প্রথম আলুর খবর নিয়ে বিরোধী দল তো অনেক আগে থেকেই ক্ষ্যাপা। দেশের বিভিন্ন ইস্যুতে একটি বিশেষ পক্ষকে অতিরিক্ত সমর্থন করে পত্রিকাটির অবস্থা এখন একেবারেই একপেশে।
সেই অভিযোগ শুধু ভার্চুয়াল জগতেই নয়, দেশের অন্যান্য গনমাধ্যমেও ফুটে উঠেছে। প্রথম আলু গ্রুপের চির শত্রু বসুন্ধরার তিন মিডিয়ার সাথে পাল্লা দিয়ে তারা সরকারের চামচামীতে প্রথম পুরস্কারটি প্রায় ঘরে তুলে ফেলেচিলো।
বিম্পির অনেক নেতা কর্মীই দাবি করেন, প্রথম আলুতে যখন , নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির এক নেতা বলেন , টাইপের কোনো বাক্য থাকবে অবধারিতভাবে সেই নিউজ মিথ্যা ও বানোয়াট হয়। এরা নিজেরা নাকি বানায়। হতেও পারে। তবে আগামীদে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসলে চামচামীর পাল্লা দেয়া মিডিয়াগুলোর কি অবস্থা হবে সেটা ভেবে দেখার বিষয়।
কিন্তু যাদের জন্য এই একপেশে নীতি, তারাই তো আবার বেঁকে বসেছেন দেখলাম।
একটু আগে প্রধানমন্ত্রী প্রথম আলুর ভূমিকার বিস্তর সমালোচনা করেছেন।
২০০৭ ও ০৮ এ প্রথম আলুর ভুমিকার কথা প্রধানমন্ত্রী মনে করিয়ে দিয়েচেন। সম্ভবত তার পরবর্তী লগি বৈঠার কথাও এবার প্রথম আলুর মনে পড়বে।
নিজেদের ভদ্র ও সুশীল বলে দাবি করা আওয়ামী লীগ তাদের কাজে বাধা পেলে যে কি কি করতে পারে, তা এবার অন্তত মনে পড়া উচিত। প্রথম আলু দেখলাম সুকৌশলে প্রধানমন্ত্রীর করা সমালোচনার নিউজ এড়িয়ে গেছে।
শান্তিকন্যা বলেছেন, প্রথম আলু দেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তাইলে মতি ভাইরে মাহমুদুর ভাইয়ের সাথে একত্রে থাকতে দেয়া হউক। যদি এই প্রধানমন্ত্রী সত্যই বলে থাকেন, আর প্রথম আলু বিভ্রান্তি ছড়ায় , তাহলে অবশ্যই তার শাস্তি হতে হবে।
সেই সাথে যে যে গনমাধ্যমের খবর আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যাবে তাদের সবাইকে সাইজ করার জন্য একখান আইন করা যেতে পারে।
যাই হোক, সেটা ভিন্ন প্রসঙ্গ্। আপাদত প্রথম আলুর কূল ও শ্যাম দুই ই যে গেল সেটাই আসল কথা।
Click This Link
বি দ্রঃ আওয়ামী বন্ধুরা থাকলে একখান কথা জিজ্ঞেস করার ছিলো, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আগামী নির্বাচন তত্বাবধায়কের অধীনে নয়, গনতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচন হবে।
তাহলে এই অধমের প্রশ্ন, বর্তমান সরকার কি অগনতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতায় এসেছে??

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



