প্রকৃতির বিরূপ আচরণকে নিয়ন্পণে রাখতে বনায়নই একমাত্র কার্যকর শক্তি। এর কোনো বিকল্কপ্প আজ পর্যনস্ন পৃথিবীতে আবিষ্ফ্কৃত হয়নি। সুতরাং পরিবেশ রক্ষায় গাছই মানুষের আদি ও অকৃত্রিম বল্পব্দু। শুধু পরিবেশ নয়, আমাদের বেঁচে থাকার জন্যও গাছের বিকল্কপ্প নেই। তা ছোট-বড় সবারই জানা। ইদানীং প্রকৃতির বিরূপ আচরণ পরিবেশবিজ্ঞানীসহ সাধারণ মানুষকেও ভাবিয়ে তুলেছে। ইতিমধ্যে সুনামিসহ বিভিল্পম্ন প্রাকৃতিক বিপর্যয় এ চিনস্নাকে আরও তীব্রতর করেছে। অতীতেও প্রকৃতির স্ট্বভাববিরুদব্দ আচরণ হওয়ায় অনেক নগর, জনপদ পৃথিবী থেকে হারিয়ে গেছে। পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে না পেরে অনেক ক্ষুদ্র প্রাণীসহ বৃহদাকার ডাইনোসরের মতো প্রাণীও পৃথিবী থেকে নিশ্চিহক্র হয়ে গেছে। বারবার বিরূপ আচরণ করে প্রকৃতি প্রমাণ করেছে কোনো প্রকার বৈরী আচরণ সে মেনে নেবে না। সুতরাং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষাসহ নিজেদের বেঁচে থাকার প্রয়োজনে গাছের কোনো বিকল্কপ্প নেই। এমনিতেই আমাদের দেশে রয়েছে প্রয়োজনীয় বনভহৃমির অভাব। তারপর বিশাল জনগোষ্ঠীর চাহিদা মেটাতে গিয়ে পরিবেশবাল্পব্দব বনভহৃমি একেবারে ধ্বংসের পথে। সুতরাং প্রকৃতির বৈরী আচরণ থেকে নিজেদের রক্ষা করতে হলে বর্তমানে বনায়ন জরুরি প্রয়োজন। তাই গাছ লাগান, নিজে বাঁচুন পরিবেশ বাঁচান। আগামী প্রজন্মকে পৃথিবীতে সুন্দরভাবে বাঁচতে সহায়তা করুন।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



