আল্লাহ্ জাল্লাশানুহু এই পৃথিবীতে একটি নিয়মকে জারি করেছেন । যে বিষয় সম্বন্ধে দাওয়াতের অর্থাৎপ্রচারের মাত্রা যত বেশী তত ঐ বিষয়ের আলোচনা,ধ্যান,বিশ্বাষ,প্রতি মুহুর্তের খেয়াল এমনকি মানুষ নিজের অভ্যাসের মধ্যে অর্থাৎ আমলের মধ্যে আনার চেষ্টায় ব্যস্ত হয়ে যায়।
তাহলে বুঝা যায় দাওয়াত অর্থাৎপ্রচারের উপর প্রসার নির্ভর করে ।
যে চায় তার ঈমান কে বাকি রাখতে ,মজবুত রাখতে, নিজের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে দ্বীনকে আনতে চায় সে যেন দ্বীনের মেহনত করে। অর্থাৎ দ্বীনের প্রত্যেকটি অংশ খুলে খুলে দাওয়াত দেয়।
দ্বীন পাচঁটি বিষয়ের নাম।যথা :
(১) ইমানিয়াত (২)এবাদিয়াত (৩)মোয়াশারাত (৪) মোয়ামেলাত (৫) আখলাকিয়াত ।
(১) ইমানিয়াত : এই দুই চোখ দিয়ে যা কিছু দেখি যা কিছু শুনি যা কিছু চিন্তা করি যা কিছু কল্পনা করি এবং যা কিছু দেখার বাইরে যা কিছু শোনার বাইরে যা কিছু চিন্তা করার বাইরে যা কিছু কল্পনা করারও বাইরে "এক আল্লাহ্ তায়ালা" ব্যতিত সব কিছুই মাখলুখ। মাখলুক কিছুই করিতে পারেনা "আল্লাহ্ তায়ালা" ছাড়া কিন্তু "আল্লাহ্ তায়ালা" সব পারেন মাখলুক ছাড়া। এই কথাগুলোর উপর বিশ্বাষ করার নামই হচ্ছে দ্বীনের এক অংশের উপর ইমান আনা।
ইসলাম ধর্মে আসবাবের সাথে দ্বীলের ইমানের সম্পর্কের নমুনা হচ্ছে যেমন- মুসলমান পানি পান করে কিন্তু সে বিশ্বাষ করে পানির উপর আল্লাহ্ জাল্লাহ্ শানুহু র ইচ্ছা প্রকাশ পেয়েছে। এটা পানির নিজস্ব কোন ক্ষমতা না। এরুপ সব আসবাবের সাথেই দ্বীলের ইমানের / বিশ্বাষের সম্পর্ক এমন হবে। বান্দা আসবাব ব্যবহার করবে কিন্তু এই ব্যবহার আল্লাহ্ তায়ালা র সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধির কারণ হবে।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


