somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ধর্মের পথচলা - ১

১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

স্বরণাতীত কাল থেকেই মানুষের মাঝে প্রাকৃতিক শক্তিগুলোকে পুজো করার একটা প্রবণতা চালু রয়েছে। কখনো বা কিছু প্রতীক, যা প্রাকৃতিক শক্তির প্রকাশক বা কোনো মুর্তিকে প্রাকৃতিক শক্তির প্রকাশ্য রূপ ধরে নিয়ে সেটাকে পুজো-অর্চনা করার ভিতর দিয়ে প্রাকৃতিক শক্তির পুজোর প্রবণতাকে ভিন্ন মাত্রা দেয়া হয়েছে।

তুলনামূলক মিথলজীতে যে বিষয়গুলোর উপস্থিতি অনিবার্য তা হলো

১) মানুষের ঈশ্বর ধারণা সবসময় অনেকাংশেই মানবিক গুনাবলী উদ্ভুত। যেসব গুনাবলী তারা নিজেদের ভিতর দেখতে ভালোবাসে, ঠিক সেগুলো দিয়েই তারা নিজ নিজ ঈশ্বর কে সাজায়।

২) প্রাচীন মানুষের রহস্যময়তার ভয় বা যা যা নিজেদের জন্য ক্ষতিকর বলে ভাবে সেগুলোকেও তারা ঐশ্বরিক মর্যাদায় দেখতে চায়। আসলে এই মর্যাদার দেবার পিছনে কাজ করে এসকল ক্ষতিকর ব্যাপারগুলোকে শান্ত রাখার চেষ্টা।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের গুটি বসন্তের দেবী শীতলার কথা।

৩) এর কিছুটা বিবর্তিত রূপ হিসেবে আসে যে সকল পশু-পাখী মানুষের জন্য ক্ষতিকর তাদের পুজো করার ব্যাপারটা। যেমন স্বর্প পুজা। এটা এখনও বিশ্বের বিভিন্ন এলাকায় টিকে আছে।
মিশরীয় মিথলজীতে কুমির(যা নীলনদে সহজলভ্য), কুকুর, ষাঁড়, বক পরিবার ভুক্ত (Ciconiidae) পাখিরা সরাসরি বা প্রতীকি অর্থে পুজিত হ'তো।

৪) মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধি যখন আরো উন্নত হ'তে থাকলো তখন তারা দৃষ্টি দিলো স্বর্গীয়(আকাশে বিদ্যমান/দৃশ্যমান) বস্তুর দিকে এবং তাদের চলাচলের উপর। এবং এই বস্তুগুলোর রাজসিক চলন, সৌন্দর্য, রহস্যময়তা ইত্যাদি অনুভব করে মানুষ এগুলোকে ঈশ্বরের আসনে বসাতে শুরু করলো।
প্রাচীন আমলের বিশিষ্ট জ্যোতির্বিদদের প্রায় সকলেই ব্যাবিলনীয় বা ক্যালিডনীয়। আব্রাহামের বাসস্থানও ছিলো এই এলাকায়। আব্রাহামের গাথা গুলো স্বর্গীয় বস্তুগুলোকে কাল্টের মাধ্যমে পুজো করা এবং এর ভ্রান্ত বিশ্বাসকে নির্দেশিত করে।



চলবে........
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের ২০২৬–২০২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট : প্রত্যাশা, বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জ একটি বিশ্লেষণধর্মী পর্যালোচনা

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১১ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৭:৪১


বাংলাদেশের ২০২৬–২০২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট শুধু একটি বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়; এটি নতুন সরকারের অর্থনৈতিক দর্শন, উন্নয়ন কৌশল এবং আগামী কয়েক বছরের অর্থনৈতিক রূপরেখার একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল। নতুন সরকারের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য লাস্ট সাপার

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১১ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৩৩



কক্সবাজার ডিবি কার্যালয়ের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বিশেষ কক্ষ। টেবিলজুড়ে সাজানো নামী রেস্তোরাঁ থেকে আনা রূপচাঁদা ফ্রাই আর কোরাল মাছের দো পেঁয়াজা। টেবিলের একপাশে বসা এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

উন্মাদ; নেতা না জনগন

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১১ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৫৩



১। জনগন উন্মাদ, নাকি নেতা-পাতি নেতারা !!?? যেহেতেু জনগনই ভোট দিয়ে (বাংলাদেশ ছাড়া) নেতা নির্বাচন করে; বলা যায় জনগনের উন্মাদনা-ই নেতা-পাতি নেতাদের উন্মাদনা আরও বাড়িয়ে দেয় !!... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৪


আব্বাসউদ্দীন আহমদের কণ্ঠে ভাওয়াইয়ার সেই কালজয়ী সুরটা আজকাল ঘনঘন খুব মনে পড়ছে-

... ...বাকিটুকু পড়ুন

সরকারের যে কোন বড় সিধান্ত গুলো কেমন হওয়া উচিত!

লিখেছেন সাহাদাত উদরাজী, ১১ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭

সরকারের যে কোন বড় সিধান্ত গুলো কেমন হওয়া উচিত! বহুবার বলেছি, যারা আমার সাথে আছেন তারা নিশ্চয় দেখেছেন। সরকার যে কোন সিধান্ত দেবার আগে তার হাতে গবেষণা পত্র (কোন শিক্ষক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×