somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রিলিজিয়াস সিম্বলজি : ইসলামের চাঁদ তারা এবং মসজিদের গম্বুজ

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

চাঁদ তারাকে রিলিজিয়াস না বলে, নট সো রিলিজিয়াস বলাই ভালো হবে। কারন ইসলামের সাথে ওতোপ্রোতভাবে সিম্বল হিসেবে চাঁদ তারার যে ব্যবহার তার সাথে ধর্মের যতটা সম্পর্ক তার চেয়ে বেশি সম্পর্ক কালচারের।

একটা কৌতুক আছে এরকম। জানতে চাওয়া হলো, সূর্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ নাকি চাঁদ। উত্তর আসলো, চাঁদ। কারন ব্যাখ্যা করতে চাইতে বলা হলো, দিনের বেলাতো আলো থাকেই, সুতরাং সূর্যের কি দরকার? বরং রাতের অন্ধকারে চাঁদ যা আলো দেয় সেটা অনেক কাজের।

আরবরা মরুভুমির মানুষ। মরুভুমিতে দীর্ঘ পথচলার জন্য রাত খুব উপযোগী। আর মরুভুমির বালিময় ল্যান্ডস্কেপে পথের সন্ধানের জন্য নক্ষত্রের সাহায্য নেওয়া ছাড়া উপায় ছিলো না আরবদের। সুতরাং আরব কালচারে নক্ষত্র বা তারার ভূমিকাটা অনেক জীবন বাঁচানোর মতো ব্যাপার। অন্যদিকে আরবদের ক্যালেন্ডার লুনার বা চাঁদ নির্ভর।

এই দুটো ব্যাপার মিলিয়ে আরবদের কাছে প্রতীক হিসেবে চাঁদ-তারা বেশ জনপ্রিয়। ইসলাম ধীরে ধীরে একটা শক্তিশালী ধর্ম, সভ্যতার প্রতীক হিসেবে উঠে আসার সাথে সাথে চাঁদ তারাও ইসলামের জনপ্রিয় প্রতীকে পরিনত হতে থাকে। যদিও (আউটার ডাইমেনশনে) ধর্মের সাথে প্রতীকটার সম্পর্ক নাই বললেই চলে (ইনার ডাইমেনশনে অন্য ধরনের সম্পর্ক আছে যা পরে আলোকপাত করা হবে)। সুতরাং চাঁদ তারাকে অতি পবিত্র, অলৌকিক প্রতীক মনে করলে সেটা বিভ্রান্তিকর। চাঁদ তারা খচিত কোন কিছু মানেই ইসলামিক এমন কোন সরল সমীকরন নাই।

একইভাবে ইসলামে কালচারাল আরেকটা আইকন হলো মসজিদের গম্বুজ। পৃথিবীর যেকোন মসজিদে গম্বুজ একটা যেন অবশ্যম্ভাবী অংশ। অথচ এটিও কালচার থেকে এসেছে। গম্বুজের মতো স্ট্রাকচার খ্রিস্টান গীর্জাতেও ব্যবহার হয়েছে।

নবী মুহাম্মদ (সালাম) প্রথম যে মসজিদ নিজ হাতে এবং তদারকিতে তৈরী করেন তাতে কোন গম্ভুজ ছিলো না। খুব সাদামাটা, খেজুর পাতার চাল দিয়ে তৈরী, মাটির দেওয়ালের একটা মসজিদ যেখানে বৃষ্টি হলেও মাটিতে কাদা হয়ে যেতো। খুব সম্ভবত গম্বুজের প্রচলনটা শুরু হয় তুর্কিশ স্থাপত্য থেকে (ভেরিভাইড ইনফো না)। ইসলামী স্থাপত্যের মানুষজন ভালো বলতে পারবেন।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৫৪
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চোখ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:১৬

এতদিন উপমা হিসাবে জেনেছি কারোর চোখ থাকে পটল চেরা, কারোর থাকে বাবুই পাখির বাসার মতন।
এই প্রথম দেখলাম গ্রে'স এলিয়ানের চোখ - এত মায়ায় ভরা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সব দুনিয়ার আহার যোগাই, আমরা না পাই খাইতে

লিখেছেন ঢাকার লোক, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:৩৪



সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বাওন হাওরের বর্গাচাষি আলী আকবর। কেমন আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ কৃষিকাজ করি খালি বাঁইচ্যা থাকার লাগি। কোনো লাভ নাই।’ হিসাব কষে বলেন, এখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

লজেঞ্জুষ খাওয়াবে

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪৫


বাতাসের নিঃশ্বাস, পিঠ ঠেকে যাচেছ
শহরের ধূলি বালির নর্দমার কাছে;
কখন চিৎকার করে বলে ওঠবে-
দূষিত নিঃশ্বাস তোমরা সরে যাও
তোমরাই স্বার্থপুরের রাক্ষস রাক্ষসী;
সাবধান বাতাসের কোটি নিঃশ্বাসগুলো
লজেঞ্জুষ হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে-
খুব আদর করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গুম আর গুপ্ত

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:১৫


খোঁজ করলে দেখাি যাবে, কুকুর-বিড়াল পালকদের অনেক কাছের আত্মীয়-পরিজন অনেক কষ্টে জীবন কাটাচ্ছে। তাদের প্রতি কোনও দয়া-মায়া নেই; অথচ পশুদের জন্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

=পাতার ছাতা মাথায় দিয়ে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৯


মনে আছে ছেলেবেলায়
ঝুমঝুমিয়ে বৃষ্টি এলে,
পাতার ছাতা মাথায় দিয়ে
হাঁটতাম পথে এলেবেলে।

অতীত দিনের বৃষ্টির কথা
কার কার দেখি আছে মনে?
শুকনো উঠোন ভিজতো যখন
খেলতে কে বলো - আনমনে?

ঝুপুর ঝাপুর ডুব দিতে কী
পুকুর জলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×