somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমাকে যদি জাতির জনকের নাতনি জামাই করেও পাঠাতে .......

২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ১:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

"প্রভু, জাতির জনকের ওয়ারিশ বানানো ছাড়া কেন আমাকে এই দেশে পাঠিয়েছ?!

প্রভু, আমি যদি আজ জাতির জনকের কন্যা, নাতি, নাতনি হতাম তাহলে শেয়ার বাজার, কুইক রেন্টাল, ডেসটিনি, সোনালী ব্যাংক থেকে লক্ষাধিক কোটি টাকা নিয়ে গিয়ে বিদেশে আলীশান জীবন যাপন করে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতে পারতাম।
মাত্র তিন হাজার টাকা মাসে পাওয়ার জন্য আজ এভাবে বেওয়ারিশ হিসেবে আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের হাতে তুলে দেয়া হতো না!

আমাকে যদি জাতির জনকের নাতনি জামাই করেও পাঠাতে তাহলে এক পদ্মাসেতু গিলেই আমি সারাজীবন জাতির জনকের নাতনীকে সুখে রাখতে পারতাম।
মায়ের মুখে সামান্য ভাত তুলে দেয়ার জন্য আমাকে আজ মনুষ্য কাবাব হতে হতো না!

জাতির জনকের কন্যাদের সন্তান হিসাবে না হয় পাঠালে না, আত্মীয় করেও তো পাঠাতে পারতে, তাহলে আমি আজ কয়েকটি ব্যাংকের মালিক হতে পারতাম।
নিজের বিয়ের যৌতুকের টাকা জমানোর জন্য আমাকে আগুনে পুড়তে হতো না।

যে কোন ভাবে যদি আমাকে তুমি জাতির জনকের সাথে সম্পর্ক জুড়ে দিতে তাহলে এসএসএফ আমাকে বাথরুমে পর্যন্ত নিরাপত্তা দিতো।
এভাবে আওয়ামী নেতাদের তৈরিকৃত ফ্লাইওভারের নিচে পড়ে দ্বিখন্ডিত হতে হতো না!

তুমি তো জানতে এই দেশের সব নিরাপত্তা, সব গ্যারান্টি প্রয়োজনে পুরো দেশ গিলে ফেলার অনুমতি আছে জাতির জনকের উত্তারাধিকারীদের! আমাকে কেন তুমি তাদরে অংশ করতে পারতে!

প্রভু, ওসব কোনটির সাথে যখন আমাকে সংশ্লিষ্ট করলে না, তখন এদেশের শাসকদের কেন তুমি মানুষ হিসেবে তৈরি করলে না?
আমি এই জবাব অন্ততঃ চাই।

এদেশের শাসকরা নিজ দলের অস্ত্রধারীদের নিরাপত্তা বিধান করে, ধর্ষকদের জন্য ওদের মন কাঁদে, সন্ত্রাসীদের প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শন করে কিন্তু আমার নিরাপত্তার জন্য কিছু করে না! কিভাবে করবে? তুমি তো তাদেরকে মানুষ হিসেবে তৈরি করো নি!
তারা ভিন্ন এক প্রাণী, যে প্রাণী জামায়াত-শিবির ধরতে রকেট গতিতে দৌঁড়ায় কিন্তু আমার মতো অগ্নিদগ্ধদের বাঁচাতে কচ্ছপ গতিতেও হাটে না! কোন মন্ত্রী আসেনি, কেউ আসেনি!

প্রভু আমি কি তোমার কাছে দরখাস্ত দিয়েছিলাম যে আমি বাংলাদেশে আসতে চাই? দিয়েছিলাম? বলো?
তুমি বাংলাদেশে আমাকে যখন পাঠাবে, তখন মুর্তি করে পাঠালেও তো হতো। ঢাকা থেকে হাজার মাইল দূরে রামুর বৌদ্ধ মূর্তিকে আগুন থেকে বাঁচানোর জন্য মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী সহ সবাই কয়েকঘন্টার ভিতর হাজির হয়, অথচ কয়েকমাইল দূরে আশুলিয়ায় আমার মতো হাজারো মানুষকে বাঁচাতে কেউ আসেনা। তুমি তো জানতে বাংলাদেশের আওয়ামী প্রাণীদের কাছে মূর্তির মূল্য মানুষের চেয়ে অনেক অনেক বেশি! তখন মূর্তি হিসেবেই আমাকে পাঠাতে।

প্রভু, বাংলাদেশ আজ আর কোনো মানবিক ভূখণ্ড নয়। ক্ষমতাশীনদের লোভের কাছে, স্বার্থপরতার কাছে, নিষ্ঠুরতার কাছে আমার মতো মানুষের কষ্ট তুচ্ছ হয়ে যায়। ঘরে ঘরে স্তূপীকৃত হয়ে আছে জমাট বাঁধা কান্না। আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে আছে দুঃখে। প্রভু একটা কিছু কর, যারা বেঁচে আছে তাদের জন্য অন্ততঃ... "
collected
..............................................................................................





জল্লাদেরা মৃত্যুদন্ড বাস্তবায়ন করতে করতে মানুষ কতল করা তাদের কাছে ডাল-ভাত হয়ে যায়।

۞ মর্গে লাশ ব্যবচ্ছেদ করতে করতে মর্গ-কর্মীদেরও রক্ত ও জীবনের প্রতি কোন আবেগ থাকে না।

۞ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ মুমুর্ষ রোগী দেখতে দেখতে "রোগীর দুমাসের মধ্যে মৃত্যুর নিশ্চয়তা" দেন অনায়াসে।


আমি একটি দেশে
এতো মৃত্যু দেখেছি
এতো অন্যায় অবিচার দেখেছি
এতো দুর্নীতি দেখেছি
এতো শোষন দেখেছি
এতো হত্যা-রাহাজানি দেখেছি
এতো হিংসা দেখেছি
এতো ঘৃনা দেখেছি
এতো মিথ্যা দেখেছি যে

দু-একটি ফ্লাইওভার ধ্বশে কিংবা আগুনে পুড়ে শখানেক মানুষের মৃত্যুকে থোড়াই কেয়ার করি।

এইটা কিছুই না!
ঘুমায়া থাক বঙ্গালী!
আগায়া যা শু*** বাচ্চা গোয়েবলসের চেলারা!!
চালায়া যা কুটিল বুদ্ধিজীবিরা,
লুটায়া খা হারামী রাজনৈতিকেরা।
ঘুমায়া থাক বাংলার জেন্ডার চেঞ্জ হয়ে যাওয়া যুবসমাজ। কিচ্ছু হয় নাই, এগুলো কিচ্ছু না !!!। এভরিথিং গনাবি ওকে
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ১:৫৩
১১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×