বুঝি না। কেন এমন হয়। হয়তো সকলেরই হয়- যদি কেউ কখনো কাউকে ভালোবেসে থাকে। কিন্তু হয়।
ভালোবাসার মতো দাদ ভগমান যেন কাউকে না দেন। খালি চুলকোয়- আর চুলকোলেই চুলকানি বেড়ে যায়। ঢোল কোম্পানীর মলম আছে দাদের। কোনো কোম্পানী এই দারুণ দাদের মলম যে কেন বের করে না জানি না। এই জ্বালা, এই আরাম; এ আর সহ্য হয় না।
শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের কবিতায়-
ভালোবাসা সবই খায়- এঁটোপাতা, হেমন্তের খড়
রুগ্ন বাগানের কোণে পড়ে থাকা লতার শিকড়
সবই খায়, খায় না আমাকে
এবং হাঁ করে রোজ আমারই সম্মুখে বসে থাকে।
আমি একটু-একটু তাকে অবসন্ন হাওয়া দিতে পারি
একটু এনে দিতে পারি আমরুলের পাতার প্রকৃতি
স্মৃতির কাঁথায় তাঁর স্পর্শ- যিনি উপস্থিত নেই
এইসব- দিতে পারি, এতে কি ও শ্রীমুখ ফেরাবে?
আমার ভিতরে কোনো গোলোযোগ নেই, প্রেম নেই
অন্যমনস্কতা লেগে আমার ভিতরে হয়ে নেই
কিছু বা পাথর, নেই ফুটোফাটা, ফেলো-রাখা ধুলো
আমার ভিতরে আছে সবাঁঙ্গ রঙীন পথগুলো-
এতেই সবই হবে।
শঙ্খ ঘোষের কবিতায়-
এবার তবে খুলে দেওয়া, সব বাঁধনই আলগা করে নেওয়া
যখন বলি, কেমন আছো? ভালো?
'ভালো' বলেই মুখ ফিরিয়ে নেবার মতন মরুভূমি
এবার ছিন্ন করে যাওয়া।
বন্ধ ছিলো সদর, তোমার চোখ ছিলো যে পাথর
সেসব কথা আজ ভাবিনা আর
যাওয়ার পর কেবল যাওয়া এবং যাওয়ায়
আকাশ গন্ধরাজ।
শিরায় শিরায় অভিমানের ঝরণা ভেঙে নামে
দুই চোখই চায় গঙ্গাযমুনা
মন কি আজও লালন চায়? মনকে বলো 'না'
মনকে বলো 'না', বলো 'না'।
[সাইজ=1].................................................................চলবে[/সাইজ]
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৫:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


