somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার পরিচয়

আমরা একটি উদার ও পরমত সহিষ্ণু সমাজের স্বপ্ন দেখি।

আমার পরিসংখ্যান

নীল চশমা
quote icon
আমি পাঁচ ফুট সাড়ে আট ইঞ্চি লম্বা, মোটামুটি গড়নের একটা ছেলে, গাত্রবর্ণ গৌর। চোখে পয়েন্ট ফাইভের একটা চশমা। চোখ ততটা খারাপও না। ভ্র গুলা জোড়া লাগানো। অনেকে বলে এটা নাকি ভাগ্যবানের লক্ষণ। কিন্তু আমার মোটেও তেমনটা হয় না। আমার মায়ের মতে নিতান্ত আমড়া কাঠের ঢেঁকি টাইপের ছেলে আমি। ভাগ্য চূড়ান্ত পর্যায়ের খারাপ বলতে যেটা বুঝায়, সেটা আমারই। আমার গালভর্তি দাড়ি। দাড়ি গুলা আমার ভালোই লাগে। কাটতে ইচ্ছা করে না। মায়া মায়া লাগে। কয়েকদিন আগে আমার ছোট ভাই আমাকে বনমানুষ পর্যায়ের বলে ঘোষণা দিয়ে দিয়েছে। উপাধিটা বেশ ভালোই লেগেছে আমার। ডানদিকে সিথি করা চুল। চুলের ফ্যাশনের অভ্যাস নাই। প্রচুর হাঁটাহাঁটির অভ্যেস আছে আমার। প্রিয় রং নীল। আকাশের মত নীল। প্রিয় ফুল কদম। নীল কদম দেখার অপেক্ষায় আছি। বর্ষাকাল প্রিয় ঋতু। গান বলতে গেলে, অর্ণবের গলায় রবীন্দ্র সঙ্গীত অমৃতের সুর মনে হয়। লেখালেখির অভ্যাসটা আগে থেকে আছে। ইদানীং একটু বেড়ে গেছে। প্রচুর বই পড়া হয়। প্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদ, আর্নেস্ট হেমিংওয়ে, সত্যজিত রায়, সমরেশ মজুমদার, মার্ক টোয়েন, রবীন্দ্রনাথ, ভ্যান গগ, আনিসুল হক, রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ। গান বলতে গেলে রবীন্দ্রনাথের গানই বেশী শুনি। শ্রীকান্ত, সাগর সেন, অর্নব ফেবারিট। রসিকতা ভালো লাগে। সবকিছুতেই পজিটিভ থিংকিং আর কি! । সবচাইতে যে কাজটা ভালো লাগে, সেটা হল আড্ডা দেয়া। লেখাপড়া মোটামুটি। চিন্তা ভাবনায় মুক্তপন্থী। যারা রসিকতা বুঝেন না, তারা প্লিজ দূরত্ব বজায় রাখবেন। প্রেমের নীল পদ্মগুলো একজনকে দিয়ে দেয়া হয়েছে। অনেকে আমার কেতাদুরস্ত ভাব দেখে ভুল বোঝে। বাস্তবে খুবই অগোছালো ধরণের মানুষ আমি। আমার আম্মার মতে দুনিয়ার সবচেয়ে অগোছালো আমিই। দিন দিন এসব খেতাব বাড়ছে। একটা সময় স্বপ্ন দেখতাম। স্বপ্ন দেখা এখন আপাতত তা বন্ধ আছে। তবে আমি স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসি। বর্তমান অবস্থা বলতে, বন্দর নগরীর বাসিন্দা। কক্সবাজার নামক মফস্বল থেকে উঠে আসা নিতান্ত সুবোধ বালক। মহসিন সাহেবের বানানো একটা কলেজে পড়ি। সারাদিন কাটে ঘোরাঘুরি তে। আশেপাশের জগতটা খুব ছোট হয়ে আসছে দিন দিন। চিন্তার গন্ডিটা পেরিয়ে বেশি দূরে যেতে পারছি না। আমার একটা জগত আছে। মন খারাপ হলেই সেখানে চলে যাই। ধু ধু প্রান্তর জুড়ে জোছনার বন্যা। আমি বসে থাকি। উথাল পাথাল হাওয়ায় চুলগুলো উড়ে। দিঘীর জলে কারো ছায়া দেখে মুগ্ধতা বাড়ে। দাঁড়কাক প্রিয় পাখি। তাদের জীবনযাত্রা অদভুত। এই জিনিসটাই আমাকে আকর্ষিত করে। হয়তো এদের মাঝে একদিন জীবনানন্দ সাহেবের দেখা পেয়ে যাব। নখ কামড়ানোর মত একটা বদ অভ্যাস পুষছি । ছোটকাল থেকে এটা ফেলে দেয়ার চেষ্টায় আছি। খুব ছোটকালে, সম্ভবত ক্লাস ওয়ানে থাকতে ক্লাস ফাইভের একটা মেয়ের প্রেমে পড়ে গিয়েছিলাম। এটাই প্রথম প্রেম বোধোয়। আরো অনেক প্রেমে পড়েছি। কিন্তু হিমুদের যে প্রেম করতে নেই। অতিশীঘ্র আমার ইনসমনিয়ার মত হবে। ঘুম জিনিসটাই হারিয়ে যাচ্ছে। রাতে পাশবালিশ টা আমার একমাত্র সঙ্গী। লেখালেখি করে সময়টা কাটাই। এইভাবে আমার দিন যায়, ডায়েরীর পাতায় লেখাগুলো বাড়ে, কলমের কালি ফুরোয় না। একদিন হয়তোবা ফুরিয়ে যাবে। মোমবাতির শিখার মত দপ করে নিভে যাবে। প্রকৃতি মানুষকে অনিন্দ্য সুন্দর করে বানিয়েছে। কিন্তু মানুষকে এবসলিউট বিউটি সহ্য করার ক্ষমতা দেয় নি। আমার লেখা আরো বাড়বে। ঘুমের মধ্যে এসব ভাবি। আমার ঘুম ভেঙে যায়। আমি আড়ালে দাড়িয়ে হাসি, নি:শব্দের হাসি। আর বলি স্বপ্নটা খারাপ না তো! ®আরো কিছু কথা, \" আমি ব্যক্তিগতভাবে ধর্মে বিশ্বাসী আস্তিক একজন মানুষ। এবং এই বিশ্বাস প্রশ্নে আমি কারো সাথে কোন যুক্তি-তর্ক কিংবা প্রমাণে যেতে ইচ্ছুক নই। আমি এটিতেও ইচ্ছুক নই যে আমার আচার আচরণে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হবে, আক্রান্ত হবে। আমি চেষ্টা করি এটি যেন না ঘটে, সেটি নিশ্চিত করতে। আমি ধর্মে বিশ্বাস করি, এর সম্ভবত একটি শক্তিশালী কারণ, এটি আমাকে শান্তি দেয়, সীমা বেঁধে দেয়, আমি অসীমের চেয়ে সীমার ভেতর থাকতে ভালোবাসি, আমি সবসময় টের পাই আমার একটা আশ্রয় আছে, আমি ভুল করলে, অপরাধ করলে সেই আশ্রয়ের কাছে গিয়ে নিজেকে সমর্পণ করলে, ক্ষমা চাইলে, আমি প্রশান্তি পাই। এটা আমার খুব নিজস্ব এক আন্তরিক অনুভূতি। হ্যা, আমি জানি, আমি ধর্মের বহু অনুশাসন, নিয়ম, কানুন মানি না। এটি আমার ব্যক্তিগত সমস্যা এবং আমি বিশ্বাস করি, এর জন্য পরকালে আমাকে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।\"
আমার সকল পোস্ট (ক্রমানুসারে)

পক্ষীমানব

লিখেছেন নীল চশমা, ০৬ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ৩:০৪

বেশ রোদ বাইরে। সাহারা মরুভূমি
টাইপ। কাকের ডাক শোনা যাচ্ছে। এই
ডাকে আগ্রহ নেই, আছে বিরক্তি।
আমারো মাঝে মাঝে কাক হয়ে যেতে
ইচ্ছে করে। ইচ্ছে করে গলা ফাটিয়ে
কিছু বলি,চিৎকার করে কাঁদি। যে
কান্না কেউ দেখে না। ধূলো ধূসর
নিষ্প্রাণ নগরীতে এই দাঁড়কাকের ডাক
মিলিয়ে যাবে একটা কোণায়। আচ্ছা
পাখিদের কি কষ্ট আছে? তারাও কি
কাঁদে? পৃথিবীতে পাখিরূপী কিছু মানব
আছে।... বাকিটুকু পড়ুন

১ টি মন্তব্য      ১৫৮ বার পঠিত     like!

____আনারস বিলাস এবং কিছু শৈশব

লিখেছেন নীল চশমা, ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৫ বিকাল ৩:৫৩


নিরানব্বই সালের শেষ দিককার কথা।
আমরা তখন সাতকানিয়া নামক এক মফস্বলে
থাকতাম। চারতলা এক দালানের নিচ তলায়
আমাদের বসবাস। আমার বয়স তখন চার কি
পাঁচ। আমার বাবা তখন ছমদর পাড়া
হাইস্কুলের শিক্ষক। একদিন তিনি বাজার
থেকে নিয়ে আসলেন ছ'টি আনারস। চার
বছরের একটা ছেলের কাছে তখন আনারস
প্রথমই বলা যায়। মোটামুটি সবকিছু চিনতে
শিখে আনারস প্রথম দেখলাম। এই
জিনিসগুলোর প্রতি... বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ৭৫ বার পঠিত     like!

"শোনো মেঘবালিকা"

লিখেছেন নীল চশমা, ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৫ দুপুর ১:২২

এই মেঘবালিকা!
শুনছ তুমি?
এই এদিকে দাঁড়িয়ে আমি।
একটুখানি দেখ, এই এদিকে
চোখ মুদে আমি আছি দাঁড়িয়ে।
এই মেঘবালিকা!
দেখ ঐ নীলিমায়,
তোমারই ছবি আঁকা রৌদ্রের লালিমায়।
মেঘের নিচে দেখ আমায়,
চোখ মুদে আমি আছি দাঁড়িয়ে।
২২/১২/১৪ "শোনো মেঘবালিকা"
©নাবিল সা'দ গালিব বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ৯১ বার পঠিত     like!
আরো পোস্ট লোড করুন
ব্লগটি ৩২৪ বার দেখা হয়েছে

আমার পোস্টে সাম্প্রতিক মন্তব্য

আমার করা সাম্প্রতিক মন্তব্য

আমার প্রিয় পোস্ট

আমার পোস্ট আর্কাইভ