somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পৃথিবীর অন্যতম সৌন্দর্য স্থাপত্য কুয়েত টাওয়ার, ছবিসহ বিস্তারিত দেখুন আর জানুন।

০৭ ই জুন, ২০১৩ রাত ৮:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পৃথিবীর অন্যতম সৌন্দর্য ও আধুনিক স্থাপত্য কারুকাজ এই কুয়েত টাওয়ার, অসাধারণ মনোরম এক সৌন্দর্যের প্রতীক এই কুয়েত টাওযার, প্রতিদিন বিকালে প্রচুর পর্যটক ভীর জমায় এই কুয়েত টাওয়ারের এলাকায়, এটি পারস্য উপসাগরের একেবারে তীর ঘেঁষে কুয়েত সিটি অঞ্চলের শার্ক নামক স্থানে অবস্থিত, এই কুয়েত টাওয়ারটি তিনটি আলাদা টাওয়ারের সন্নিবেশ ও সম্ন্বয় গঠিত,



১) ১ম ও মুল টাওয়ারটির উচ্চতা ১৮৭ মিটার, এই মুল টাওয়াটির উপর দুইটি বল আকৃতি গোলক স্থাপন করা হযেছে। এটি সর্বোচ্চ লম্বা আর উচু।

২) ২য় টাওয়াটি প্রথম টাওয়ারটির টিক পার্শ্বে অবস্থিত, এটির উচ্চতা ১৪৭ মিটার, এই ২য় টাওয়ারটি উপরেও বল আকৃতি একটি গোলক স্থাপন করা হয়েছে।

৩) ৩য় টাওয়াটি, ১ম ও ২য় টাওয়ারের পার্শ্বে অবস্থিত, এটি সরু ও লম্বা, এটি নিচের দিকে মোটা ও উপরের দিকে সুচের মত সুচালো ও চিকন।



এই কুয়েত টাওয়ারটির নিমার্ণ কাজ ১৯৭১ সালে শুরু হয়, এবং ১৯৭৬ সালে নির্মাণ কাজ শেষ হয়, ১৯৭৭ সালের ২৬ শে ফেব্র“য়ারী কুয়েত স্বাধীনতা দিবসের দিন এই কুয়েত টাওয়ারটি আনুষ্টানিক ভাবে উদ্ধোধন করা হয়, এটি নির্মাণে সেই সময় মোট ব্যায় হয় ৪৭০০০০০ কুয়েতি দিনার বা ১৬৪৫০০০০ ইউ,এস ডলার, যা বর্তমানে বাংলাদেশী টাকায় হিসাব করলে দাড়ায় প্রায একশত পচিশ কোটি টাকার উপর,



প্রথম ও মুল টাওয়াটি উপরে যে দুটি বল আকৃতির গোলক রযেছে, তার মধ্যে বড় গোলকটির ভিতরে পর্যটকের প্রবেশের জন্য লিপ্ট ব্যাবস্থা আছে, ঐ গোলকের ভিতরে একটি রেষ্টুরেন্ট ও অভ্যর্থনা হল রয়েছে, ঐ গোরকের ভিতরে এক সাথে ৯০ জন মানুষ এক সাথে অবস্থান করতে পারেন, ঐ গোলকটির মানুষের অবস্থানটি একটি ঢালার ন্যায় সারাক্ষণ ঘুর্ন অবস্থায় থাকে, প্রতি ৩০ টিনিটে ঐ গোলক ঢালাটি একবার ঘুর্ণপাক খায়,


( কুয়েত টাওয়ার নির্মাণ কালীন একটি ছবি)


২য় মিনার বা টওয়াটি প্রথম টাওয়ারের বিদ্যুত ও লাইটিং কন্ট্রোল হিসাবে ব্যাবহার করা হয়, ২য় টাওয়াটি হতে প্রথম টাওয়ারের দিকে আলোক রশ্মি বিচ্ছুরণ করা হয়, এক এক সময় এক এক রংয়ের টাইটিং রশ্মি বিচ্ছুর করা হয় প্রথম টাওয়ারের গায়ের দিকে, তায় রাতের বেলায় এক এক সময় এক এক ভিন্ন রং ধারণ করে এই কুয়েত টাওয়াটি,



৩য় টাওয়াটি বিদ্যুত কন্ট্রোল টাওয়ার হিসাবে ব্যাবহার করা হয়, ইউপিএস, জেনারেটর, পানির পাম্প,সহ যাবতীয় ইকুইপমেন্ট যন্ত্রপাতি ইথ্যাদি ষ্টোরেজ হিসাবে ব্যাবহার করা হয়, ২য় ও ৩য় টাওয়ারের ভিতরে মানুষের প্রবেশ সুবধা নেই।


এই কুয়েত টাওয়াটি ১৯৯১ সালে ইরাক আক্রমণের শিকার হয়, ১৯৯১ সালের যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্থ টাওয়াটি গত ২০১২ সালে পুর্ণ নির্মাণ ও মেরামতের কাজ সম্পর্ণ হয়,এই কুয়েত টাওয়াটি নাকশা ডিজাইন করেন সুইডিশ আর্কিটেকচার, তার নাম - (মালিনী বেজরণ) এই টাওয়াটির নির্মাণ কাজ , নির্মাণ কৌশল ও যাবতীয় ইঞ্জিনিয়ারিং কাজের দায়িত্বে ছিলেন একটি সুইডিশ নির্মান কোম্মানি। এই টাওয়ারের ডিজাইন নকশা পচন্দ করেন কুয়েতের তৎকালীন কুয়েত কিং-৩ (জাবের আল আহম্মদ আল জাবের আল সাবাহ)


সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুন, ২০১৩ বিকাল ৫:০৪
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নূর হোসেন বা ডা. মিলনের যে দেশপ্রেম ও কৃতিত্ব, তার শতভাগের এক ভাগও কি হাদীর আছে?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৩৭

নূর হোসেন বা ডা. মিলনের যে দেশপ্রেম ও কৃতিত্ব, তার শতভাগের এক ভাগও কি হাদীর আছে?
নূর হোসেন ও ডা. মিলনের দেশপ্রেম, আত্মত্যাগ এবং গণতন্ত্রের জন্য তাঁদের অবদান ইতিহাসে অমলিন হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

পুলিশ বনাম জনগণ

লিখেছেন জীয়ন আমাঞ্জা, ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৫৪

১.
বাংলা সিনেমা দিয়েই শুরু করি, নিরপরাধ ধরা প্রসঙ্গে সিনেমাতেই প্রথম অজুহাত হিসেবে বলা হয়, আগাছা নিরানোর সময় দুয়েকটা ভালো চারা তো কাটা পড়বেই! এই যে তার নমুনা! দশজন পতিতার সঙ্গে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কমলাপুর টু নারায়ণগঞ্জ - ৩ : (ছবি ব্লগ)

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:০৭




সময়টা ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসের ৬ তারিখ।
উত্তর বাড্ডা থেকে রওনা হয়ে সকাল ১১টার দিকে পৌছাই কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন। উদ্দেশ্য রেললাইন ধরে হেঁটে হেঁটে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত যাবো

হাঁটা শুরু হবে কমলাপুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ এবং মোরাল পুলিশিং বন্ধ করতে হবে

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:০৬



১.
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এক ছেলে পুলিশের সাথে তর্কের জেরে পুলিশ তাকে পিটাইছে দেখলাম।

ছেলেটা যে আর্গুমেন্ট পুলিশের সাথে করছিলো তা খুবই ভ্যালিড। পুলিশই অন্যায়ভাবে তাকে নৈতিকতা শেখাইতে চাচ্ছিলো। অথচ পুলিশের কাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

এমপি সাহেবের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম!

লিখেছেন অপু তানভীর, ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৩১


অনেক দিন আগে হুমায়ূন আহমেদের একটা নাটক দেখেছিলাম। সেখানে কোন এক গ্রামে একজন এমপি সাহেব যাবেন। এই জন্য সেখানে হুলস্থুল কান্ডকারখানা শুরু হয়ে যায়। নাটকে কতকিছুই না ঘটে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×