যে আশা নিয়ে দেশের সাধারণ মানুষ আওয়ামী লীগ ও মুক্তিকামী দলগুলোর পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল, তাদের সে আশা কতটুকো পুরণ করতে পেরেছে ওরা স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে। তখনও তারা পাগলা কুকুরের মতো মতা আর সম্পদের লড়াইএ মেতে উঠেছে। আর সে লড়াইয়ের তীব্রতা আর নগ্নতা তখন থেকে শুরু করে আজ অবধি বেড়েই চলেছে। তাতেই জল পড়েছে জামাতের মতো অপ:শক্তির আগাছায়। জামাত হচ্ছে সুশীল সমাজের একটা অতি নিকৃষ্ট ফোঁড়ার মতো। কোন প্রগিতিশীল দল কোন ইস্যুতেই এমনি একটা দলের সাথে আঁতাতে যেতে পারে না। কিন্তু আওয়ামী লীগ তা করেছে বিরোধী দলীয় আঁতাতে গিয়ে। আর তাতে যে স্থান জামাত খুজে পেয়েছে, তা তাদের বাংলাদেশের মাটিতে কখনোই খুজে পাওয়ার কথা ছিল না। বি এন পি আওয়ামী লীগ এর মতো প্রগতিবাদী হিসেবে পরিচিত নয়। সুতরাং তাদের তো জামাতের সাথে আঁতাতের বেলায় ঘোমটার প্রয়োজন পড়ে না।
আমার মতে, স্বাধীনতার আগের কথাগুলো যদি আমাদের ভাবনায়, ও তার পরের সঠিক পদক্ষেপগুলো আমাদের কর্মে থাকতো, তাহলে জামাতের কোন চিহ্নও থাকতো না আমাদের এখনকার সমাজে। সাধারন বাঙ্গালী মুসলমান সমাজ মৌলবাদী নয়। শাসকগোষ্ঠী তাদেরকে তা হবার সুযোগ তৈরী করে দিয়েছে, যেমন করছে বুশ সারা পৃথিবীর মুসলমান সমাজকে।
মৌলবাদের জন্ম একটা সমাজে তখনই শুরু হয়, যখন সমাজকে অর্থনৈতিক ও বাজনৈতিক ভাবে কোনঠাসা করা হয়। আমাদের বেলাতেও তার অন্যথা হয়নি। প্রতিটি রাজনৈতিক নেতার প্রধান উদ্দেশ্য, তাদের সম্পদের পাহাড়কে আরো বেশী উঁচু করা। ক্ষমতায় যাওয়ার পরই শুরু হয় প্রতিক্ষেত্রেই দলীয়করণ। লালল করা হয় সন্ত্রাসীদের। এতে সাধারন মানুয়ের ভেতর যে হতাশা তৈরী হয়, সেটাই ব্যবহার করে মৌলবাদীরা।
সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করতে নামানো হয় র্যাব। র্যাবের কর্মকান্ড সবরকম আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের পরিপন্থি। তারপরও আমরা তাদের বাহবা দিই। দিতে হয়। কিন্তু এতে যে আমরা আমাদের মানবিক চিন্তা চেতনা থেকে প্রতিদিনই দুরে সরে যাচ্ছি, সেটা ভাবার অবকাশ আমাদের ঘটেনা। কিন্তু কিইবা করার আছে আমাদের ? পিঠ ঠেকে আছে দেয়ালে!
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ ভোর ৫:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



