দুই-তিন খাবলা ময়দা একটা বাটিতে নিয়ে তেল, লবন, পানি দিয়ে ময়ান দিয়ে রাখুন। এর পর গরু-খাসী-মুরগী যার কলিজাই পাবেন সেটা নিয়ে কুচি করে কাটবেন। তার মাঝে বড়সড় একটা আলু ছোট্ট কিউব করে কেটে দিবেন, একটু মটরসুটি নেবেন। এর পর কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজ-মরিচ-হলুদ-লবন-আদারসুন বাটা দিয়ে সব কলিজা-মলিজা(আলু মটরসুটি হলো মলিজা) ভুনা করে নেবেন।
এবার ময়ান করা ময়দা থেকে এই পরিমান
এবার সেটাকে বেলে মোটামুটি পাতলা করবেন। অনেকটা এরকম হবে
তার পর রুটিটার উপর ভুনা করা পুর থেকে একটু নিয়ে মাঝখানে দেবেন, এভাবে
এর পর রুটিটা প্রথম ভাজ হবে এরকম
পরের পাশটাও একইভাবে ভাজ দিতে হবে।
তার পর লম্বালম্বি এরকম করে ভাজ দিবেন
এর পর শেষ ভাজটা দিয়ে মাঝ বরাবর একটা লবংগ গেঁথে দিবেন এভাবে
মোটকথা রুটিটার মাঝে পুরটা রেখে রুটিটা পরটার মতন চার ভাজ দিতে হবে।
তার পর কয়েকটা বানিয়ে জমা করবেন
এর পঅঅর...ডুবো তেলে ভাজবেন
তআআর পঅঅঅর....এভাবে প্লেটে তুলতে হবে (মাঝে একটা সিংগারাও দেখআ যাচ্ছে
আরে আরে যাচ্ছেন কোথায়? কাজ শেষ হয়নি ত, এবার মজা না লাগলেও আহ..ফুহহ...ইয়ামম...উমমম... করতে করতে মজা করে খাবেন, কারন কষ্ট করে বানিয়েছেন না?
টিপস্: লবংগটা গাঁথার সময় সোজা না গেঁথে একটু ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে গাঁথবেন, তবে সুন্দর করে গেঁথে যাবে, নয়ত উঠে আসার সম্ভাবনা থাকে।
সতর্কতা: খাওয়ার আগে লবঙ্গটা টান দিয়ে পারেন আর যেভাবে পারেন বের করে ফেলে দিবেন, নয়ত দাঁতের নিচে পরে স্বাদ বিস্বাদ হয়ে গেলে রেসিপিদাতাকে কোন ভাবেই দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না।
শেষ হইয়াও হয়না শেষ: আমি এটা ফেসবুকের খাদ্য রসিক গ্রুপে দেখেছিলাম, সেখানে জিনিসটা বানানো হয়েছিলো ভেতরের পুরটা নারকেল-গুড় দিয়ে জ্বালিয়ে। কিন্তু আমি মিষ্টি না করে ঝাল করেছি। আপনাদের যার যেটা ইচ্ছে করবেন। এ নিয়ে ঝগড়াঝাটি করবেন না, আমাকেও আর জ্বালাতন করতে আসবেন না।
উফফ...হাফায় গেসি...ভাপা পিঠা খাইয়া বসছিলাম ব্লগ লিখতে!
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



