তারই শরীরে হাত রেখে,
খুঁজি অবয়ব,
যেমনি আকাশের বুক খোঁজে মেঠোপথে বিষন্ন বালক।
নিচ্ছিদ্র আড়ংএ বাতি দেয়
যদিও কোন সোনালী পুরুষ,
অকস্মাতই
হাত থেকে উড়ে যায় আমাদেরই বাতাস চঞ্চল মন।
নদী বুকে জমে জমে অসংখ্য পাথর,
নি:শ্বাসে ফাঁসি দেয় জমাট বাতাস,
আমরা মোহনায় হাটুজলে বক হয়ে
ডুব সাতরে খুঁজি অতলের তল,
রাতের উদোম শরীর
বিলি কাটে বিষনীল ঠোঁট।
নি:স্বাসে কুয়াশা হয় কিন্নরীর উষ্ণ নরোম বুক।
আমরা জনান্তিকেই মুখ দেখি আয়নায়,
শব্দশরীর খেলনায় মোচড়ানো এক একটি দিন।
অন্ধকারে ভিজে গা,
সুচালো বর্শা হাতে আসে রাত।
শেফালীর সমুদ্রেও তাই খরার তীব্র,
অশরীরি আনাগোনা।
জোক হয়ে চুম্বনে নিজেকেই শুষে থামে,
শেষ ... শেষ ভালোবাসা।
আমরা কারো হাতে হাত রেখে
রঙ্গিন শহর দেখি দুরে।
রাখি নীলাভ্র মর্মরে চোখ,
অন্তহীন আকাশকে ছেড়ে।
বুঁদ হই বিষনীলে
ছুড়ে ফেলি অনাঘ্র রথ।
খুঁজি কায়াহীন, অশরীরি, অন্তছোঁয়া যতিহীন পথ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



