কাহিনীতে নাটক ছিলনা জোর,
যদিও নায়িকা অসুন্দরী নয় একেবারেই,
গুনান্মিতা বলেই বলেছেন কাহিনীকার!
একালের জুলিয়েট ছিল কিনা,
বলতে পারেন না কবি নিজেও।
এসবের পেছনে কারণ ছিল কিছুটা,
পীনোন্নত, গুরুনিতম্বিনি, কটাক্ষচঞ্চলা নারী
বাতাসে প্রেমের ঘ্রান ছাড়িয়ে
প্রসাধনসামগ্রী আরো বেশী উচ্চকিত।
আরো বেশী আলোকিত, জবরজং
নায়িকার ঘাঘড়ার রং দুপুরের রোদ ছাড়িয়েও।
কতদিন সমুদ্র দেখিনি চোখে!
কতদিন আকাশ দেখিনি সমুদ্রের বুক ছুঁয়ে!
বলতে বলতে এগিয়ে এলো নায়ক।
আবাল্যের জমানো সপ্ন সব চোখে,
তার কিছু কিছু ধরা পড়েছে মোড়ের রকে,
কিছু কিছু ভার্সিটি চত্তরে,
আর একটা দু'টো ছাপোষা কবিতা সংকলনে।
অথচ সমুদ্র না দেখে
নায়িকাকেই দেখলো সামনে।
ঈশ্বর সপ্নদেন, তিনিই ভাঙ্গান ঘুম!
কবি ও কবিতা সহসাই কাদামটির এঁদোপুকুরে।
আরেকটি রোমিও এলো না কলমের খোচায়!
কাহিনীতে নাটকের প্রত্যাশায় কাহিনীকারেরই নির্বাসন!
এসব দেখেশুনে কবিদের পরাজয় হয়না।
তাই কোন কোন কবি বলেন,
পৃথিবী এক আশ্চর্য্য জলজ দোয়াত!
সেখানে কলম থেকে কালি যে পথ,
কালি থেকে কলম আরেকটি আলাদা পথ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


