somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

বনমহুয়া
আমার যে সব দিতে হবে সে তো আমি জানি- আমার যত বিত্ত, প্রভু, আমার যত বাণী আমার চোখের চেয়ে দেখা, আমার কানের শোনা, আমার হাতের নিপুণ সেবা, আমার আনাগোনা–

ভ্রান্তি-বিলাস (২)

২২ শে অক্টোবর, ২০১৫ বিকাল ৫:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



রিফ্লেক্সন জার্নাল - ২১.১০.২০১৫
রাত- ১২:০১
সামিরা চৌধুরী

আজ সকালে পার্থর রুমে ঢুকেই মনটা খারাপ হয়েছিলো। যাকে আমি এত ভালোবাসি তার বসবাস বা লাইফ স্টাইলের এই হাল আমি ভাবতে পারিনি। যদিও ও একটু এলোমেলো হিমু টাইপ তাই বলে এইরকম উছন্নে যাওয়া মানুষ এ আমি স্বপ্নেও ভাবিনি। ওর প্রেমে আমিই প্রথমে পড়েছিলাম যদিও সেটা প্রকাশ করিনি বা ওকে আমি প্রোপোজও করিনি। সেও প্রোপোজ করেনি। আসলে আমরা কেউ কাউকেই কখনও প্রোপোজ করিনি। কখন যেন এক সাথে চলতে চলতে বুঝে গিয়েছি আমরা দুজন দুজনকে আলাদাভাবে পছন্দ করছি। ভার্সিটিতে কাপল হিসাবে পরিচিতি পেয়েছি কখন তা মনে হয় নিজেরাও বুঝিনি। একই সাথে পড়তাম, আড্ডা দিতাম।

সবচেয়ে মজার কথা হলো, সেই সময়টা আমি হিমু সমগ্রে ডুবে ছিলাম। হিমুর জন্য আমার ভেতরে ভেতরে প্রচন্ড এক ভালোবাসা, মায়া বা মমতা কাজ করছিলো। তার ভবঘুরে কিন্তু চরম বুদ্ধিদীপ্ত উদাসীন সব ড্যাম কেয়ার কাজকর্মে আমি আকৃষ্ট হয়েছিলাম। আমি ভাবতাম আমার মত কেউ এলে নিশ্চয় তার এই ভবঘুরে জীবনের সাঙ্গ হত। ভালোবাসার শৃঙ্খলে বেঁধে ফেলতে পারতাম আমি তাকে নিশ্চয়।আসলে আমি উপন্যাসের হিমুর প্রেমে পড়েছিলাম। আর তখনই চোখের সামনে উপস্থিত হলো জীবন্ত এক হিমু। সে এই পার্থ। প্রথম যেদিন আমি ওকে হিমু হিসাবে আবিষ্কার করি, ও পরেছিলো সেদিন ঝকঝকে হলুদ রঙের একটা টি শার্ট। ওর সারাজীবনে ঐ একটা টি শার্টই আমি ঝকঝকে পরতে দেখেছি।

একটু এলোমেলো কিন্তু মহা বুদ্ধিমান ও মেধাবী এই ছেলেটাকে আসলে আমি কখনও ঠিকঠাক মায়ার বাঁধনে ফেলতে পারিনি। ওর জন্য যে আমার এত ভালোবাসা এত চিন্তা সে কি কখনও তা বোঝে বা ভাবে? আমি এর আগে কখনও ওর বাসায় যাইনি। শুধু জানতাম ওরা চারজন ফ্রেন্ড মিলে এই বাসাটা ভাড়া করে থাকে। ঠিকানাটা জানতাম তাই আজ যখন খুব অস্থির লাগছিলো ওর সাথে ফোনে যোগাযোগ করতে না পেরে তখন চলে গিয়েছিলাম ওর বাসায়। যাওয়াটা মনে হয় ভুল হলো। আসলে গল্প এবং বাস্তবের হিমুদের মাঝে যে বিস্তর ফারাকটা রয়েছে তা আমি আজই প্রথম বুঝলাম। গল্পের হিমুরা এ কারনেই বুঝি কারো জালে বাঁধা পড়ে না। আসলে সেটাই ঠিক এবং তাই হওয়া উচিৎ।

পার্থ আজ আমাকে বসিয়ে রেখেও শেভ করে পরিষ্কার পাঞ্জাবী পরে ভদ্রস্থ হয়ে বের হয়েছিলো যা ইউজ্যুয়ালী সে করেনা। এটা দেখে আমি বেশ অবাক হয়েছি। আমার সাথে অন্যদিনগুলোতে সে নানা ব্যাপারে দ্বিমত বা তর্কে মেতে ওঠে। সবসময় তাকে জিততেই হবে। যেন উনি মহাজ্ঞানী, পৃথিবীর আইনস্টাইন, ডারউইন সব উনার মাথাতেই বাস করে। গা জ্বলে যায় আমার। কিন্তু আজ সে আমার সব আবদার অন্যায় মেনে নিচ্ছিলো। যদিও সে মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে আমাকে জিতিয়ে দেয়। কিন্তু অধিকাংশ সময়ই সে এমনভাবে ট্রিট করে আমাকে যেন আমি কচি খুকি। একই সাথে পড়ি আমরা। সার্টিফিকেটে আমার বয়স ওর থেকে ৬ মাস কম হলেও আমি জানি যে আসলে আমি ওর চাইতে ৮ মাসের বড়। সে কথা জানেও সে। তবুও ওর ভাব দেখে মনে হয় উনি আমার দাদার বয়সী। আমার রাগ দেখে বা দুঃখ দেখে বা আনন্দ দেখেও সে যা সব কমেন্ট করে মনে হয় আমি নির্বোধ কিছুই জানিনা, কিছুই বুঝিনা। সত্যি মাঝে মাঝে আমার এমন রাগ লাগে।

আজ পুরোটা ম্যুভিই সে চুপচাপ বসে দেখলো বাধ্য ছেলের মত। তারপর আমার সাথে বসে বসে কষ্ট করে ঝাল দেওয়া চটপটি খেলো। অন্যদিন সে আমি চটপটি খেলেও নিজে বসে বসে বিড়ি খান। সিগারেটকে বিড়ি বলা দেখে আমার মেজাজ খারাপ হয় তবুও কিছু বলিনা। কারন পার্থ যখন সিগারেট খায় তখন ওকে সত্যিকারের হিমুর মত লাগে। তবে হুমায়ুনের হিমু সিগারেট খায়না মনে হয়। আমি বুঝতে পারিনা পার্থ কবে বুঝবে আমি ওকে এত ভালোবাসি? আমি যে ওকে এত ভালোবাসি তা যে সে বুঝতে পারেনা বা কেয়ার করেনা তার প্রমান কালকের ঘটনা। যাকগে আমি কালকের ঘটনাটা মনেও করতে চাইনা। যেহেতু আমি পার্থকে ভালোবাসি তাই তার ভুল ত্রুটিগুলোকেও মাফ করে বা ভুলে যেয়েও ভালোবাসতে চাই।

কিন্তু আমি আজ বেশ কষ্ট পেয়েছি। পার্থের এই অধঃপতন আমাকে কষ্ট দিচ্ছে। ওর সাথে সারাদিন হাসিমুখে থাকলেও আমি আসলে কষ্টগুলো ভুলতে পারছিনা। পার্থ আজও বুঝতে পারেনা আমি যে সবই বুঝি। সে আমাকে বোকা ভাবে। আমি যে ওর রুমে ঢুকেই ঝাঁঝালো গন্ধ পেয়েছি এবং ওর ব্ল্যাক লেভেলের বোতলটাও চোখে পড়েছে আমার তা সে বুঝেনি। আর তাই সে আমাকে আড়াল করে পা দিয়ে বোতলটা ঠেলে বেডের নীচে লুকিয়ে ফেললো।


ফ্ল্যাশ ব্যাক
পার্থ দ্যা অনলি ওয়ান - ২১ শে অক্টোবর

পার্থ কখনোই বিভ্রান্ত হতে পছন্দ করেনা। তার ধারনা তাকে বিভ্রান্ত করতে পারে এমন কেউ এই পৃথিবীতে নেই। এ নিয়ে পার্থের মাঝে একধরনের চাপা অহংকার সবসময় কাজ করে। কিন্তু আজ সারাদিন যা ঘটল তার কোন যৌক্তিক ব্যাখ্যা পার্থ খুঁজে পাচ্ছেনা।সামিরাকে সে খুব ভালো ভাবে বুঝত বলেই তার ধারনা ছিল। কিন্তু সকাল থেকেই একের পর এক ঘটে চলা ঘটনা পার্থকে এক ধরনের ঘোরের জগতে নিয়ে গেছে। কাল যখন সামিরা তাকে সিলভিয়ার সাথে রেস্টুরেন্টে দেখে বিস্মিত হয়েছিলো, খুব করে অপমান করেছিল ওকে, পার্থ তখন খুব নির্লিপ্তভাবেই সেসব হজম করেছিল। কারন সে তখনই বুঝে নিয়েছিল সামিরার সাথে সব সম্পর্ক সেখানেই শেষ।সামিরা খুব আবেগী, জিদি এবং আত্মসন্মানবোধে উন্মত্ত এক মেয়ে। এই মেয়ে তার মত একটা ছেলেকে কিভাবে এতদিন ভালোবাসলো এবং সহ্য করল সেটাও মাঝেমাঝে পার্থকে ভাবায়।তবে কি সামিরার ভালোবাসার তীব্রতা পার্থ আসলেই বুঝতে পারেনি?

পার্থ কিছুটা হিপ্পি টাইপ জীবন যাপন করে।এই ভাবে অনেক কিছুকে অগ্রাহ্য করে জীবন কাটানোটা সে খুব উপভোগ করে।কিন্তু যখন থেকে সামিরার সাথে তার পরিচয় হয়েছে সে বুঝতে পেরেছে এই মেয়ে তাকে এক শক্ত মায়ার বাঁধনে জড়িয়ে ফেলবে। পার্থ সবচেয়ে ভয় পেয়েছিল যখন সে প্রথম বুঝতে পেরেছিল যে, সে সামিরার প্রেমে পড়ে গেছে। এই মেয়ের ভালবাসাকে অগ্রাহ্য করার ক্ষমতা অন্তত পার্থের ছিলনা। কিন্তু সে সবসময় এমন একটা ভাব দেখাত যে, সামিরার ভালোবাসা অগ্রাহ্য করা তার কাছে কোন ব্যাপারই না। আসলে পার্থের মধ্যে সবসমই দুটো বিপরীতমুখী ইচ্ছা কাজ করত। সে একদিকে যেমন চাইত তার সব নিয়ে সামিরার কাছে আত্মসমর্পণ করতে, আবার পরক্ষনেই ইচ্ছে হত সামিরার তীব্র ভালোবাসার ক্ষমতাকে অগ্রাহ্য করে বেড়িরে আসতে। সে বুঝেছিল এভাবে আসলে সামিরার সাথে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা যাবেনা।

তাই কাল যখন সামিরার হাতে সে ধরা খেয়েছিল তখন সে একধরনের স্বস্তি পেয়েছিল। সে ভেবেছিল যাক এইবার তাকে আর কষ্ট করে কিছু করতে হবেনা। সামিরাই তাকে ছেড়ে চিরতরে চলে যাবে। যদিও সিলভিয়ার সাথে তার কোন প্রেমের সম্পর্ক ছিলনা কিন্তু সামিরাকে মিথ্যা বলেই সে সিলভিয়ার সাথে দেখা করতে এসেছিল। মাঝে মাঝে সামিরার ভালোবাসার বন্ধনকে এভাবে অগ্রাহ্য করে পার্থ একধরনের আনন্দ হয়।

সবকিছু শেষ ভেবেই পার্থ কাল খুব করে মদ খেয়েছিল। সে নিজেই তার বন্ধন মুক্তিটাকে উপভোগ করতে চাচ্ছিল, সামিরা আর কোন দিন আসবেনা। তার সাথে কথা বলবেনা। তাকে শাসন করবেনা, ভালোবাসবেনা এসব ভাবতেই সে কেমন যেন শূন্যতায় হারিয়ে যাচ্ছিল। বারবার সামিরার মায়াবী মুখ পার্থের চোখের সামনে ভেসে বেড়াচ্ছিল। তার নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছিল। রাতে পার্থ কখন কিভাবে ঘুমিয়ে পড়েছিল সে নিজেও জানে না।

সকালে উঠে যখন সামিরাকে দেখল তার চোখের সামনে, সে বিশ্বাসই করতে পারছিলনা। কিন্তু নিজেকে সামলে নিয়েছিল পার্থ। সামিরা আজই প্রথম তার বাসায় এসেছে। সামিরা এসেই তাকে বলল তুমি এখনও রেডি হওনি?
তুমি সবসময় এমন কর। পার্থের হঠাৎ মনে পড়ল তার আজকে সামিরাকে নিয়ে সিনেমা দেখার কথা ছিল কিন্তু কাল এতকিছুর পর সামিরা আবার ফিরবে এ তো অকল্পনীয়। সামিরা কেনো ফিরে আসল? পার্থের মাথা ঠিকমত কাজ করছিলনা।
সে তার রুমের অবস্থার জন্য বেশ লজ্জিত হচ্ছিল যা আসলে পার্থের স্ববিরোধী আচরন। সে সামিরার নিস্পাপ মায়াবী চোখের দিকে অপরাধীর মত তাকিয়ে ছিল এবং এতসব দ্বিধার মাঝেও পার্থ হঠাৎ করেই বুঝতে পেরেছিল সে সামিরাকে ভালোবাসে। অনেক তীব্র ভাবেই ভালোবাসে।

সে নিশ্চিৎ বুদ্ধি করে তড়িৎ সিদ্ধান্তে ব্ল্যাক লেভেলের বোতলটা বিছানার নীচে চালান করে দেওয়াটা সামিরা ধরতে পারেনি। নাহ সামিরা আরও কষ্ট পাক সেটা সে চাচ্ছেনা।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে অক্টোবর, ২০১৫ বিকাল ৫:০০
২১টি মন্তব্য ১৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জিন্নাহ কি বাঙালি মুসলমানের শত্রু?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৪


মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাকিস্তানের স্বপ্নদ্রষ্টা বা পাকিস্তানের জাতির জনক। একজন বাংলাদেশী হয়ে পাকিস্তানের জাতির জনককে নিয়ে আলোচনা করলে কি গুনাহ হতে পারে কিংবা বড় ক্ষতি হতে পারে? বাংলাদেশে জিন্নাহর... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্রেফ 'জিন্নাহকে স্মরণ আর বঙ্গবন্ধুকে গালি' রাজাকারি মানসিকতারই উদাহরণ

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৪



ভারতীয় উপমহাদেশের জাতিসত্তাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন নেতা হিসেবে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি কেউ 'যৌক্তিক' বা তাঁর 'প্রাপ্য' সম্মানটুকু জানাতেই পারেন; তাতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু, যখন সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?
যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত, যে বাংলাদেশ রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন হয়েছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু... ...বাকিটুকু পড়ুন

এগারটি বছর পার হয়ে গেল…. কিছু পরিসংখ্যান নিয়ে একাদশতম বর্ষপূর্তি পোস্ট

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৪১



পূর্বের বর্ষপূর্তি পোস্টের লিঙ্কঃ দশম বর্ষপূর্তি পোস্ট

সামহোয়্যরইনব্লগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ রাত ১১টা ২৬ মিনিটে প্রকাশিত হয় আমার প্রথম কবিতা, বক্ষমাঝে থাকবে তুমি। বলা যায় খুব দ্রুতই, মাত্র তৃতীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুঃখ খচিত পতাকা আমার

লিখেছেন এম ডি মুসা, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?

যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×