লাস্ট দুইবছরেও বোধহয় ক্রিকেট নিয়ে এতো কিছু বলিনি; আজ যা যা বলছি। হয়তো এতোদিনের জমানো আবেগ ধরে রাখতে পারিনি।
২০০৩ বিশ্বকাপ এর বাংলাদেশ টিমের চিত্র আমার এখনও চোখে ভাসে। কতটা অসহায় ছিলো তখনকার ওই দলটা। হয়তো বাংলাদেশের সর্বকালের বাজে টিম ছিলো সেটা; যে কিনা কানাডার মত দলের সাথে জিততে পারেনি! অথচ '৯৯, '০৭, '১১, '১৫ এই চার বিশ্বকাপে যে কি কি হয়েছে সমস্তই সকলের জ্ঞাত। হ্যাঁ, প্রতিবারই বলা হয়েছে যে সম্পূর্ণ নতুন এক বাংলাদেশ। কিন্তু আমি বলবো, এখানে নতুনত্বের কিছু নেই। শুধুমাত্র ক্লাস এর আপগ্রেড হচ্ছে। আর হ্যাঁ, সে আপগ্রেডটা সর্বোচ্চ পর্যায়ের দিকে আস্তে আস্তে ধাবিত হচ্ছে।
এবার আসি প্লেয়ার সংক্রান্ত কিছু কথায়। বাংলাদেশের ওপেনিং নিয়ে লাস্ট দুই-আড়াই বছর ধরে সমালোচকদের সমালোচনা শুনতে শুনতে কান ঝালাপালা হয়ে গিয়েছে। আর আমাদের, মানে বাঙালিদের একটা বাজে স্বভাব হলো ধৈর্য্য হারিয়ে ফেলা; যেটা সমালোচকরা দেখিয়েছেন। এখন যখন আবার ওপেনিং জুটি ভালো করছে তখনই বাহবা দিচ্ছেন। ভাই, একটু ধৈর্য্য ধরুন। সবুরে মেওয়া ফলে। লাস্ট ওয়ার্ল্ডকাপেও তামিম-ইমরুল দুজনকে নিয়ে কতই না কটূক্তি, কতই না ট্রোল করা হলো! অথচ তারা যখন ফর্মে ফিরলেন তখন সব ভুলে বাহবা দেওয়া শুরু হলো। ভাই থামেন, ভারতের কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের এদের চেয়েও অনেক বাজে সময় গিয়েছে। টানা ৩০-৪০ ইনিংসে মোট রান ৪০-৫০(!) এরকমও হয়েছে। কিন্তু কই, তাকে নিয়ে তো কোনো ট্রোল তৈরি হয়নি; আর এতো কটূক্তিও আসেনি
ধৈর্য্য ধরুন, প্লেয়ারদের সম্মান করতে শিখুন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



