একদিন এক কৃষকের সংগে এক বুড়োর দেখা হলো এক বনের ভিতর। কথাবার্তা শুরু হলো বুড়ো বললো
-"এই বনে একটা অদ্ভুত ছোট্ট গাছের গুড়ি আছে। দরকার মতো এটি মানুষকে সাহায্য করে।"
-"তাই নাকি? কি করে? অসুখ বিসুখ সারায় বুঝি?"
-"না ঠিক তা নয় এটি মানুষের টাকা দ্বিগুন করে দেয়। টাকার থলিটা শেকড়ের ভিতর রেখে একশো পর্যন্ত গুনে যাও, তারপরেই দেখতে পাবে টাকাটা দ্বিগুন হয়ে গেছে।" কৃষক তো উতসাহের চোটে বলে উঠলো "পরীক্ষা করে দেখতে পারি না?"
-"কেন পারবেনা তবে কিছু দক্ষিনা দিতে হবে।"
-"কাকে দিতে হবে? এবং টাকাটা কত?"
-"যে তোমাকে গুড়িটা দেখাবে সে তো আমিই। তবে কত দিতে হবে সেটা আলাদা কথা।"
দুজনে তো দরাদরি শুরু করলো তখন। কৃষকের বেশী টাকা নেই শুনে, বুড়ো যতবার টাকা দ্বিগুন হবে প্রতিবারে এক টাকা বিশ পয়সা করে দিতে রাজী হলো।
দুজনে তখন ঢুক্লো গভীর জংগলে। বুড়ো অনেক খুজে কৃষক কে নিয়ে এলো ঝোপের ভিতর এক শেওলা ধরা ফারাগাছের গুড়ির সামনে। তারপর কৃষকের থলিটা নিয়ে গুজে দিলো গাছের শিকড়ের ভিতর। তারপরে তারা ১০০ পর্যন্ত গুনলো। অনেকক্ষনধরে খুজবার পরে থলিটা নিয়ে বুড়ো কৃষকের হাতে দিলো। কৃষক তো থলি খুলে অবাক। কারন সত্যিই টাকাটা দ্বিগুন হয়ে গেছে। কথামতো বুড়ো কে পাওনা বুঝিয়ে দিয়ে কৃষক আবার থলিটা রাখলো গুড়ির ভেতর। এবং আবার তারা ১০০ পর্যন্ত গুনলো। আবার তারা থলি বের করে দেখলো অদ্ভুত ঘটনা, কথামতো তাই আবার টাকা বুঝিয়ে দিতে হলো বুড়োকে। তৃতীয়বার আবার থলি রাখার পরে সকল ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠিক মতোই ঘটলো কিন্তু বুড়োকে টাকা বুঝিয়ে দিবার পরে কৃষক আশ্চর্যজনক আবিষ্কার করলো তার কাছে আর কোন টাকা নেই, মাথা হেট করে তাই চলে গেলো সে।
রহস্যাটা মনে হয় সবাই বুঝতে পারছেন বুড়ো তো আর থলি বের করতে শুধু শুধু দেরী করে নি। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো কৃষকের কাছে প্রথমে কত টাকা ছিলো????
উত্তর টা র জন্যে অপাক্ষায় থাকুন... ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






