এক একটা দিন একগ্রচিত্তে
একটা একটা ছবি দিয়ে সাজাই হৃদয়ের ক্যানভাস
সেই ছবির মাঝে থাকে আমার অতীত, বর্তমান আরে অনিশ্চত ভবিষ্যত
যে শিশু ক্ষুধার তাড়নায় কাতরায়, সে যেমন মাকে দেখে স্বর্গ খুজে
একাগ্রতার মাঝেও যেন আমি সেই স্বর্গ খুজি...... নির্ঘূম তুলিতে
তারপর, আকষ্মাক খালী হতে থাকে ক্যানভাস......... গতির বাশীতে।
আত্নচিন্তার ধ্যান যখন থামে, টিউলিপের পাপড়ীতে ভাইরাস যেমন
আমার নিভৃত বাসরে, ষোড়ষী চাঁদের আলো জাগে শিয়রে
তবুওতো সবার মতোই আমি একা
ক্ষয়িষ্ণু সত্যর সাধণা মুখ থুবড়ে পড়ে জোনাকীর আলোয়
খন্ডিত মরুর প্রান্তরে, হঠাৎ যেমন বৃষ্টি-জল অপ্রত্যাশার সুরে।
মুক্তির অপেক্ষায় ক্লান্ত উপমা ছটফট করে এ বুকের পিঞ্জরে
ডাহুকীর মতো তাই কখনও জেগে থাকি আমি
এখনও যেমন বুণো গাছেতে ঝড় উঠে একঘেয়ে স্থবিরতা ভেঙ্গে
কবে কোন রজণীতে, আমি যেমন জেগেছিলাম, আজ নতুন কেউ জাগবে
সহসা হঠাৎ ডাকাডাকি যন্থযানে ঝড়ে পড়বে সুঘ্রাণ বিন্দু বিন্দু গুঞ্জনে।
ছেরে যেতে পারিনা তাই মুগ্ধতা নেই এই প্রোথিত বাতাসে
জীরাফের মতো গলা বাড়িয়ে খুজি, দ্বাদশী চাদের আলো
ডুকরে কাদে সোমত্ত বিষ্ময় প্রতিদিন, আরেকটা লাশের কফিনে
ছ্লকে উঠে ঘুমন্ত শিহরণ কতদিন যে সুর উঠেনা ভেবে নিঘুম যূথিকা বনে
গেরিলা বাস্তবতা জাল বিছায় নতুন চালে......
মিনিকেট ভাতে মরা তেলাপোকা দিয়ে, নতুন ঝড়তুলে বাতাসে
অশুথের ডালে পেতাত্না সেজে খুজি উত্তাপ, ডাল থেকে ডালে
দহনের উত্তাপ নেই যে আগুনে, নিসগের কথা বলে যে হাড়াহাড়ে।
সূর্যাস্ত ডিঙ্গিয়ে আবার প্রত্যহ ভোরে
প্রকাশিত হই আমি, আত্নপ্রকাশের ভঙ্গিতে, নিংশেষিত সময়ের ক্রীতদাস হয়ে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


