নারী বিহীন পৃথিবীর সৌন্দর্য আর সমাজ জীবনের বিধাতা প্রদত্ত রূপ থেকে যায় অসম্পূর্ণ । হজরত আদম (আ
নারীকে নিয়ে বেগম রোকেয়ার সপ্ন হয়ত এখনো বাকি, তবে বাংলার নারী যে এগিয়েছে তা মানতে হবে। বাংলার নারীরা এখন আকাশে বিমান চালায়, এভারেস্টের চুড়ায় দাড়িয়ে বাংলার পতাকা উড়ায়, সত্যের সন্ধানে জীবন কে বাজি রেখে সাংবাদিকতা করে, প্রাকৃতিক এবং মানব সৃষ্টি দুর্যোগে অসহায়দের পাশে দাড়ায় এবং কি দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অস্ত্র হাতে পুরুষের কাধে কাধ মিলিয়ে চলছে। শুধু এ সবেই নয় নারী বিশ্ব আসরে বাংলাদেশের জন্য বয়ে আনছে সুনাম; কখনো সেটা খেলা-ধুলায়, কখনো শিক্ষায় আবার কখনো নতুন উদ্ভাবনে যা অনেকাংশে পুরুষের চেয়ে বেশি সফল।
সবশেষে প্রশ্ন একটাই, শত সংগ্রামে অর্জিত নারীর সফলতা গুলো কেন পুরুষের কাছে অবহেলিত? কেন সমান সম্মান এবং মজুরি নারীরা পায় না ? কেন আমরা পুরুষরা নারীদের কে আমাদের মত মানুষ হিসাবে ভাবিনা ? কেন নিজের দোষ ত্রুটিকে উপেক্ষা করে, নারীর দোষ কে বড় করে দেখি ? কেন সম্মান এবং ভালবাসার কার্পন্য তা আমাদের অর্ধাঙ্গিনী বা জন্মদাতা জননীদের প্রতি?
আমরা পুরুষরা যেন ভুলে না যাই যে আমরা নারী বিহীন অচল। যেদিন নারীর "না " বলবে সেদিন ঘড়ির কাটা থমকে দাড়াবে। এই জগত হারাবে তার চিরাচরিত ছন্দ। পিপাশাসিক্ত হৃদয় কাদবে ভালবাসার হাহাকারে। তাই নারী "না"বলার আগে, তাদের যথাযথ সম্মান টুকু দিয়ে তাদের কে "রানী" র জায়গায় বসিয়ে রাখি কারণ একজন নারীই হতে পারে "রানী" ।
লেখক : এইচ, কে হীরা

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




