ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেলপথ
এক কোটিরও মানুষের বসতি ঢাকা। তাই এই ঢাকায় যানজট তো থাকবেই। এখানকার রাস্টস্নাগুলো খুবই সরু। গাড়ির সংখ্যা অনেক। এত গাড়ির চাপ সইতে পারছে না ঢাকা। এর মধ্যে প্রতিবল্পব্দক হিসেবে রয়েছে রেলপথ। রাজধানী শহরের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া এ রেলপথ স্ট্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের চলাফেলার েেত্র দুর্গতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটা হিসাব দেখুন_ রেলপথে কতজন মানুষ চলে সারাদিন। বড়জোর 50 হাজার। কারণ রেলগাড়ি নির্দিষদ্ব সময় মেনে চলে। রেলগাড়ির সংখ্যাও কম, যা রাজধানীর এক কোটি মানুষের অভ্যনস্নরীণ চলাফেরার কাজে কোনো ভূমিকা রাখে না। অথচ এ পথে যদি সাধারণ যানবাহন চলার সুযোগ থাকে তাহলে রাজধানীর যানজট যেমন কমবে, তেমনি এখানকার মানুষের চলাচলেও সুবিধা হবে অনেক বেশি। কমলাপুর রেলসদ্বেশন বল্পব্দ করে এই সদ্বেশনটিকে টঙ্গী কিংবা গাজীপুর সরিয়ে নিতে হবে। প্রয়োজনে সেখান থেকে রেলওয়ের নিজস্ট্ব বাসে করে রাজধানীতে যাত্রী পরিবহন করার সুযোগ করে দিতে হবে। তাহলে রেলওয়ের আয়ও কমবে না, আবার রাজধানীতে যারা রেলগাড়িতে চড়ে আসতে চান, তাদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হবে না। তাই আমার আবেদন, নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা জেলাকে রেলবিহীন জেলা হিসেবে ঘোষণা করুন। রেললাইনে সাধারণ যানবাহনের রাস্টস্না তৈরি করুন। তাহলে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের দেড় কোটি মানুষের যাতায়াত সমস্যা বহুলাংশে কমে যাবে বলে মনে করি।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



