পতিতাপল্লী ভাঙ্গার ব্যাপারে সরকারের উদ্যোগ খুব ফলদায়ক ।
বাঙ্গলাদেশের বড় বড় পতিতাপল্লীগুলো বুলডোজারের কাছে হার মেনেছে , হার মানতে বাধ্য হয়েছে ।
পতিতাদের কোন রকম পুনর্বাসন করাও হয়নি , তারা যেন মানুষ না...
নারী ও শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করা কিছু সঙ্গগঠন কে দেখা যায় পতিতাপল্লী উচ্ছেদ হওয়ার সাথে সাথে পতিতাদের হাতে একটি ব্যানার ধরিয়ে দেয়।
ব্যানারে লেখা থাকে , " আমার শরীর আমার সিদ্ধান্ত " ।
কথা হচ্ছে , সঙ্গগঠন গুলোর কাজ কি এটা ?
তাদের কাজ হচ্ছে কোন মেয়ে যেন এই পেশায় আসতে বাধ্য না হয় সেই চেস্টা করা এবং যারা চলে এসেছে , তাদের পূনর্বাসন করার চেস্টা করা ।
এগুলো না করে , আমার শরীর আমার সিদ্ধান্ত লেখা ব্যানার একটা ফালতু রসিকতা । পতিতাদের শরীর মুলত তার খদ্দেরদের কথায় চলে , শরীরে অত্যাচার চলে ।
পতিতালয় সমাজের খুব গুরত্তপূর্ন একটি অংশ । মানব সভ্যতার ইতিহাস ও প্রজনন বিজ্ঞানের উপর যাদের ধারনা আছে , তারা এর গুরত্ত বুঝবেন নিশ্চই ।
পতিতারা বহুগামিত্তের চাহিদা মেটায় , অবিবাহিতদের শারীরিক উন্মাদনা কমায় , চাহিদাজনিত ধর্ষন নিয়ন্ত্রন করে । আরবের দিকে তাকালে দেখা যায় সেখানে পতিতাপল্লী নিষিদ্ধ , সেখানে বহুকাল ধরে ধর্ষন ও বহুবিবাহ জায়েজ ।
এত গুরত্ত যার ,তার দিকে তাকালে দেখা যায় ভিন্য চিত্র ।
গুরত্তপুর্ন এই অংশের মানুষেরা গুরত্তহীন জীবনযাপন করে । সেখানে ১২ বছরের বাচ্চা মেয়ে বিক্রি হচ্ছে , তাদের অপুস্ট দেহ , পুস্ট দেখানোর জন্য খাওয়ানো হচ্ছে গরু মোটাতাজাকরন ট্যাবলেট ।সরকার লাইসেন্স দিচ্ছে না , তাদের সাস্থের খোজ নিচ্ছে না , তারা যেন গরু মোটাতাজাকরন ট্যাবলেট খাও্য়া কুরবানির গরু ।
কোরবানির গরু জবাই হয় একবার , পতিতা গরু জবাই হয় বার বার .....
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে আগস্ট, ২০১৫ সকাল ৭:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




