২০২৪ সালের পলাশী দিবসে এসে সাদা চামড়ার মানুষের গোলামী করার বন্দোবস্ত নিশ্চিত করা হয়েছে যেমনটা প্রথম পলাশী দিবসে (১৭৫৭) করা হয়েছিল। প্রথম পলাশী দিবসের মনিব ছিলো ইউরোপীয় সাদা চামড়ার মানুষ আর দ্বিতীয় পলাশী দিবসের মনিব হলো উত্তর আমেরিকার সাদা চামড়ার মানুষেরা। সাদা চামড়ার এই নব্য মনিবকে তার সুবিধাভোগী গোলামদের অন্যতম একজন (সাদা শকুন নামেও পরিচিত) “পরীক্ষিত বন্ধু” (১৯৭১ সালে বঙ্গোপসাগরে ৭ম নৌবহর পাঠিয়ে, খাদ্যাভাবে জর্জরিত যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে গমের জাহাজ ফিরিয়ে নিয়ে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া বন্ধু) বলে অবিহিত করেছে। তবে এনাদের সংস্করনের বিশেষায়িত ইসলাম অনুসারে এই পরীক্ষিত বন্ধুর গোলামী করা হালাল।
অবমাননাকর, অপমানজনক ও একতরফা এক চুক্তির মাধ্যমে বিনে পয়সায় দুষ্টুরাষ্ট্রের কাছে দেশ বিক্রি হয়ে যাওয়াটা এখনকার বাস্তবতা। তাই আমরা ওদের থেকে বোয়িং কিনতে বাধ্য, বেশি দামে এল পি জি কিনতে বাধ্য, গম কিনতে বাধ্য। এই পর্যায়ের লাল স্বাধীনতায় জর্জরিত হওয়ার (নাকি বোঝা বইবার) নজির আগে ছিলো কি? ১৭৫৭ এর মিরজাফর যেমন ক্ষমতাহীন দায়িত্ব নিয়ে সময় পার করেছে তেমনি ২০২৪ এর মিরজাফর গং সেরকম সময়ই পার করছে মাত্র।
বরং ইতোমধ্যেই sold out হওয়া দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় ভা/রতের কাছে যে প্রতিবাদমূলক বিবৃতি (ক্ষমতাচ্যুত হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের কারনে) দিয়েছে, সেটাই চরম রকমের হাইস্যকর। এই বিবৃতি তো এদেশে অবস্থিত দুষ্টুরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতই দিতে পারতো (স্টেট ডিপার্টমেন্টও দিতে পারতো কিন্তু ইরান যুদ্ধ ব্যাতিব্যাস্ত ঐ ডিপার্টমেন্টের এ দেশের মতো দেশের জন্য মাথা ঘামানোর সময় বোধ করি নেই)।
আসলে সত্যের বিরুদ্ধে টিকে থাকার জন্য মিথ্যার কলেবর সর্বদাই বড় হয়, সত্যের বিরূদ্ধে তার অস্তিত্ত্ব টিকিয়ে রাখতে দৃশ্যতঃ লম্বা/দীর্ঘ হতে হয়, মুখোশের ওপর মুখোশ আটতে হয়, যেন মানুষ কিছু সময়ের জন্য সত্যের রূপ ধারণ করা মিথ্যার পেছনে ছুটতে ছুটতে খেই হারিয়ে মিথ্যাকেই প্রকৃত সত্য বলে মেনে নেয়।
জুlie আগাগোড়াই lie মানে, মিথ্যা/myth বলেই, এই মেটিকিউলাস (reset button সমৃদ্ধ) ডিজাইনের জুlie ৩৬ দিনের, চিরাচরিত বা স্বাভাবিক ৩১ দিনের না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



