের একটু কমও মনে হয়েছে আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

চোখ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:১৬

এতদিন উপমা হিসাবে জেনেছি কারোর চোখ থাকে পটল চেরা, কারোর থাকে বাবুই পাখির বাসার মতন।
এই প্রথম দেখলাম গ্রে'স এলিয়ানের চোখ - এত মায়ায় ভরা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সব দুনিয়ার আহার যোগাই, আমরা না পাই খাইতে

লিখেছেন ঢাকার লোক, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:৩৪



সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বাওন হাওরের বর্গাচাষি আলী আকবর। কেমন আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ কৃষিকাজ করি খালি বাঁইচ্যা থাকার লাগি। কোনো লাভ নাই।’ হিসাব কষে বলেন, এখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

লজেঞ্জুষ খাওয়াবে

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪৫


বাতাসের নিঃশ্বাস, পিঠ ঠেকে যাচেছ
শহরের ধূলি বালির নর্দমার কাছে;
কখন চিৎকার করে বলে ওঠবে-
দূষিত নিঃশ্বাস তোমরা সরে যাও
তোমরাই স্বার্থপুরের রাক্ষস রাক্ষসী;
সাবধান বাতাসের কোটি নিঃশ্বাসগুলো
লজেঞ্জুষ হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে-
খুব আদর করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×