
কবিকে প্রথম দেখা যেতে পারে ধানসিঁড়ি নদীর তীরে। তিনি তখন মানুষ রুপে নাও থাকতে পারেন। শঙ্খচিল অথবা শালিকের বেশে তিনি আসতে পারেন।
বাংলার নবান্নের মাসে ভোরবেলা হয়তো যে কাকটি প্রথম ডেকে উঠবে তার মধ্যেই হয়তো কবি প্রকাশ পেতে পারেন। কুয়াশা কেটে কেটে আম কাঁঠালের ছায়ায়, পায়ে কিশোরীর লাল ঘুঙুর নিয়ে হাস হয়ে কলমীর গন্ধভরা জলে সারাদিন ভেসে থাকতে পারেন।
এই বাংলার নদী, মাঠ, ক্ষেত, জলঙ্গীর ঢেউ এ ভেজা বাংলার সবুজ করুন ডাঙায় বসে তিনি কিছুটা সময় হাওয়া খেতে পারেন।
এসব জায়গায় যদি কবিকে না দেখতে পান, তবে-
সন্ধ্যার বাতাসে যদি কোন সুদর্শন উড়তে থাকে, কখনো যদি শুনতে পান শিমুলের ডালে বসে কোন এক লক্ষীপেঁচা ডাকছে, কোন এক শিশু উঠানের ঘাসে যদি খৈ এর ধান ছড়াতে থাকে-
অথবা,
রুপসার ঘোলা জলে কিশোর সাদা ছেঁড়া পালে ডিঙ্গা বেয়ে, অন্ধকারে রাঙা মেঘ সাঁতরায়ে সাঁতরায়ে নীড়ে ফেরে ধবল বকের সারি।
এদের ভীড়ে কোন এক কোনে কবি জীবনানন্দ দাশ ফিরে আসতে পারেন।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ১২:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


