বাংলাদেশে শিশুশ্রমিকের হার এখন 7%।প্রতিবেশী দেশ ভারত ও নেপালে এই হার যথাক্রমে 13% ও 31%।সূত্র:দি ইকোনমিস্ট, জানুয়ারি 6,2006 সংখ্যা।
10জানুয়ারি এই খবরটি পড়লাম। নিঃসন্দেহে এটি একটি সুখবর। সেদিনই ঠিক করেছি এ বিষয়ে কিছু লিখব। কিন্তু নানা ব্যস্ততায় সময় করে উঠতে পারি নি।
14 বছর বয়স পর্যন্তবাচ্চাদের শিশু হিসেবে গণ্য করা হয়। শিশুশ্রম মাত্রেই যে খারাপ তা কিন্তু নয়, তবে শিশুদের উপর কাজের ভার বেশী হলেই তার স্বাস্থ্য ও মানসিক বিকাশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়। বাংলাদেশে শিশুশ্রমিকের নিম্নহার হওয়ার একটি কারন হচ্ছে এ দেশের পোশাক খাতকে শিশুমুক্ত করা। 1997 সালে শিশুমুক্ত করার ঘোষণা করা হয়। এর আগে এ খাতে প্রচুর শিশুশ্রমিক নিয়োজিত ছিল। পোশাকশিল্পের পাশাপাশি এ দেশের শিশুরা বাসাবাড়ি, হোটেল, লেদমেশিন কারখানা, বাস-টেম্পো এবং বিশেষ করে কৃষিক্ষেত্রে প্রচুর শিশু কাজ করে।
শিশুশ্রমের ফলে,শিশুরা শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে আর তাদের মেধা বিকাশের পথও রুদ্ধ হয়। বাংলাদেশের শিশুরা নানা উপায়ে প্রতিনিয়ত নিগৃহীত হচ্ছে। বিশেষ করে যারা বাসাবাড়িতে কাজ করে তাদেরকে তো অনেকেই শরীরিক নির্যাতন করতেও কুনিঠত বোধ করে না, যার জ্বলন্ত সাক্ষী মুস্তাকিনা,পুতুল,শেফালি। এত নির্য়াতন সয়ে কাজ করেও অধিকাংশ শিশুই তাদের প্রাপ্য বেতনটুকুও পায় না, সেটা নিয়ে নেয় তাদের অভিবাবক। আমাদের দেশের দরিদ্র মানুষ তাদের সন্তানদের মনে করে নিজেদের সম্পদ!!
আমরা যদি একটু সচেতন হই তাহলেই কিন্তু শিশুশ্রমিকদের মানসিক বিকাশে আমরা সহযোগিতা করতে পারি। আমাদের সদিচ্ছাই একদিন বাংলাদেশকে শিশুশ্রম মুক্ত করবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
