এলোমেলো মুহূর্ত
এলোমেলো মুহূর্ত - ২
গত আধ ঘন্টা যাবৎ আমি কিছুই করছি না।
একটা কারণ করার মত কিছু নেই, আরেকটা কারণ করার মত মুড নেই।
ঘড়ির কাঁটায় সময় পার হয়ে চলেছে, টিক টিক টিক টিক টিক
এই রকম সময় গুলো খুব এলো মেলো যায় আমার। তার উপরে জীবনের এমন একটা সময়ে তো আরও এলোমেলো লাগার কথা।
মাঝে মাঝে ভয় হয় ভূল করছি না তো। নতুন জীবন শুরুর আগে বুঝি সবারই এমন হয়, বৌমণি থাকলে বুঝি এভাবেই বলতো। সাধারণ জীবনের টানাপোড়নের অতীব সাধারণ এই মানুষটাকে যে আমার কি অসাধারণ লাগতো বলে বোঝাতে পারবো না।
এভাবে সাধারণ বলছি কেন তাকে? তাহলে কি আমার জীবন আমার অসাধারাণ লাগে?
কথাটা মনে হতেই হাসি এসেই গেলো, আটকাতে পারলাম না। সাধারণ-অসাধারণ কি মোটা দাগের চিন্তা।
অবশ্য আমার কাছ থেকে সবাই মোটা দাগের কথাই আশা করে। "বড়লোক বাপের একমাত্র বাউন্ডুলে মেয়ে"র কাছে আর কি আশা করবে কেউ?
টার্মটা মনে হতেই চিরন্তন হতাশাটা ঘুরে ধরে আবার আমাকে।
আমার সারা জীবনে সঙ্গী এই হতাশাটা। কিংবা সারা জীবন না। কিন্তু হতাশা তো... ম্যাচটা কই?
এই অকারণ জেগে থাকার রাত গুলো আমার এই জন্য পছন্দ না, কি যে সব মাথায় আসতে থাকে। ভালোই লাগে না।
বুক ভরে নিকোটিন নিয়ে আবারও ভাবি, আজ ঘুমায় যাবো।
বাইরে গাড়ির টায়ারের শব্দ হয়। দেড়টা বাজে, ভদ্রলোক কি তার আজকের পার্টির শিকার নিয়ে ফেরত আসলেন?
কি দরকার আমার জানার??
ভদ্র মহিলা কি করছেন এখন? কার সাথে কোথায় আছেন এই নিয়ে কি ভদ্রলোকের কোনো মাথাব্যাথা আছে?
তোমার মাথা ব্যাথা কিসের?
শফিক এই কথা শুনলে রাগ করতো সিওর। যাই হোক না কেন, তারা আমার বাবা-মা।
নিঃশব্দে হেসে উঠি আমি, বাবা-মা শব্দের মানে কি তারা জানেন? বোঝেন?
উত্তরও জানি। তীব্র চিৎকারে বিশ্বব্রহ্মান্ড ছিন্ন ভিন্ন করে দিতে ইচ্ছে। চিৎকারটা গিলে ফেলি, সাথে টেনে নেই আরও কিছু নিকোটিন
পরের পর্ব
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


