(ঘটনা-১) রাজধানীর উত্তরায় একটি এ্যপার্টমেন্টের বাসিন্দা রাজু (ছদ্মনাম)। ৫ম তলায় থাকেন। লিফট জেনারেটর সবই আছে। সার্ভিস চার্জ প্রতিমাসে ৩০০০/- দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু গত ৩মাস যাবত তাদের জেনারেটর নষ্ট, বিদ্যুৎ চলে গেলে লিফট বন্ধ। এরই মধ্যে একবার তার স্ত্রী লিফটে আটকে ছিলেন ১০ মিনিট, পরে দরজা খুলে অনেক কষ্টে উদ্ধার করা হয়।
এই বিল্ডিং এর মালিক ৫জন। যে ফ্লাটে তিনি থাকনে সেটার মালিককে জানানো হয়, ৫মালিকের মধ্যে আবার কমিটি আছে সেই কমিটির সেক্রেটারীকে জানানো হয় কিন্তু হচ্ছে, দেখছি বলে ৩মাস পর হলো।
স্বভাবতই বাড়ীওয়ালাকে বলা হলো ৩মাস যাবত জেনারেটর ঠিক করছেন না, তাহলে কি আগামী মাসে সার্ভিসচার্জ বন্ধ রাখবো? যেহেতু সার্ভিস পাচ্ছি না, চার্জ কেন দিবো? বাড়ীওয়ালার উত্তর এটা করতে পারবেন না, প্রয়োজনে বাড়ী ছেড়ে চলে যান। থাকলে থাকবেন না থাকলে নাই।
(ঘটনা-২) মিরপুর এলাকার বাসিন্দা জুথি। ৪-৫মাস যাবত তাদের এ্যপার্টমেন্টে দিনে ২ বার পানি দিচ্ছে কারণ পানি তোলার মেশিনে সমস্যা, সারাদিনে অপেক্ষায় থাকতে হয় কখন দিবে। আসলে আবার সেট রিজার্ভ করে ৪তলায় নিয়ে আসা। সারাদিন এভাবেই কষ্টে কাটছে তার। অথচ মাস শেষে বাড়ী ভাড়া ২২০০০টাকা আর পানির বিল সহ সার্ভিস চার্জ দিচ্ছেন ৪০০০টাকা। ফ্ল্যাটের মালিককে বললে নানা অজুহাত দেখিয়ে মাসের পর মাস নষ্ট করছে। কড়া কথা বলতে গেলে থাকলে থাকেন না থাকলে নাই, চলে যান।
এতো মাত্র দুটো ঘটনা তুলে ধরা হলো। এরকম লাখো ঘটনা ঘটছে বাড়িওয়ালা আর ভাড়াটিয়াদের মধ্যে। বাড়ীওয়ালাদের কাছে জিম্মী হয়ে আছে ভাড়াটিয়ারা। অপমানের কথা শুনেও মুখ বুঝে থাকতে হয় কিংব আমার শিপিং খরচ ও অগ্রীম দিয়ে বাসা ছাড়তে হয়। এর কষ্টের আর কি আছে?
কবে তৈরী হবে নীতিমালা, কবে কমবে বাড়ীওয়ালাদের দাপট আর অন্যায় আবদার। ভাড়াটিয়াদের কি এভাবেই বেচেঁ থাকতে হবে?

সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



