বিশাল আকৃতির ডেস্কটপ এবং নোটবুক কম্পিউটারের যুগ এবার শেষ। কারণ কনজু্যমাররা এখন আরো হালকা, ছোট এবং সহজে বহনযোগ্য কম্পিউটার চাচ্ছে। কথাগুলো বলেছেন কনজু্যমার ইলেক্ট্রনিক অরগানাইজেশানের কার্ল ইয়ানকোস্কি।
কনজু্যমার ইলেক্ট্রনিক শোর প্রধান বক্তা ছিলেন ইয়ানকোস্কি। শোতে ইয়ানকোস্কি 'পাম পিডিএর নতুন নতুন ব্যবহারগুলো বর্ণনা করেন। ইন্ডাস্ট্রি ওয়াচার এবং এনালিস্টদের উদ্দেশ্যে তিনি তার বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যে তিনি বলেন, 'আমরা যন্ত্রের ক্রীতদাস হবো না বরং যন্ত্র আমাদের সেবায় নিয়োজিত থাকবে। এই দাবি আমরা ইতিমধ্যেই তুলেছি। টেকনোলজির মূল উদ্দেশ্য হলো আমাদের কষ্টসাধ্য কাজগুলো অতিসহজে সম্পন্ন করা। আর এ জন্য প্রয়োজন পারসোনাল ডিজিটাল এসিস্ট্যান্ট 'বা পিডিএ' ফুল সাইজ পিসি এবং নোটবুক কম্পিউটারগুলো এমনভাবে ডিজাইন করা, যা ক্রমবর্ধমান মোবাইল সোসাইটির চাহিদা মেটাতে পারছে না। ছোটখাটো পামটপ কম্পিউটার এই সমস্যার সমাধান করতে পারে। কারণ এগুলো ছোট কিন' কাজের। ইয়ানকোস্কির মতে, পামটপ কম্পিউটারের মতো ছোটখাটো ডিজাইনগুলো মানুষের জীবনকে আরো সহজ করছে। এসব ডিভাইস ইতিমধ্যেই কনজু্যমার সেলস প্রাধান্য বিসত্দার শুরু করেছে। 'গত সপ্তাহে পিসির বিক্রি রেকর্ড পরিমাণ কমে গেছে। কিন' পিডিএর বিক্রি বেড়েছে আগের সিজনের চেয়ে শতকরা 165 ভাগ' তথ্যগুলো জানিয়েছেন এনপিডির বিশেষজ্ঞরা। পিডিএ বাজারে পামটপ কম্পিউটার একচ্ছত্র আধিপত্য বিসত্দার করেছে। বাজারের শতকরা 75 ভাগই সে নিজের দখলে নিয়ে নিয়েছে। ইয়ানকোস্কি বলেন, পামটপ কম্পিউটার আমাদের জীবনকে আরো সহজ করে তুলেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি পামটপ কম্পিউটারের 'ই-ওয়ালেট'-এর কাজ ব্যাখ্যা করেন। 'ই-ওয়ালেট'-এর সাহায্যে ক্রেডিটকার্ড ব্যবহার না করেই জিনিসপত্র কেনা যায়।
সুত্রঃ ইন্টারনেট
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



