শয়তান মুক্তচিন্তার অধিকারী ছিলনা। শয়তান ছিল বদ চিন্তার অধিকারী। মানুষকে বদপথে পরিচালিত করা, একজনের বিরুদ্ধে আরেকজনকে প্ররোচিত করাই ছিল তার কাজ। তার কাজ ছিল মানুষের ভেতরে অরাজকতা সৃষ্টি করা। শয়তানকে এভাবেই পরিচিত করানো হয়েছে, মুক্তচিন্তার ধারক হিসেবে নয়। আপনি তো ভালো কবিতা লেখেন, আপনার কবিতা যে আমার ভালো লাগে তা অনেকবারই বলেছি, সামনেও ভালো লাগলে বলব। তারপরেও মুক্তচিন্তা নাহয় না ই হলো, আশা করতে পারি নিদেনপক্ষে সুস্থচিন্তার অধিকারী আপনি। আমার লেখা, আমার প্রশ্ন, তার সাথে মিলিয়ে সিমরান সিকদারের প্রতিক্রিয়া ও আমার প্রতি তার ব্যাবহার পাশাপাশি দাঁড় করিয়ে বলুন। কার উপর তথাকথিত শয়তানের প্রভাব বেশী ?
মুক্তচিন্তান লাগামহীন, এর প্রয়োগে ভাল মন্দ দুটোই থাকতে পারে। আপনার ভেতরেও মুক্তচিন্তা রয়েছে। না হলে আপনি কবিতা লিখতে পারতেন না। আমি সে চিন্তাকে ভালো বলি, আপনি হয়তো তাকে এতটা ভাল হিসেবে দেখেন না। হয়তো সেজন্যেই আপনি আপনার প্রোফাইলে লিখেছেন, নিজে ভাল মানুষ নন। আপনার মনে কি কবিতা লেখার কারণে কোন অপরাধবোধ কাজ করে ?
আমি আমার মুক্তচিন্তার ভাল দিকগুলো ব্যবহার করি। করি কারো ভয়ে নয়। এমনকি ঈশ্বরের ভয়েও নয়। এই ভয়ের প্রয়োজন আমার নেই। আমি আমার বোধের উপর বিশ্বাসী। এই বোধ আমার ভেতরে তৈরী করেছে আমার শিক্ষা, আমার সমাজবোধ, আমার মনুষ্যত্ব। এই বোধ আমাকে শিখিয়েছে, সৃষ্টিকে সন্মান করা, সৃষ্টির জীবকে সন্মান করা। এই বোধ আমাকে শিখিয়েছে, মানুষকে সন্মান করা, অন্যের অধিকারের প্রতি সচেতন থাকা, অন্যকে আঘাত না করা। আমি তা পালন করি, পালন করতে আমার সামান্যতমও বেগ পেতে হয়না, তাই মুক্তচিন্তায় কোন ভয় নেই আমার।
যাদের সে ভয় রয়েছে, তারা তাদের মুক্তচিন্তায় লাগাম টানুক, নিজেকে জেলখানায় বন্দী করে রাখুক, তাতে আমার কিছুই যায় আসে না। এটা তাদের ব্যাপার, নিজেদের উপর তাদের বিশ্বাসের ব্যাপার। আমার বিশ্বাস, তাতে হয়তো সমাজের ভালোই হবে। যারা মুক্তচিন্তার প্রয়োগ জানেনা তাদেরকে ভয়ের মাঝেই রাখা দরকার।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

