somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পৌর প্রশাসনঃ নগরবাসীর প্রত্যাশা বনাম সরকারের স্হানীয় সরকার বিভাগের ভূমিকা

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বর্তমান মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর যুগোপযোগী করে স্হানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ প্রণয়ন করে। বিগত ৬ অক্টোবর ২০০৯ তারিখে পাশ হওয়া এ পৌরসভা আইনের অধীনে অন্ততঃ ২৩টি নতুন বিধিমালা প্রণয়নের কথা। সবার প্রত্যাশা ছিল, এসব বিধিমালা প্রণয়ন ও কার্যকর করা হলে দেশের পৌর প্রশাসনে গতিশীলতা ফিরে আসবে এবং নগরবাসীর আধুনিক সেবা ও উন্নণের মান বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু একাজে গত সোয়া এক বছরে সরকারের স্হানীয় সরকার বিভাগের তেমন কোন ভূমিকা লক্ষ্য করা যায়নি। ফলে জনগণের অভিব্যক্তির প্রতিফলন স্বরূপ জাতীয় সংসদে প্রণীত এ নতুন আইনের সুফল নগরবাসীর কাছে আজো পৌঁছতে পারেনি।
বিগত ৩১ মে ২০১০ তারিখে হোটেল রেডিসনে মিউনিসিপ্যাল এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ম্যাব) আয়োজিত এক সেমিনারে আমন্ত্রিত অতিথিগণ অনুষ্ঠানে উপস্হিত মহামান্য রাষ্ট্রপতির সামনে পৌর অইনের অধীনে প্রণীতব্য বিধি সমূহের কাজ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পন্ন করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবী জানান। উক্ত অনুষ্ঠানে স্হানীয় সরকার, পল্লী-উন্নয়ণ ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্হায়ী কমিটির সভাপতি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশের স্হানীয় সরকার ব্যবস্হার অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করে বহু পরীক্ষা নিরীক্ষা করে আমরা বিগত অক্টোবর মাসে সার্বভৌম সংসদে স্হানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ প্রণয়ন করে দিই। কিন্তু এতদিন পরও স্হানীয় সরকার বিভাগ বিধিমালাগুলো তৈরী করতে পারেনি। জনগণ আধুনিক ও যুগোপযোগী করে প্রণীত এ আইনের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তারপর তিনি ক্ষোভের সাথেই বলেন যে, তারা (স্হানীয় সরকার বিভাগ) যদি না পারেন তা হলে আমাকে দিন, আমি সংসদীয় কমিটির সদস্যদের নিয়ে বিনা পয়সায় এক মাসের মধ্যে বিধিগুলো তৈরী করে দিব। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সংস্হাপন বিষয়ক উপদেষ্টা জনাব এইচ টি ইমামও উপস্হিত ছিলেন। পরবর্তীতে হোটেল শেরাটনে ম্যাবের অপর এক সেমিনারেও প্রখ্যাত স্হানীয় সরকার বিশেষজ্ঞগণ ও আমন্ত্রিত অতিথিগণের পক্ষ হতে উক্ত বিধি প্রণয়নে বিলম্বের কারন সম্পর্কে সরকারের কাছে প্রশ্ন উত্থাপন করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সরকার দলের মহাসচিব খোদ স্হানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এ প্রশ্নের জবাবে তার বক্তব্যে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করেন, বিধি প্রণয়নের কাজ আমলাতান্ত্রিক ফাঁদে আটকে আছে। খোদ মন্ত্রীই যদি এরূপ উক্তি করেন তাহলে জনগণের এত বিশাল ম্যান্ডেটে ক্ষমতাসীন সরকারী দলের নির্বাচনী ইশতেহারে দেয়া স্হানীয় সরকারকে শক্তিশালী করণের ওয়াদার কী হবে? এ কোন আমলাতন্ত্র যাদের কারণে সার্বভৌম জনগণের ম্যান্ডেট ফাঁদে আটকা পড়ে অধঃগতি ও অকল্যান চেপে বসে? জনগণের পয়সায় লালিত হয়ে তারা কী করে জনস্বার্থ বাঁধাগ্রস্ত করতে পারেন? এসব প্রশ্নের দায় সরকারকেই বহন করতে হবে।
এদিকে দীর্ঘদিন ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ দেশের পৌরসভা সমূহের নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রাক্কালে এসে স্হানীয় সরকার বিভাগ তরিঘড়ি বিদায়ী মেয়র কাউন্সিলরগণের সম্মানী ভাতা পূণনির্ধারনের কাজে ব্যস্ত হয়ে উঠে। পৌরসভার কার্যবিধি, কর্মী ব্যবস্হাপনা, পৌর পুলিশ, আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি সেবা, রাজস্ব ও উন্নয়ণ ব্যবস্হাপনা ইত্যাদি সংক্রান্ত অত্যাবশ্যকীয় বিধি সমূহ প্রণয়নে বিরত থেকে উক্ত সম্মানী ভাতা বৃদ্ধির জন্য বিধিমালা প্রস্তুত অগ্রাধিকার পায়। এ দেশে জনস্বার্থের চেয়ে ব্যক্তি স্বার্থকে বড় করে দেখা এবং ব্যক্তি স্বার্থ অগ্রাধিকার পাওয়ার ঘটণা বিড়ল নয়। তবে তা অভিশপ্ত হয়ে পড়ে তখনি যখন স্বাভাবিক রীতি-নীতি ও সর্ব লজ্জার সীমা অতিক্রম করে সীমালংঘণের পর্যায়ে পড়ে যায়। শ্রুতি রয়েছে, সরকার দলীয় কয়েকজন প্রভাবশালী পৌর মেয়র মন্ত্রণালয়ের উৎসাহী কর্মকর্তাদের সহায়তায় রাজনৈতিক সুবিধা কাজে লাগিয়ে সরকারী উন্নয়ণ সহায়তা মঞ্জুরী বাজেটের গত অর্থ বছরের পৌরসভা অংশের বরাদ্দ হতে মেয়র ও কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের নামে দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা থোক বরাদ্দ কেটে নেন। তা দিয়ে ঐসব সৌভাগ্যবান মেয়র ও স্হানীয় সরকার বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ সারা বছরই ব্যস্ত থাকেন বিদেশ ভ্রমন নিয়ে। কর্মকর্তাদের এ বিদেশ ভ্রমন আদৌ মন্ত্রণালয়ের কোন কাজে আসবে কি? মোটেও নয়। নগর উন্নয়ণের অর্থ কেটে নিয়ে তা দিয়ে বিদেশ ভ্রমন নৈতিকতা বহির্ভূত। দেখা গেছে, দপ্তরের কাজ ফেলে রেখে অনেক কর্মকর্তার বেশিরভাগ সময় কেটেছে বিদেশ ভ্রমন এবং একাজের কাগজপত্র তৈরী, ভিসা ও টিকিট সংগ্রহে। দপ্তরের কাজকর্মে চলে অসহনীয় স্হবিরতা। এভাবে কিছুদিন পরই হয়তো দেখা যাবে পদোন্নতি নিয়ে অথবা বদলী হয়ে তারা চলে যাবেন অন্য দপ্তরে। পত্রিকান্তরে এমন খবরও এসেছে (বাংলাদেশ প্রতিদিন, ৭ জানুয়ারী), স্হানীয় সরকার বিভাগের একজন প্রভাবশালী যুগ্ম-সচিব (‘ম’ অদ্যাক্ষরে নাম) এগার মাসের চাকুরীকালে দশ বার বিদেশ ভ্রমন করে আসেন। এক্ষেত্রে তারা লাগামহীন, এমনকি সরকারের নিয়ম-রীতির তোয়াক্কা করতেও রাজী নন। কাজেই মন্ত্রণালয়ের আসল কাজ নীতি নির্ধারণ ও বিধি বিধান প্রণয়নের কাজে তারা মনযোগী হতে পারছেন না। আর এসমস্ত বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীর নিরব ভূমিকায় মোটেও সন্তুষ্ট নন দেশের সচেতন নগরবাসী। এ সরকারের কাছে তাদের প্রত্যাশা অনেক।
এবার দেখা যাক, রাজনৈতিক আশীর্বাদপুষ্ট স্হানীয় সরকার বিভাগের ঐসব কর্মকর্তাগণ জনস্বার্থের পরিবর্তে মেয়াদোত্তীর্ণ বিদায়ী পৌর মেয়র কাউন্সিলরদের কল্যাণের জন্য কতটুকু প্রজ্ঞার পরিচয় রাখতে পারলেন। গত ৭ অক্টোবর ২০১০ তারিখে সরকারের স্হানীয় সরকার বিভাগ পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলরগণের বিশেষ সুবিধা, কর্তব্য ও দায়িত্বভার (মেয়র ও কাউন্সিলরগণের সম্মানী) বিধিমালা, ২০১০ প্রণয়ন করে। বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় ১০ অক্টোবর তা প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশিত হয়। ২০ অক্টোবর স্হানীয় সরকার বিভাগের পৌর-১ শাখা হতে ৯০০ নং স্মারকে এ বিধিমালার কপি প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহণের জন্য সারা দেশের পৌরসভাগুলোতে প্রেরণ করা হয়। উক্ত বিধিমালার ৮ নং বিধিটি যুক্ত হয়েছে ‘বিশেষ বিধান’ শিরোনামে। তা হলো-“মেয়র ও কাউন্সিলর নির্বাচন পরবর্তী দায়িত্বভার গ্রহণের তারিখ হইতে পৌরসভার রাজস্ব তহবিলে অর্থ থাকা সাপেক্ষে, এই বধিমালা কার্যকর হইবার তারিখ পর্যন্ত বিধি ৬ এ নির্ধারিত হারে সম্মানী ভাতা বকেয়া হিসাবে উত্তোলণ করিতে পারিবেন।“ উল্লেখিত ৬ নং বিধিতে পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলরগণের সম্মানী ভাতা বৃদ্ধি করে পূণনির্ধারণ করা হয়। নতুন এ হারে বিশেষ/ক শ্রেণী, খ শ্রেণী ও গ শ্রেণীর পৌরসভার মেয়রগণ যথাক্রমে মাসিক ২০০০০, ১৫০০০ ও ১২০০০ টাকা করে সম্মানী ভাতা পান। কাউন্সিলরগণ পান যথাক্রমে ৫০০০, ৪০০০ ও ৩০০০ টাকা করে। নবনির্ধারিত সম্মানী প্রাপ্তির এ হারে কাউন্সিলরগণ ক্ষোভ প্রকাশ করলেও উক্ত বিশেষ বিধানের সুবাদে পরিষদের মেয়াদ শেষে বিশাল অঙ্কের বকেয়া প্রাপ্তির যোগ তাদের সবাইকে সন্তুষ্ট রেখেছে। এক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, জানুয়ারী ২০১১ মাসে যেসব পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হল অথবা সঙ্গত কারণে যেগুলোতে নির্বাচন হচ্ছেনা উহাদের অধিকাংশের মেয়াদ প্রায় আট বছর গড়িয়েছে। কোন কোনটি আরো অধিক মেয়াদ পাড় করেছে। পৌরসভা (চেয়ারম্যান ও কমিশনারগণের সম্মানী পরিশোধ) বিধিমালা, ১৯৮৫ অনুযায়ী বিশেষ/ক শ্রেণী, খ শ্রেণী ও গ শ্রেণীর পৌরসভার মেয়রগণ যথাক্রমে মাসিক ৩০০০, ২৪০০ ও ১৮০০ টাকা করে সম্মানী ভাতা পেতেন। কাউন্সিলরগণ পেতেন যথাক্রমে ১২০০, ৯৭৫ ও ৭৫০ টাকা করে। এ হিসেবে অক্টোবর ২০০৯ মাসে জারীকৃত নতুন বিধিমালার বিশেষ বিধান অনুযায়ী দেশের পৌরসভা সমূহের বিদায়ী পরিষদ সদস্যগণ যে পরিমান বকেয়া সম্মানীর অর্থ উত্তোলন করেছেন বা বকেয়া বিল প্রাপ্য হয়েছেন উহার পরিমান প্রায় ৮০ কোটি টাকা। নগরবাসী বঞ্চিত হন সমপরিমান অর্থের বিনিময়ে প্রাপ্তব্য সেবা ও উন্নয়ণ থেকে।
নগরবাসীর কপাল কেটে উক্ত বিপুল পরিমান অর্থ ঠিক পৌরসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে কাদের হাতে তুলে দেয়া হল তা একটু ফিরে দেখা প্রয়োজন। এ অর্থের প্রভাব এবারের পৌরসভা নির্বাচনে কীভাবে পড়লো তাও ভেবে দেখা দরকার। বিগত ২০০৪ সালের নির্বাচনে উঠে আসা অধিকাংশ পৌর মেয়র ও কাউন্সিলরগণ ছিলেন বিএনপি মনোনীত। তাই এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, এবারের ২০১১ সালের পৌর নির্বাচনের ঠিক পূর্বক্ষণে ঐসব মেয়র কাউন্সিলরদের হাতে তুলে দেয়া বিপুল পরিমাণ বকেয়া সম্মানীর অর্থ তাদের দলের অনুকূলে নির্বাচনের মাঠ ভালভাবেই উর্বর করতে সক্ষম হয়েছে। সচেতন মহল মনে করেন, এবারের পৌর নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের বিশাল জয়ের পেছনে মাঠে ছড়ানো উক্ত অর্থের প্রভাব একটা বড় ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করেছে। প্রশ্ন হলো স্হানীয় সরকার বিভাগ কোন বিবেচনায় এবং কাদের স্বার্থে ঠিক এ সময়ে এসে মহেন্দ্রযোগটি সৃষ্টি করে দিল? অথচ দেশের প্রায় পঁয়তাল্লিশ ভাগ পৌরসভা নিয়মিত কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতনভাতা দিতে পারে না। তড়িঘড়ি বকেয়া সম্মানীর অর্থ তুলে নেয়াকে কেন্দ্র করে অনেক পৌরসভায় পরিষদ সদস্যদের হাতে পৌর কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত হতে হয়েছে।
জনপ্রতিনিধিগণের এরূপ দীর্ঘ সময়ের ভূতাপেক্ষ কার্যকরিতা সহ সম্মানী আহরণের সুযোগ প্রাপ্তির নজীর ইতোপূর্বে আর কখনো দেখা যায়নি। যাহোক এ অর্থ পরিশোধ করার ফলে পৌরসভার রাজস্ব তহবিলে যে নেতিবাচক চাপ সৃষ্টি হয়েছে তা অধিকাংশ পৌরসভা সামাল দিতে ব্যর্থ হবে। নব নির্বাচিত পৌর পরিষদের কাছে এর ধকল নানা জটিলতা নিয়ে সামনে এসে দাঁড়াবে। এক্ষেত্রে সরকারের উচিত হবে বিশেষ ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরী প্রদানের মাধ্যমে পৌরসভার রাজস্ব তহবিলে সম পরিমান অর্থ সহায়তা প্রদান করা। আর যত দ্রুত সম্ভব পৌরসভা আইনের অধীনে প্রণীতব্য সবগুলো বিধি প্রণয়ন ও কার্যকর করা। এ ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীগণ সজাগ হবেন এবং প্রয়োজনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হস্তক্ষেপ করবেন-এটাই আপামর নগরবাসীর প্রত্যাশা।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশ কি অন্যের যুদ্ধ লড়বে, নাকি নিজের দেশকে আগে রক্ষা করবে?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:২৯

বাংলাদেশ কি অন্যের যুদ্ধ লড়বে, নাকি নিজের দেশকে আগে রক্ষা করবে?
============================================
সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে যে নতুন যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি হয়েছে, সেখানে বাংলাদেশকে যুক্ত করার আলোচনা চলছে। বাংলাদেশের পক্ষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

দৃশ্যমানতা এখন একধরনের পুঁজি

লিখেছেন মুনতাসির, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:০০

মানুষ শুধু অর্থ উপার্জনের জন্য কনটেন্ট নির্মাতা হতে চাইছে না। দৃশ্যমানতা নিজেই এখন একটি মূল্যবান সামাজিক সম্পদে পরিণত হয়েছে।

অনুসারীর সংখ্যা একজন মানুষকে পরিচিতি, আমন্ত্রণ, প্রভাব, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কাছে প্রবেশাধিকার, বাণিজ্যিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

।। রাশিয়ার মতো বাংলাদেশে হামলা করুক ভারত।।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:১২


আমি আজ পর্যন্ত আম্লিগে কোন ভালোমানুষ খুঁজে পাইনি। আম্লিগ মানেই ইয়ের বাচ্চা। আম্লিগ মননে মগজে ধর্ষক, লুন্ঠনকারী, দেশদ্রোহী ও পাচারকারী। এদের মাঝে কোন কালেই কোন ভালোমানুষ ছিলোনা বর্তমানেও নেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইয়ামানাকা ফ্যাক্টরস

লিখেছেন কলাবাগান১, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৫৭


ছবিতে যাকে দেখছেন উনার নাম প্রফেসর ইমানাকা। উনাকে সারা বিশ্ব মনে রাখবে উনার যুগান্তরী আবিস্কার এর জন্য। তার আবিস্কার যেভাবে সবার জীবনকে বদলে দিবে এবং দিচ্ছে সেটা জানানোর জন্যই... ...বাকিটুকু পড়ুন

Movie-Obsession(2026)

লিখেছেন ডি এইচ তুহিন, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বিশিদবার রাতে খুব বাজে আর একটা ছিনেমা দেখলাম। ভাই-রে ভাই কি বলবো, ঐ রাতে আর ঘুমাতে পারি নাই। মানে দেখার পর থেকে এখনো গা শিরশির করছে। চোখ বন্ধ করলেও চোখের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×