বৃহস্পতিবার থেকে গুরুতর অসুস্থ হয়ে আছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইজে) মহাসচিব, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি, শ্ওকত মাহমুদ।
শওকত মাহমুদকে থাইল্যান্ডে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তাকে দেখতে আওয়ামী সাংবাদিকরা খুব একটা যান নি। তার আশেপাশে যারা আছেন, তারা হলেন, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, বন্ধু আনোয়ারুল ইসলাম ভূইয়া , নিউজ টুডে’র সম্পাদক রিয়াজউদ্দিন আহমেদ, বিএফইউজে’র সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী ।
সাধারন জনগণ খুবই খুশি হতেন যদি এই তালিকায় ইকবাল সোবাহান চৌধুরীও থাকতেন। এমনকি কোনো সরকারপন্থী সাংবাদিকই আজ তার পাশে নেই।
একজন সাংবাদিক তার পেশার যায়গায় নিরপেক্ষ হবেন। এটাই জাতি চায়। তবে ব্যক্তিজীবনে, টেলিভিশন টক শো গুলোতে বা পত্রিকার কলামে তার নিরপেক্ষতা খুব একটা জরুরী না। সেসব স্থানে ব্যক্তির চাহিদাই মুখ্য। সুতরাং একজন সাংবাদিক যদি অসুস্থ হন, তবে পেশাগত কারনেই সব সাংবাদিকদের ধরে নিতে হয় যে তার কলিগ অসুস্থ। শওকত মাহমুদ এদেশের খুবই নামকরা একজন সাংবাদিক। তিনি বিএনপি ঘরানার সাপোর্টার। তাই বলে তিনি সাংবাদিক নন এমনটি তো নয়।
তিন দিন আগেও সমকাল সম্পাদক একটি কলামে লিখেছেন, তিনি আওয়ামী লীগের সাপোর্টার। দলীয় পত্রিকাও আছে অনেক। জনকন্ঠ, দিনকাল, সংগ্রাম ইত্যাদি। তারপরেও খেয়াল রাখতে হবে, এরা সকলেই কিন্তু লেখালেখি করেন। সুতরাং সবাই সাংবাদিক এতে কোনো সন্দেহ নেই।
স্বাধীন সংবাদ মাধ্যম হচ্ছে রাষ্ট্রের ভিত্তি। সেখানে সাংবাদিকদের একতা খুবই জরুরী।
যে কোনো কারনেই হোক আমাদের দেশে এখন আর সাংবাদিকদের একতা নেই। কিন্তু তাই বলে একজন সাংবাদিক যদি মৃত্যুশয্যায় পতিত হন, তখনও তাকে বিএনপি আর আওয়ামী লীগের নিরীখে বিবেচনা করতে হবে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



