গত ক'দিন ধরে ধর্ম,সমাজ, মানুষ ও রাজসীতি নিয়ে অনেক মুল্যবান আলোচনা হয়েছে। অনেক ছোট ছোট মন্তব্যে প্রচুর ভুল বোঝাবুঝির অবকাশ রয়েছে বলে একটু বিস্তারিত লেখার প্রয়োজন অনুভর করছি।
আমি নিজে ধার্মিক নই। আমি নিজেকে সবার আগে একজন মানুষ, তারপর একজন বাংলাদেশী ও তারপর যেহেতু গোষ্টিভুক্ত - এক্রন মুসলিম হিসেনে জানি। আমার অন্য কোন গোষ্ঠিতে জন্ম হলে নিজেকে অন্যভাবে দেখতাম। আমার একটা বড় চাওয়া এই যে, আমি আমার মনুষ্যবোধ, জাতীয়তা ও গোষ্ঠিবদ্ধতা নিয়ে গর্ববোধ করতে পারি। কিন্তু ঘটছে তার উল্টোটা ও তার কারণ খোঁজার জন্যেই আমার এই প্রয়াস।
- বাংলাদেশ একটা মুসলিম রাষ্ট্র। শতকরা আশি ভাগ মুসলিম। অন্নান্য ধর্মের মতো আমাদের ধর্মও মানুষকে অন্যায় থেকে বিরত থাকার কথা বলা হয়। তারপরেও কামাদের দেশ পৃথিনীর সনচে' দুর্নীতিগ্রস্থ একটা দেশ এবং ছোট থেকে বড় বড়, সমাজের প্রাতিটি স্তরে ছড়ানো এ দুর্নীতি। এর কারণ হচ্ছে আমাদের রাজনৈতিক ও অর্থিৈতক কাঠামো। কিন্তু আমাদের ভেতরে বিরাজমান ধর্মীয় মুলবোধ যদি তারপরেও আমাদের কে এই মানবিক অধ:পতন থেকে বিরত না রাখতে পারে, তাহলে আমাদের গর্ববোধ করার কি থাকতে পারে ? আমারা আমাদের মনুষ্যত্ববোধ থেকে প্রতিতিনই একটু করে দুরে সরছি , এ সত্যটি আমারা কেনো স্বীকার করতে চাই না ?
- এ দেশে মেয়েদেরকে বোরখা পড়ে বাইরে যাবার পরামর্শ দেয়া হয় যাতে পুরুষের লোলুপ দৃষ্টি তাদের উপর না পড়ে বা তাদেরকে পুরুষদেন হয়রানীর শিকার না হতে হয়। লজ্জা, লজ্জা, লজ্জা কোথায় রাখি এ লজ্জা ? এত ধর্মভীরু মানুষ আমরা! কোথায় রইল আমাদের ধর্মীয় অনুশাসন? এমন দেশও রয়েছে, যেখানে মেয়েরা রাত াবিরেতে যে কোন পোষাকে রাইরে গেলেও পরুষদের নিজস্ব সভ্যতাবোধের কারণেই তাদেরকে বিকৃতির মুখোমুখি হতে হয়না। এমনকি মুসলিম রাস্ট্র দুরাইতেও দেখেছি, যে যার মতো চলছে, কাউকে অপমানিত হতে হচ্ছেনা। তারপরও যাদি এ ধরণের ঘটনা ঘটে, ঘটনাকারী দের দূষকিৃতিকারী হিসেবেই সমাজে দেখা হয়। আর আমাদের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ- ' ভার্সিটির ছাত্ররাও সু যোগ পেলে ু এক্রন, দু'জন নয়, একসাথে একটা অসহায় মেয়ের উপর ঝাপিয়ে পড়ে। তারপর আবার মেয়েটিকেই দোষ দেয়া হয়! লজ্জা, লজ্জা, লজ্জা কোথায় রাখি এ লজ্জা ?
- আমরা ভালো করেই জানি যে, আমাদের রাজনীতিবিদরা মহাচোর। তারপরেও জেনেশুনেই আমরা তাদেরকে ভোট দিই, তাদের গুনগান গাই। যাদের কে আমরা অশিতি বলে থাকি, তাদের কথা বাদ। আমারা তথাকথিত শিতি মানুষরা এই রাজনীতিবি দের প নিয়ে রাস্তায় নামি। দেশে অরাজকতা তৈরী করি। মেরুদন্ডহীনতার এর চে' বড় উদাহরণ আর কোথায় দেখা যায় ?
তারপরও আাশায় আছি, এই লজ্জা থেকেই আমাদের কোনএকাদন সঠিক বোধ তৈরী হয়। আমরা আমাদের জাতি, ধর্ম, গোষ্ঠি তে সামনে রেখে গর্বে গর্বিত হয়ে পৃথিবীর সামনে দাঁড়াই।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



