এলোমেলো মুহূর্ত
আধপোড়া বেনসনটায় লম্বা করে একটা টান দিয়ে কিছু নিকোটিন কে বুকের ভিতরে আটকে নেই।
শফিক তাকিয়ে আছে।
- কি?
- তুমি কি ছাড়বে না স্মোকিং?
বেনসনটা মাটিতে ফেলে পা দিয়ে পিষে বললাম, দিলাম ছেড়ে। তুমি আমাকে একটা কথা বলবে আর আমি শুনবো না, এমন হয়?
- ইয়ার্কি না, সিরিয়াসলি বলছি। বিয়ের আগে ছাড়বে না?
আমি হাসি। আমার হাসির অর্থ সে জানে, দীর্ঘশ্বাসটা তাই অবাক করে না আমাকে।
কত বার যে এই কথোপকথন হয়েছে আমাদের, আরও কতবার যে হবে জানি না।
শফিকের দিকে তাকিয়ে প্যাকেটটা পকেটে ঢুকাই। আরতো একটু পরেই চলে যাবে, থাক আজ ওর সামনে আর ধরাবো না।
কথাটা মনে হতেই হেসে ফেলি।
- কি?
- কিছু না।
- বলবে কেন হাসছো?
- সাধারাণত গার্ল ফ্রেন্ডরা স্মোকিং নিয়ে যন্ত্রণা করে। আমাদের উল্টা।
শফিকও হেসে ফেলে, তোমার তো সব কিছুতেই উল্টা।
এটা ঠিক, ভাবি নিজের মনেই। বেন্জামিন বাটনের মত না হলেও, আমার সব কিছুই কেমন উল্টা। তারপর আবার ভাবি, উল্টা না ওলট-পালট।
- কি ভাবছো আবার?
- পাল্টা উল্টা।
হেসে ফেলে হাতটা ধরে আমার। তার অনায়াস ভঙ্গিটা আমার ভালো লাগে।
হাজার বার বলা কথাটা আবার বলি, তুমি জানো আমরা যে একেবারেই আলাদা?
হাজারবারের মত সেও জবাব দেয়, তুমি জানো না অপোসিট অ্যাট্ট্রাক্টস?
হাজার বারের মতই ভালো লাগাটা এলো মেলো করে দেয় আমাকে।
পরের পর্ব
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


