"প্রভু, জাতির জনকের ওয়ারিশ বানানো ছাড়া কেন আমাকে এই দেশে পাঠিয়েছ?!
প্রভু, আমি যদি আজ জাতির জনকের কন্যা, নাতি, নাতনি হতাম তাহলে শেয়ার বাজার, কুইক রেন্টাল, ডেসটিনি, সোনালী ব্যাংক থেকে লক্ষাধিক কোটি টাকা নিয়ে গিয়ে বিদেশে আলীশান জীবন যাপন করে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতে পারতাম।
মাত্র তিন হাজার টাকা মাসে পাওয়ার জন্য আজ এভাবে বেওয়ারিশ হিসেবে আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের হাতে তুলে দেয়া হতো না!
আমাকে যদি জাতির জনকের নাতনি জামাই করেও পাঠাতে তাহলে এক পদ্মাসেতু গিলেই আমি সারাজীবন জাতির জনকের নাতনীকে সুখে রাখতে পারতাম।
মায়ের মুখে সামান্য ভাত তুলে দেয়ার জন্য আমাকে আজ মনুষ্য কাবাব হতে হতো না!
জাতির জনকের কন্যাদের সন্তান হিসাবে না হয় পাঠালে না, আত্মীয় করেও তো পাঠাতে পারতে, তাহলে আমি আজ কয়েকটি ব্যাংকের মালিক হতে পারতাম।
নিজের বিয়ের যৌতুকের টাকা জমানোর জন্য আমাকে আগুনে পুড়তে হতো না।
যে কোন ভাবে যদি আমাকে তুমি জাতির জনকের সাথে সম্পর্ক জুড়ে দিতে তাহলে এসএসএফ আমাকে বাথরুমে পর্যন্ত নিরাপত্তা দিতো।
এভাবে আওয়ামী নেতাদের তৈরিকৃত ফ্লাইওভারের নিচে পড়ে দ্বিখন্ডিত হতে হতো না!
তুমি তো জানতে এই দেশের সব নিরাপত্তা, সব গ্যারান্টি প্রয়োজনে পুরো দেশ গিলে ফেলার অনুমতি আছে জাতির জনকের উত্তারাধিকারীদের! আমাকে কেন তুমি তাদরে অংশ করতে পারতে!
প্রভু, ওসব কোনটির সাথে যখন আমাকে সংশ্লিষ্ট করলে না, তখন এদেশের শাসকদের কেন তুমি মানুষ হিসেবে তৈরি করলে না?
আমি এই জবাব অন্ততঃ চাই।
এদেশের শাসকরা নিজ দলের অস্ত্রধারীদের নিরাপত্তা বিধান করে, ধর্ষকদের জন্য ওদের মন কাঁদে, সন্ত্রাসীদের প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শন করে কিন্তু আমার নিরাপত্তার জন্য কিছু করে না! কিভাবে করবে? তুমি তো তাদেরকে মানুষ হিসেবে তৈরি করো নি!
তারা ভিন্ন এক প্রাণী, যে প্রাণী জামায়াত-শিবির ধরতে রকেট গতিতে দৌঁড়ায় কিন্তু আমার মতো অগ্নিদগ্ধদের বাঁচাতে কচ্ছপ গতিতেও হাটে না! কোন মন্ত্রী আসেনি, কেউ আসেনি!
প্রভু আমি কি তোমার কাছে দরখাস্ত দিয়েছিলাম যে আমি বাংলাদেশে আসতে চাই? দিয়েছিলাম? বলো?
তুমি বাংলাদেশে আমাকে যখন পাঠাবে, তখন মুর্তি করে পাঠালেও তো হতো। ঢাকা থেকে হাজার মাইল দূরে রামুর বৌদ্ধ মূর্তিকে আগুন থেকে বাঁচানোর জন্য মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী সহ সবাই কয়েকঘন্টার ভিতর হাজির হয়, অথচ কয়েকমাইল দূরে আশুলিয়ায় আমার মতো হাজারো মানুষকে বাঁচাতে কেউ আসেনা। তুমি তো জানতে বাংলাদেশের আওয়ামী প্রাণীদের কাছে মূর্তির মূল্য মানুষের চেয়ে অনেক অনেক বেশি! তখন মূর্তি হিসেবেই আমাকে পাঠাতে।
প্রভু, বাংলাদেশ আজ আর কোনো মানবিক ভূখণ্ড নয়। ক্ষমতাশীনদের লোভের কাছে, স্বার্থপরতার কাছে, নিষ্ঠুরতার কাছে আমার মতো মানুষের কষ্ট তুচ্ছ হয়ে যায়। ঘরে ঘরে স্তূপীকৃত হয়ে আছে জমাট বাঁধা কান্না। আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে আছে দুঃখে। প্রভু একটা কিছু কর, যারা বেঁচে আছে তাদের জন্য অন্ততঃ... "
collected
..............................................................................................
☻
☻
☻
☻
☻
জল্লাদেরা মৃত্যুদন্ড বাস্তবায়ন করতে করতে মানুষ কতল করা তাদের কাছে ডাল-ভাত হয়ে যায়।
۞ মর্গে লাশ ব্যবচ্ছেদ করতে করতে মর্গ-কর্মীদেরও রক্ত ও জীবনের প্রতি কোন আবেগ থাকে না।
۞ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ মুমুর্ষ রোগী দেখতে দেখতে "রোগীর দুমাসের মধ্যে মৃত্যুর নিশ্চয়তা" দেন অনায়াসে।
আমি একটি দেশে
এতো মৃত্যু দেখেছি
এতো অন্যায় অবিচার দেখেছি
এতো দুর্নীতি দেখেছি
এতো শোষন দেখেছি
এতো হত্যা-রাহাজানি দেখেছি
এতো হিংসা দেখেছি
এতো ঘৃনা দেখেছি
এতো মিথ্যা দেখেছি যে
দু-একটি ফ্লাইওভার ধ্বশে কিংবা আগুনে পুড়ে শখানেক মানুষের মৃত্যুকে থোড়াই কেয়ার করি।
এইটা কিছুই না!
ঘুমায়া থাক বঙ্গালী!
আগায়া যা শু*** বাচ্চা গোয়েবলসের চেলারা!!
চালায়া যা কুটিল বুদ্ধিজীবিরা,
লুটায়া খা হারামী রাজনৈতিকেরা।
ঘুমায়া থাক বাংলার জেন্ডার চেঞ্জ হয়ে যাওয়া যুবসমাজ। কিচ্ছু হয় নাই, এগুলো কিচ্ছু না !!!। এভরিথিং গনাবি ওকে
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ১:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


