somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমরাই 'তিন গোয়েন্দা'-1

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ দুপুর ১:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

তিন গোয়েন্দার বই পড়ে পড়ে গোয়েন্দা হবার সুপ্ত ইচ্ছেটা জেগে উঠে হঠাৎ করেই । কিন্তু একা একা আর কি গোয়েন্দাগিরি করব? তাই সঙ্গী হিসেবে নিলাম আমার দুই ছোট বোন মুন্নী আর তন্বীকে ( একজন সহোদর আর অন্যজন কাজিন ) কতই আর বয়স তখন? বড়জোড় 10/11 বছর , আর ছোট দুই সহকারীর বয়সে আমার চাইতে আরও ছোট । যেহেতু সদস্য তিনজন আর তিন গোয়েন্দা পড়েই এ দল তাই আমাদের দলের নামও হল তিন গোয়েন্দা ।
যেহেতু গোয়েন্দা দল গঠনের প্রস্তাবটি এসেছে আমার উর্বর মস্তিষ্ক হতে আর এ ব্যাপারে একমাত্র আমিই জানি তাই প্রথমেই দুই সহকারীকে বুঝালাম আমাদের উদ্দেশ্য এবং কার কি করণীয় । এক্ষেত্রে তিন গোয়েন্দার বইগুলো আমার গাইডের কাজ দিল । ওদেরকে আমি আমার বইগুলো পড়তে দিলাম যাতে করে ওদের গোয়েন্দাগিরি সম্পর্কে কিছু ধারনা হয় । কিন্তু ওরা কোন বই-টই পড়তে আগ্রহী ছিল না । তাই আমাকেই বাধ্য হয়ে মূল কাহিনী যথাসম্ভব সংক্ষিপ্ত করে বুঝাতে হল । অবশেষে আমি প্রস্তাব করলাম, যেহেতু আমি তোদের চেয়ে বড় আর গোয়েন্দাগিরি সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞানের অধিকারী সুতরাং আমিই হব নেতা। তারা মাথা নেড়ে সম্মতি জ্ঞাপন করল । এবার আমার দ্বিতীয় প্রস্তাব উত্থাপিত হল, যেহেতু আমরা এখন গোয়েন্দা সুতরাং আমাদের নামও হওয়া উচিত গোয়েন্দাদের মত । তখন পর্যন্ত তিন গোয়েন্দাই ছিল আমাদের ভরসা । তাই নামের ক্ষেত্রে আমরা তাদেরকেই বেছে নিলাম । কিন্তু কে কোনজন হবে সেটা নিয়ে মোটামুটি ঝগড়ার মত হয়ে গেল । আমার ইচ্ছা আমি হব কিশোর কিন্তু মুন্নী আর তন্বীরও ইচ্ছা কিশোর নামটা নেয়ার । অনেক কষ্টে তাদের বুঝাতে সক্ষম হলাম যে, যেহেতু তোদের চেয়ে আমি বড়, বুদ্ধিমান আর দলের নেতা সুতরাং কিশোর নামটা আমাকেই দেয়া উচিত । কিন্তু গোল বাঁধল রবিন আর মুসা নাম নিয়ে । কেউই মুসা হতে চায় না । মুন্নীর যুক্তি যেহেতু মুসা কালো ( নিগ্রো ) আর ভূতের ভয়ে ভীতু সুতরাং তন্বীকেই এ নাম দেয়া উচিত । আর তন্বীর যুক্তি হল, মুন্নী একটু পেটুক টাইপ আর মারামারিতেও বিশেষ সুনাম আছে সুতরাং মুসা হওয়া তারই সাজে । মুন্নীকে বুঝালাম যে রবিন হলে অনেক পড়াশুনা করতে হবে আর অনেক অনেক ফাইল লিখতে হবে, অবশেষে কান্নাকাটি আর মারামারির ধাপ শেষ করে মুন্নীকে মুসা আর তন্বীকে রবিন উপাধি দেয়া হল ।

আমরা গোয়েন্দা দল গঠন করার পর একটা সুন্দর হেড কোয়ার্টার বানিয়েছিলাম । আর কেসের কথা কি বলব? মোট 10/12 টা কেস পেয়েছিলাম কিন্তু সমাধান করতে পেরেছি মোটে 3 টা কি 4টা । সেগুলো নিয়ে পর্যায়ক্রমে আলোচনা করা হবে ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গ্রেট প্রেমানন্দ মহারাজ

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৪ ঠা মে, ২০২৬ সকাল ১১:৪৮



'প্রেমানন্দ' একজন ভারতীয় হিন্দু তপস্বী ও গুরু।
১৯৭১ সালে কানপুরের কাছে 'আখরি' গ্রামে তার জন্ম। দরিদ্র পরিবারে জন্ম। ১৩ বছর বয়সে প্রেমানন্দ সন্ন্যাসী হওয়ার জন্য গৃহ ত্যাগ করেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুতাপ (ছোট গল্প)

লিখেছেন আবু সিদ, ০৪ ঠা মে, ২০২৬ সকাল ১১:৪৯

একনাগাড়ে ৪-৫ বছর কাজ করার পর রহিমের মনে হলো, নাহ! এবার আরেকটা চাকরি দেখি। লোকাল একটা কোম্পানিতে কাজ করত সে। কিন্তু কোনকিছু করার জন্য শুধু ভাবনাই যথেষ্ট নয়। সে চাকরির... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ আমাদের খারাপ দিনের পর

লিখেছেন সামিয়া, ০৪ ঠা মে, ২০২৬ দুপুর ২:৩৩


করোনার সময় নানান উত্থান পতন ছিল আমাদের, আব্বা মা ছোটবোন সহ আমি নিজেও করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রায় মরে যেতে যেতে বেঁচে গিয়েছিলাম শেষ মুহূর্তে, বেঁচে গিয়েছিল আমাদের ছোট্ট সোনার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ডোগান- এক রহস্যময় জাতি

লিখেছেন কিরকুট, ০৪ ঠা মে, ২০২৬ বিকাল ৫:১০



আফ্রিকার মালি এর হৃদয়ে, খাড়া পাথুরে পাহাড় আর নির্জন উপত্যকার মাঝে বাস করে এক বিস্ময়কর জনগোষ্ঠী ডোগান। বান্দিয়াগারা এস্কার্পমেন্ট অঞ্চলের গা ঘেঁষে তাদের বসতি । এরা যেন সময় কে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-১৩)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৪ ঠা মে, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



সূরাঃ ১৩ রাদ, ১১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১। মানুষের জন্য তার সম্মুখে ও পশ্চাতে একের পর এক প্রহরী থাকে। উহারা আল্লাহর আদেশে তার রক্ষণাবেক্ষণ করে। আর আল্লাহ কোন সম্প্রদায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×