somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মুক্তিযুদ্ধ পাঠ জানা জরুরি

০৩ রা মার্চ, ২০১৬ সকাল ১০:৩৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমরা প্রতিবছর গুরুত্বপূর্ণ দিবস তর্পণ করি কেন? কারণ দিবস পালনের মাধ্যমে এর গৌরব প্রজন্মের কাছে আবার জীবন্ত হয়ে ফিরে আসে। চেতনাকে আবার শানিয়ে নেওয়া যায় বলে দিবস তর্পণ স্মৃতিসুধার মতো কাজ করে। মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে জন্ম নেওয়া এই দেশটি ৪৪ বছর অতিক্রম করার পরও আমার মধ্যে এক ধরনের অস্বস্তি কাজ করছে। আজকের লেখাটির উৎস এখানেই। বড় অদ্ভুত আমাদের দেশের মানুষের চারিত্রিক ও মানসিক ধরন। হাজার বছর ধরে যে দেশের মানুষ অর্থাৎ আমাদের পূর্বপুরুষরা অতিযত্নে অসাধারণ মননশীলতা ও যোগ্যতা দিয়ে উজ্জ্বল সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য গড়েছেন, বীরগাথা রচনা করেছেন, তাঁদেরই উত্তরসূরি আমরা অবলীলায় ঐতিহ্যচর্চাবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছি। চোখে অন্ধত্বের ঠুলি পরে অতীতের দিকে না তাকিয়ে সামনে ছুটতে চাইছি। আর সে ছোটায় সব ক্ষেত্রে দেশাত্মবোধ কাজ করছে তেমন নয়—যার যার লভ্যাংশ পেতেই নানা পক্ষের কুিসত প্রতিযোগিতা। ঐতিহ্যের ঔজ্জ্বল্য ছিল বলেই বাঙালির শক্তি ও ক্ষমতার কথা জেনে এগারো-বারো শতকে বিদেশি ব্রাহ্মণ সেন বংশীয় রাজারা চিন্তিত হয়ে পরেছিলেন। তাঁদের ভয় ছিল ঐতিহ্যে প্রণোদিত বাঙালি এই অন্যায় শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে পারে। প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে। তাই শুরুতেই শাসক দল নতুন প্রজন্মকে ঐতিহ্য ভোলানোর জন্য সচেষ্ট হয়েছিল। তারা বাংলা ভাষা চর্চা নিষিদ্ধ করে দিয়েছিল। শূদ্র অভিধায় সাধারণ বাঙালিকে ছুড়ে ফেলেছিল খাদের কিনারায়। একই দৃষ্টিভঙ্গি ছিল অনেককাল পরে নবসৃষ্ট পাকিস্তানের শাসকদের মধ্যে। যারা প্রধানত ছিল পশ্চিম পাকিস্তানের অবাঙালি। তারা পাকিস্তান রাষ্ট্রের শাসন ক্ষমতার মৌরসি পাট্টা নিজেদের হাতে রাখতে চেয়েছিল। আর পূর্ববাংলাকে শোষণ করার ছক তৈরি করেছিল। তারাও সেন শাসকদের মতো বুঝেছিল কাজটি অত সহজ হবে না। দীর্ঘ উজ্জ্বল ঐতিহ্যের প্রেরণা বাঙালিকে সজীব ও তেজোদীপ্ত রাখবে। প্রতিবাদী করে তুলবে। তাই একই কায়দায় ইতিহাস-ঐতিহ্যচর্চা ভুলিয়ে দিতে হবে নতুন প্রজন্মের বাঙালিকে। ফলে স্বাভাবিকভাবে তারাও আঘাত হানে বাংলা ভাষা চর্চায়। রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দিতে চায় উর্দু। কিন্তু সে চেষ্টায় তারা সফল হতে পারেনি। লড়াকু বাঙালি অঙ্কুরেই বিষ দাঁত ভেঙে দিয়েছে।
এখন আবার অর্থনৈতিক সাম্রাজ্যবাদী গোষ্ঠী তাদের দোসরদের কাজে লাগিয়ে আগামী প্রজন্মের বাঙালিকে ঐতিহ্যের শক্তি থেকে বিচ্ছিন্ন করতে চাইছে। সুচতুরভাবে ইংরেজি মাধ্যম স্কুল আর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি মাধ্যম করার ধারণা ছড়িয়ে দিয়ে ঐতিহ্যিক প্রণোদনা থেকে বিচ্ছিন্ন করতে চাইছে প্রজন্মকে। যাতে ঐতিহ্যের শক্তি বিচ্ছিন্ন হওয়া মোহগ্রস্ত নিরুত্তাপ নতুন প্রজন্মের বাঙালির ঘাড়ে পা রেখে স্বার্থ সিদ্ধি করতে পারে। এসব আন্তর্জাতিক শক্তির দেশীয় এজেন্টের অভাব হয় না। তারা গিরগিটির স্বভাব নিয়ে রং বদলায়। লুকিয়ে থাকে রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক নানা অঙ্গনে। এ কারণেই স্বাধীনতার এতকাল পরও আতঙ্কিত হয়ে লিখতে হয় ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পাঠ কেন জরুরি’। কারণ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নির্মোহভাবে জীবন্ত না রাখতে পারলে এর চেতনা জারিত করবে কেমন করে প্রজন্মকে। আর এই চৈতন্য ছাড়া ফিকে হয়ে যাবে দেশপ্রেমের শক্তি। আমাদের সবচেয়ে বড় ভয় ক্ষমতা আর দলপ্রেমী নষ্ট রাজনীতির মানুষদের নিয়ে। তারা নিজেদের অভীষ্ট পূরণের জন্য ভয়ংকরভাবে ইতিহাসকে বিকৃত করে ফেলতে চায়। দেশপ্রেম তাদের কাছে কখনো বড় কিছু নয়, বক্তৃতার আরোপিত শব্দ মাত্র। একটু যদি পেছনে তাকাই তেমন কষ্টের ছবি কি ভাসবে না!
মুক্তিযুদ্ধের চেতনার এক অমিত তেজ আছে। এই চৈতন্যের দীপশিখা জাগরুক থাকলে তাতে আলোকিত হবে চারদিক। আর আলো থাকলে অন্ধকার যে পালাবে—এ তো চিরসত্য। তাই অন্ধকারের জীবরা আলোকে ভয় পাবেই। মুক্তিযুদ্ধের সাইনবোর্ড বয়ে বেড়ায় যারা আর মুক্তিযুদ্ধের তথাকথিত ঘোষক হয়ে যারা সাধারণ মানুষের চোখে অঞ্জন পরাতে চায়—উভয় পক্ষেই বাদুড়ে স্বভাবের অন্ধকারের জীব আছে। দিনে দিনে যে চেহারা উন্মোচিত হচ্ছে তাতে এদের আর সাধারণ বাদুড় বলা যাচ্ছে না; রক্তচোষা ভ্যাম্পায়ার বলাই যথার্থ।
ক্ষমতায় থেকে তারা কেউই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আপন গতিতে এগিয়ে যেতে দেয়নি। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির দাবিদার আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মুক্ত বিহঙ্গের মতো ইতিহাস তার আপন গতিতে এগোবে—এটাই প্রত্যাশিত ছিল। কিন্তু বাস্তবে কি তা ঘটেছে? মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বে থাকা আওয়ামী লীগের বিরোধী পক্ষ হিসেবে রাজনীতিতে আবির্ভূত বিএনপি বিকৃত পথে মুক্তিযুদ্ধের অধিকারে ভাগ বসাতে চাইবে তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। আর জামায়াতসংশ্লিষ্টতার পর তারা নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভুলিয়ে দিতে চাইবে এটাই স্বাভাবিক। আওয়ামী লীগের এ যুগের নেতারা যদি ভাবতে পারতেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করা আমাদের প্রথম মহৎ দায়িত্ব তাহলে তাঁরা নিয়মতান্ত্রিক পথেই শক্তিমান থাকতে পারতেন। মুক্তিযুদ্ধের ত্যাগ ও গৌরবই প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষ থেকে তাঁদের ব্যবধানে এগিয়ে রাখত। কিন্তু তাঁরা তা সেভাবে ভাবতে পারেননি। ১৯৭৫ সালের নির্মম পটপরিবর্তনের পর অনেকটা দিশাহারা আর বিভ্রান্ত ছিলেন তাঁরা। হারানো ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার জন্য স্থূল পথ অবলম্বন করতে চাইলেন। একপর্যায়ে বিএনপিভীতি পেয়ে বসল। বিএনপি যখন গায়ের দুর্গন্ধ দূর করতে মুক্তিযুদ্ধের পারফিউম মাখতে শুরু করল তখনো আওয়ামী লীগ রাজনীতি দিয়ে মোকাবিলা করে মানুষের কাছে নিজের গৌরবের অবস্থানকে আরো শক্তভাবে ধরে রাখার কথা ভাবতে পারল না। বিএনপি জিয়াউর রহমানকে মুক্তিযুদ্ধের কাণ্ডারি বলে প্রচার করতে শুরু করলে দুর্বলচিত্ত আওয়ামী নেতৃত্ব তাতে ভীত হয়ে গেল। তাই বঙ্গবন্ধুকে অসম প্রতিযোগিতায় জিয়াউর রহমানের প্রতিপক্ষ করে যেন যুদ্ধে নামল। একজন মহান বিশাল মানুষকে টেনে নামাল অনেক নিচে। নতুন প্রজন্মের বিভ্রান্তির কারণ ঘটল, মনে প্রশ্ন জাগল মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বে কে বড়—জিয়াউর রহমান না বঙ্গবন্ধু?
এমন সব সুবিধাবাদ ও বিভ্রান্তি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছে প্রজন্মকে। শুধু রাজনীতিই নয়—পরিবার ও পরিবেশ এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোও নিজ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হচ্ছে। গত সপ্তাহে একটি টিভি চ্যানেল প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। এই প্রজন্মের শিশুকে প্রশ্ন করেছিল, ‘ভাষা আন্দোলন বলতে সে কী বোঝে?’ তার উত্তর ছিল, ‘ভাষা আন্দোলনের অর্থ মুক্তিযুদ্ধ।’ অর্থাৎ এর মধ্যেই এই প্রজন্মের অনেকের কাছে ভাষা আন্দোলন তামাদি হয়ে গেছে। যখন থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ২১ ফেব্রুয়ারির প্রভাতফেরি প্রত্যুষ ছেড়ে মধ্যরাতে চলে গেল ও রাষ্ট্রীয় বিধান মনে করে উপজেলা, জেলা আর বিভাগে সরকারি স্মৃতিতর্পণও মধ্যরাতে হতে থাকল তখন থেকে আমার মধ্যে আতঙ্ক কাজ করছিল। বুঝতে পারছিলাম এই আয়োজন একুশের একমাত্র প্রতীকী শব্দ ও দিবস তর্পণের বিশেষায়িত বিষয়টিকে অচেনা করে দেবে প্রজন্মের কাছে। ভাষা আন্দোলনের গৌরব ভোলাতে এর ভূমিকা থাকবে সবচেয়ে বেশি। কিন্তু দেখলাম ‘মধ্যরাতের প্রভাতফেরি’ রাজনীতিকদের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সাংস্কৃতিক নেতাকর্মীরাও বিনা প্রতিবাদে মেনে নিলেন। তাই হারাধনের ছেলের মতো একাই বছরের পর বছর প্রভাতফেরি ফিরিয়ে আনার জন্য লিখতে থাকলাম। বোঝা গেল এতে তেমন সফল হইনি। এ প্রজন্মের অনেক কিশোরের কাছে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস এখন তেমন স্পষ্ট নয়।
ঠিক একইভাবে অস্পষ্ট করার আয়োজন যেন চলছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস লেখা ও তুলে ধরার ক্ষেত্রে। এনসিটিবি নিয়ন্ত্রিত মাধ্যমিক আর নিম্নমাধ্যমিক পর্যায়ের বইপত্রে মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গ আসে রাজনৈতিক বিবেচনাকে সামনে রেখে। বিএনপি ক্ষমতায় থেকে মক্তিযুদ্ধের ইতিহাস লিখিয়েছে বিএনপি-জামায়াতের ইচ্ছা পূরণের আলোকে। আওয়ামী লীগের আমলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস লেখায় একটি স্বাভাবিক ছন্দ ফিরে এলেও কখনো কখনো সরকারি ইচ্ছায় আর তোষামোদকারী প্রাতিষ্ঠানিক বলয় থেকে আতিশয্য আয়োজনের প্রচেষ্টাও থাকছে। একটি কিশোর যেভাবে মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করে বেড়ে উঠবে সে বিচারটি যথাযথভাবে করা হয়ে ওঠেনি। শুধু স্কুল নয়, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলামে মুক্তিযুদ্ধ বিশেষ বিষয় হিসেবে উপস্থাপিত হচ্ছে না।
আমরা বিশ্বাস করি, বাল্যকাল থেকে বেড়ে ওঠার সব পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গপাঠ দেশপ্রেমের সত্তাকে শানিয়ে নেওয়ার জন্যই জরুরি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাই পারে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার মনস্তাত্ত্বিক শক্তি জোগাতে। রাজনীতিকে পরিশুদ্ধ করতে। মুক্তিযুদ্ধের পর জন্ম নেওয়া প্রজন্ম বৈরী রাজনৈতিক পরিবেশে বারবার প্রতারিত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস পাঠে বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এসব কারণে প্রজন্মের অনেকের কাছেই মুক্তিযুদ্ধের কথা অনেকটা অস্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এই ধোঁয়াশা মুক্ত করার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপের কথা আমরা শুনতে পাই না। এনসিটিবি শিক্ষার্থীদের মধ্যে একগাদা সহপাঠের জন্য বই তুলে দিয়েছে। সেখানে পরিকল্পিতভাবে মুক্তিযুদ্ধ জানানোর তেমন ব্যবস্থা নেই। বিভিন্ন বেসরকারি স্কুল বাণিজ্যিক বিবেচনায় অনেক অপ্রয়োজনীয় বই তুলে দিয়ে ভারাক্রান্ত করছে শিক্ষার্থীদের। এই জায়গাটিতে কঠোর সরকারি পর্যবেক্ষণ আরোপের মাধ্যমে সহজ ও সাবলীল গ্রন্থনায় ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সহায়ক পাঠ হিসেবে নির্দিষ্ট করতে পারলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিচ্ছিন্ন হতো না প্রজন্ম। এক মুক্তিযুদ্ধ পাঠ ও চর্চাই আমাদের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সচেতন করে তুলতে পারে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পাঠক যখন প্রেক্ষাপট জানতে চাইবে তখন তাকে কমপক্ষে ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করতে হবে। ভাষা আন্দোলনের পথ ধরে অধিকার আদায়ের আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হবে। স্পষ্ট হবে বাঙালির আইয়ুববিরোধী আন্দোলন। ছয় দফা, ১১ দফার পথ ধরে ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানকে জীবন্ত করতে পারবে। সত্তরের নির্বাচন ও পাকিস্তানি ষড়যন্ত্র সম্পর্কে পাঠকমাত্রই ধারণা পাবে। একইভাবে স্পষ্ট হবে ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধুর ভাষণের তাত্পর্য আর বাঙালির প্রতিরোধ সংগ্রাম। অতঃপর বাঙালির ওপর পাকিস্তানি আর তাদের দোসরদের ঝাঁপিয়ে পড়া। ঘুরে দাঁড়ানো বাঙালির অসম সাহসিকতায় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ।
এভাবে প্রজন্ম যদি ইতিহাসের ধারাবাহিকতা খুঁজে পায় তখন আর রাজনৈতিক অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো এক অচেনা মেজরের ঘোষণায় মুক্তিযুদ্ধের মতো একটি বিশাল ঘটনা ঘটানোর কথা প্রচার করার হাস্যকর অপচেষ্টা স্বাভাবিকভাবেই পরিত্যাজ্য হবে। এসব কারণে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সত্য প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পাঠ অত্যন্ত জরুরি।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মার্চ, ২০১৬ সকাল ১০:৩৮
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

তবু একদিন হেমন্ত এলে অবকাশ পাওয়া যাবে

লিখেছেন অধীতি, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:২০

“সুজাতাকে ভালোবাসতাম আমি-
এখনো কি ভালোবাসি?
সেটা অবসরে ভাববার কথা,
অবসর তবু নেই;
তবু একদিন হেমন্ত এলে অবসর পাওয়া যাবে
এখন শেলফে চার্বাক ফ্রয়েড প্লেটো পাভলভ ভাবে
সুজাতাকে আমি ভালোবাসতাম কি না।”


তবুও একদিন হেমন্ত আসে কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছবি ব্লগ -৯ নিশীথে ফুটেছে ফুল

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:২৪

বাইরের জানালার পাশে গভীর রাতে ফুটে ওঠা ফুলের সৌন্দর্য রহস্যময়, আকর্ষণীয় মনে হলো বলেই থমকে দাঁড়ালাম। ক্যামেরায় ধরলাম। ফুল আর কলি যেন কথা বলে উঠলো।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলে ট্রাম্প চাচা ট্রমার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৫


সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে ভোট দিয়ে এসে অনেকক্ষণ ধরেই অপক্ষো করছিলাম কখন সন্ধ্যা হবে সে প্রত্যাশায়। সন্ধ্যার পর মোটামুটি বসে গিয়েছিলাম ফলাফলের উপর টেলিভিশনে বিশেষ আলোচনা দেখার জন্য।... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২০

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)
.................................................................................................................



কক্ষপথে ঘোরে আমার একলা মনের ইলেকট্রন,
নেগেটিভ চার্জে মেঘ জমেছে, খুঁজছে আজি কার্বন মাখা অন্যমন।
তুমি যখন পজিটিভ এনার্জিতে, এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৫৮



পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

একটি একটি সামরিক কৌশল। কোনো সামরিক বাহিনী যখন পিছু হটে বা শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করতে চায়, তখন তারা নিজেদেরই ফেলে যাওয়া এলাকার সমস্ত ফসল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×