কুচকুচে কালো রাত। ঘড়ির কাটা দেখা যায় না। বাঁশ ঝাড়ের মাঝখান দিয়ে গেছে যে পথ। সে পথেই এগিয়ে চলেছি। একা একা। যেতে হবে অনেক দূর। কোনো বিকল্প নেই। কারণ আমাকে বাড়ি পেঁৗছাতে হবে যে কোনো উপায়েই হোক।
হঠাৎ গা ছমছম করা ঘটনা ঘটে গেল। বাঁশঝাড়ে যেন ঝড়ের আঘাত। আমি ভয়ে জড়সড়। নিশ্চিত কোনো মামদো ভূতের কারবার।
মনে হতে থাকলো হায়রে বইয়ে গল্প পড়ে যখন হাসতাম তখন খেয়াল করিনি এটা বাস্তবেও ঘটে যেতে পারে।
গায়ে ঘাম ঝরতে শুরু করেছে আমার। পা চলছে না আমার। মনে হচ্ছে মাটিতে মিশে যাবো আমি। সামনের দিকে তাকালাম একবার। কিছুই দেখা যায় না। পেছনে তাকাতে নেই ভূতের ভয় বেশি। ভূতেরা নাকি মানুষকে অনুসরণ করে রাতের বেলা।
ঘামতে থাকি আমি।
বসে পড়ি গাছের গোড়ায়। দোয়া কুনুত পড়তে পড়তে চোখ বন্ধ হয়ে আসে আমার।
অনেক পর কানে বাজে আজানের ধ্বনি। চোখ মেলে দেখি- বাঁশ গাছের মাথায় ঝুলে আছে কয়েকটি বাদুর।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



