somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইচ্ছের মেয়াদ যখন 50 মিলিসেকেন্ড (পুরানো খবর)

০৮ ই এপ্রিল, ২০০৬ দুপুর ১:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইন্টারনেটের একটি ওয়েবসাইট খোলার পর 50 মিলিসেকেন্ডের (1 সেকেন্ডের 20 ভাগের 1 ভাগ) মধ্যেই আমাদের মস্তিষ্ক সাইটটি দেখবে কি দেখবে না সে বিষয়ে সিদ্ধান্তনেয়। সমপ্রতি কানাডার একদল গবেষক বেশকজন স্বেচ্ছাসেবী ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ওপর পর্যবেক্ষণ করে এ তথ্য জানিয়েছেন।
গবেষকরা জানান, প্রথম দর্শনের পর নেয়া দ্রুত সিদ্ধান-ের প্রভাবটা দীর্ঘই থাকে। তবে এতো অল্প সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্তনেয়ার বিষয়টি অবাক করার মতোই। কেননা গবেষকদের ধারণা ছিল কোনো কিছু দেখে সিদ্ধান্তনিতে কমপক্ষে 500 মিলিসেকেন্ডের প্রয়োজন। সেখানে ব্যবহারকারীদের প্রায় সকলেই গড়ে মাত্র 50 মিলিসেকেন্ড সময় নিয়েছেন। এ ক্ষুদ্র সময়ের মধ্যেই তারা একটি সাইটকে যাচাই করে 'ভালো' আর 'বাজে' বিশেষণ দিয়েছেন।
এনিয়ে গবেষণা দলের প্রধান লিন্ডগার্ড জানিয়েছেন, অনেকগুলো আশঙ্কা ও সম্ভাবনার কথা। নতুন এ গবেষণায় এটি স্পষ্ট হয়েছে যে কোনো সাইটকে প্রথম দর্শনে ভালো লাগলে সেই সাইটের অন্যান্য বিষয়ের প্রতিও দর্শকের ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হবে। আর যদি তার উল্টোটা ঘটে অর্থাৎ 50 মিলিসেকেন্ডের মধ্যে ব্যবহারকারী যদি সাইটটিকে তার অপছন্দের তালিকায় ফেলে দেয় সেক্ষেত্রে ভেতরে যতো আকর্ষণীয় তথ্য বা সংবাদই থাকুক না কেন, মনযোগ দিয়ে কেউ সেটা পড়বে এমনটি আশা করা হবে বোকামি।
লিন্ডগার্ড জানান, বিশ্বের প্রায় সকল প্রতিষ্ঠানই এখন অনলাইননির্ভর। তাই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের হোমপেজের প্রতিও নজর দেয়া জরুরি।
অন-ত দর্শককে এক মিনিটের জন্য ধরে রাখতেও সাইট নির্মাতাদের অসাধারণ গ্রাফিক্স আর অ্যানিমেশনের বুজরুকি দেখাতে হবে।

source:http://www.amadershomoy.com/news.php?id=43655&sys=1
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দুর্ভিক্ষের আওয়াজ কি আমরা বাংলাদেশিরা শুনতে পাচ্ছি?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৪৩

মুচলেকা দিয়ে, গোপন সমঝোতা করে মীর জাফর কিংবা মীর কাসিমের মতো “কথিত ক্ষমতার” সিংহাসনে বসা যায় ঠিকই কিন্তু বসে বসে জনগণের সর্বনাশ দেখা ছাড়া তাদের বিশেষ কিছু করার থাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সম্ভাবনার বন্দি

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:১৮



বান্দরবান জেলা কারাগারের চারপাশে পনেরো ফুট উঁচু পাথর ও কংক্রিটের নিরেট প্রাচীর। তারও ওপরে পেঁচানো ধারালো কাঁটাতারের জাল।

বর্ষার কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে ৩ নম্বর ব্লকের সংকীর্ণ সেলে শান্ত হয়ে বসে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাজার থেকে নৌকাবাইচ- এরপর কোথায়?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১০

মাজার থেকে নৌকাবাইচ- এরপর কোথায়?
মাজার বিদ্বেষ, বাউলগান বিদ্বেষ, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আপত্তি- এরপর কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় কলেমা লেখা পতাকা টানানো; আর এখন সিলেটের বিয়ানীবাজারে ‘তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে ঐতিহ্যবাহী... ...বাকিটুকু পড়ুন

খোঁজা সম্প্রদায়

লিখেছেন কিরকুট, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭

হিন্দু লোহানা জাতি থেকে ধর্মান্তরিত হয়েছিল খোঁজা সম্প্রদায়।মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এই খোঁজা সম্প্রদায়ের মুসলিম ছিলেন এবং শিয়া গোষ্ঠীর আশারি সম্প্রদায়ের মানুষ ছিলেন। খোঁজাদের বিশ্বাস এবং ধ্রমীয় আচার-আচরণ সহজে কোন পরিচিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাবিতে "মব সায়েন্স" পড়তে হলে কী কী যোগ্যতা লাগে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:১৮



- রাজনৈতিক সুবিধার জন্য তৌহিদী জনতার ব্যবহার করা জানতে হবে।

- রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও মবকে থামাতে না পারলে সেটাকে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা না বলে "জনতার শক্তি" বলতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×