
নারীবাদী লেখক হুমায়ূন আজাদ বাংলার শিক্ষিত নারীদের ভদ্র মহিলা বলে সম্বোধন করেছেন।তাদের শিক্ষাকে নেহায়েৎ অপচয় বলে উল্লেখ করেছেন।কিছুদিন আগে ভারতের এক মন্ত্রী নারীদের নিয়ে কড়া সমালোচনা করে তিনি কড়া তিক্ততার সম্মুখীন হন।আমি আমার বিভিন্ন লেখায় নারীদের নিজেদের বস্তু হিসাবে না ভেবে মানুষ হিসাবে নিজেদের ভাবতে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছি।পবিত্র কোরআনের কোথাও নারীদের নিয়ে আলাদাভাবে কোথাও কোন খারাপ মন্তব্য করে নাই,যা অন্যান্য ধর্ম গ্রন্থে বিশেষভাবে দেখা যায়।বিবি মরিয়মের জম্মের পর যখন সবাই বলাবলি করছিল যে ইমরানের ঘরে শেষ পযর্ন্ত একটা কন্যা শিশুর জম্ম গ্রহণ করেছে,এই বলে নিন্দা করছিল।তখন আল্লাহ সে কন্যা সন্তানের মহিমা ঘোষনা করে বলে আমি জানি ইমরানের ঘরে একটি কন্যা সন্তান জম্মগ্রহণ করেছে,কিন্তু এই কন্যা সন্তান যে হাজার ছেলে সন্তান থেকেও উত্তম।সে কোরআনে আল্লাহ যখন ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি কোন সন্তান গ্রহণ করেননি।তারা নিজেদের জন্য পুত্র সন্তান আর আল্লাহর জন্য মেয়ে সন্তান নির্ধারন করে,যে কিনা অলংকারের মধ্যে বড় হয়।উক্ত আয়াতে মোটামুটি স্পষ্ট আল্লাহ সন্তান গ্রহণ অস্বীকার করার সাথে সাথে মেয়েদের জন্য একটি তির্যক বাক্য ব্যবহার করেন।যদিও ইসলাম মেয়েদের এই স্বাভাবিক মনেবৃত্তিকে স্বীকার করে তাদের গহণা পরার অনুমতি দিয়েছেন।তাও ঘরোয়া সাজ সজ্জার জন্য।গত কালকের একটা গভেষণা প্রতিবেদন দেখলাম।যেভাবে বলা হলঃ
১/একটি মেয়ে তার সারা জীবনে কমপক্ষে একটা বছর নষ্ট করে সে সে কোন পোষাকটি পরবে তা ঠিক করতে।
২/একটা মেয়ে সারাজীবনে ২ থেকে ৩ কিলো. লিপিষ্টিক খায়।
৩/একটা মেয়ে বছরে কমপক্ষে ১২০ ঘন্টা নষ্ট করে আয়না দেখে।
গভেষণাটি দেখে তাই বাস্তবতার সাথে মিলিয়ে দেখলাম।মনে হল,তারা কমিয়ে বলেছেন।
ছবিসূত্রঃ-নেট

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

