শেষ কোথায় এই সহিংসতার? কেউ কি জবাব দিবেন?
আমার এই প্রশ্ন দুটোর উত্তর কারো জানা থাকলে জানাতে পারেন। আমি যা বুঝি তা একটু আলোচনা করতে চাই আপনাদের সাথে।
বিএনপির ডাকা হরতাল-অবরোধে সারাদেশে যে অস্থিরতা বিরাজ করেছে আজ তার ৩১ দিন পার হলো। এই দিনগুলোতে কি ঘটেছে তা নতুন করে বলার কিছু নাই। কথা হলো বিএনপি বলছে আলোচনায় বসতে। তারপর একজন তৃতীয় ব্যাক্তির অধীনে নির্বাচন দিতে।
আমার কথা হলো, আ'লীগ আলোচনায় বসলো কিন্তু বিএনপি যা বলল আ'লীগ তা মানলো না। তা হলে কি হবে?
ধরে নিলাম আলোচনা সফল হলো। নির্বাচনও হলো। কিন্তু বিএনপি যে ক্ষমতায় যাবে তার কি গ্যারান্টি আছে? যদি যায় তাহলে তারা হয়তো হরতাল-অবরোধ বন্ধ করবে। কথা হলো যদি তারা নির্বাচনে জিততে না পারে। তাহলে কি হবে? তখন আবার তারা বলবে কারচুপি, সুক্ষ কারচুপি, ইলেকশন ইনজিনিয়ারিং, কত রকম বিশেষণ ( যারা হারবে তারাই বলবে)। । আবার শুরু হবে এই মানুষ পুড়ানোর কাজ।
তাহলে কি দাড়ালো? আমাদের মুক্তি নাই। বিএনপির একটাই অঘোষিত দাবী তাদের ক্ষমতা দেওয়া হোক । না দিলে তারা এরকম করতেই থাকবে।
আমার মনে হয়, আলোচনা হোক আর নির্বাচন হোক বিএনপি যতক্ষণ না ক্ষমতায় যেতে পারবে তারা এইরকম করতেই থাকবে।
আবার আ'লীগ ক্ষমতার বাইরে চলে গেলে তারাও নিশ্চয়ই বসে থাকবে না। তারা বলবে, দেশে জঙ্গী-তালেবান বানানো হচ্ছে। বিএনপির হাতে এদেশ নিরাপদ নয়। কেবল তাদরে হাতেই দেশ নিরাপদ। সুতরাং ডাক হরতাল, পুড়াও মানুষ।
আমরা এই গ্রহের অতি সস্তা প্রাণী। আমরা পুড়লে তাতে কাদের কি? তারা রাজনীতি করে আমাদের জন্য। আমাদের জানমালের নিরাপত্তা করার জন্য। আমাদের অধিকার ফিরিয়ে দেবার জন্য। আর এগুলো করতেই তারা আমাদের পুড়িয়ে মারে। আমাদের নূন্যতম অধিকারটুকু ছিনিয়ে নেয়। একমাত্র উর্পাজনাক্ষম ব্যাক্তিকে হত্যা করে ঐ পরিবারটিকেও জীবন্ত হত্যা করে। দিন-মজুরকে না খায়িয়ে মারে। কোমলমুতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা-জীবন ধ্বংস করে। (যদিও তারা তাদের নাতনীদের- সন্তানদের বিদেশে পাঠিয়ে দেয় পরীক্ষা দিতে, নিরাপদে থাকতে)। শুধূ আমরাই................................।
সুতরাং বলতে পারি যাকে ক্ষমতা দেওয়া হবে সে অদৃশ্য হাতে পেটাবে। আর যে ক্ষমতার বাইরে থাকবে সে পুড়িয়ে মারবে। অথবা যে আন্দোলন করবে সে ক্ষমতা থাকা ব্যাক্তিকে বেকাদায় ফেলতে আমাদের পুড়াবে। আর আন্দোলনকারীরা খারাপ, সন্ত্রাস করছে, জ্বালা্ও পুড়াও করছে-এটা প্রমান করতে ক্ষমতায় থাকা লোকেরা আমাদের পুড়াবে। আমরা যেখানে থাকি আমরা মার খাবো। এটাই যেন আমাদের ভাগ্য।
*** নিস্তার নেই আমাদের নিস্তার নেই ****
সত্যই কি তাই? জেগে উঠো বাংলার মানুষ। কতিপয় মানুষের ক্ষমতার লোভ চরিতার্থ করতে গিয়ে কেন আমরা আমাদের ভাই-বোন, বাবা-মা, সন্তানদের পুড়িয়ে মারা বন্ধ করি। যে সব নেতারা মানুষ মারতে বলে, দেশের সম্পাদের ক্ষতি করতে বলে তাদের কে ত্যাগ করি। একজন নেতার কোন ক্ষমতা নেই যদি আমরা তার পাশে না থাকি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




