সদকা বিষয়ক হাদিসঃ
হজরত আনাস (রদিঃ) হতে বর্ণিত হজরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, সদকা-খয়রাত আল্লাহ তায়ালার রাগকে প্রশমিত করে এবং অপমৃত্যুকে রোধ করে। (তিরমিজি)
সদকা করার দ্বারা সম্পদ কমে না (বরং বৃদ্ধি পায়) আর মানুষের অপরাধ ক্ষমা করার দ্বারা মর্যাদা বৃদ্ধি
পায়। তিনি আরও বলেছেন, যে কোন ব্যাক্তির মৃত্যুর সময় তার মধ্যে যদি তিনটি বিষয় না পাওয়া যায়-
সে জান্নাতে যাবে। ১) অহংকার ২) খেয়ানত ৩) কর্জ বা ঋণ
"দোজখের আগুন থেকে বাঁচো, তা এক টুকরো খেজুর সদকার মাধ্যমে হলেও"। (বুখারি ও মুসলিম)
হজরত আলি (রদিঃ) থেকে বর্ণিত, রসুল্লুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন সদকাকে ত্বরান্বিত করো, কারন, একে ডিঙ্গিয়ে বিপদ আসবে না। (রাযিন)
হজরত হাসান (রদিঃ) থেকে মুরসাল রুপে বর্ণিত, যাকাত আদায়ের মাধ্যমে তোমরা তোমাদের অর্থসম্পদের সংরক্ষণ করো, সদকার মাধ্যমে নিজেদের রোগের প্রতিকার কর(অর্থাৎ,সদকা দান কর যাতে রোগ-বালাই প্রতিহিত হয়ে যায়) এবং বিনয় ও রোনাযারির মাধ্যমে বিপদ-বালাইর তরঙ্গকে স্বাগত জানাও(অর্থাৎ, বিপদ-বালাই উপস্থিত হলে দোআ প্রা্থনা এবং আল্লাহর সামনে রোনাযারির মাধ্যমে বিপদের মোকাবেলায় দাড়িয়ে পড়। তাহলে তা পালিয়ে যাবে)(আবু দাউদ)
মাওলানা আশেক এলাহি (রহঃ) এর বিপদ আপদের কারন ও তার প্রতিকার থেকে হুবুহু নকল করলাম। ওই বইতে হাদিস গুলোর বিশদ ব্যাখ্যা রয়েছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

