somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পরিপূর্ন জীবন

১৪ ই মে, ২০১৫ রাত ৮:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমারা পৃথিবীতে প্রাপ্তি, অপ্রাপ্তি, আনন্দ, দুঃখ, কষ্ট ও হতাশার মাঝে বসবাস করি। এমন অনেকেই আছেন যারা দুঃখ, কষ্ট আর হতাশা কে জয় করতে ব্যর্থ হন।
কিন্তু এমন মানুষের সংখ্যাও কম নয় যার সব দুঃখ, কষ্ট আর হতাশা কে জয় করে সুখী, সুন্দর ও সফল ভাবে জীবন যাপন করে আসছে্ন।
একবার ভাবুন, যদি এই সব সফল মানুষ যদি মনের দিক থেকে অত্যন্ত দৃঢ় না হতো, তাহলে তারা কি করে কঠিন বাস্তবতাকে মোকাবেলা করতে পারতো ?
মনকে দৃঢ় করতে বিভিন্ন সময় বিশেষজ্ঞদের দেয়া কয়েকটি পরামর্শ তুলে ধরবো। আমার মতে পরামর্শগুলো আপনারা কাজে লাগালে হয়তো এক সময় দৃঢ় মনের অধিকারী হতে পারবেন।
*মাঝে মাঝে আপনাকে নিশ্চুপ থাকতে হবে।
কথায় আছে, কম কথা বলা বুদ্ধিমানের লক্ষণ।
*নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নেয়া এবং এর ফলাফল মেনে নেয়া।
যে কোনো কাজের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে, আপনাকে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে যে, সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার অর্থই হচ্ছে সেখানে সফলতার পাশাপাশি ব্যর্থতার আশঙ্কাও রয়েছে। তাই সফলতা এবং ব্যর্থতা দুটোর জন্যই আপনাকে প্রস্তুত থাকতে হবে। যদি ব্যর্থ হন, তাহলে এর জন্য অনুতাপ বা অনুশোচনা করবেন না। কারণ, সফলতা ও ব্যর্থতা আমাদের জীবনেরই অংশ।
*কষ্টকর অতীতের কথা ভুলে থাকা।
যে ঘটনা ভুলে যেতে পারলে জীবন চলার পথ সহজ হবে, সে ঘটনা ভুলে যাওয়া উচিত। এতে মন সুস্থ, সবল ও প্রফুল্ল থাকবে।
* স্বাধীনভাবে থাকুন আর খেয়াল করে কথা বলুন।
*প্রফুল্ল থাকা ও আশাবাদী হওয়া।
কারণ প্রফুল্ল আশাবাদী মন সফলতার চাবিকাঠি।
আপনার মন আপনাকে পরিচালিত করে। তাই এ মন যদি হয় প্রফুল্ল, আশাবাদী এবং কর্মক্ষম, তাহলে আপনার সফলতা প্রায় সুনিশ্চিত। নিজেকে একজন মিস্টভাষী, হাসিখুশি, আনন্দময় অধিকারী মানুষ হিসেবে তৈরি করুন। এ ধরনের মানুষ সহজেই আর আরও বেশি বন্ধু আকর্ষণ করতে পারে। আনন্দ ও দুঃখময় আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এ ধরনের ব্যক্তিত্ব অন্যদের ওপর প্রভাব ফেলে। তাই ইতিবাচক চিন্তা করুন, আস্থাবান ও আশাবাদী হোন এবং আর আনন্দময় মানুষ হিসেবে নিজেকে তৈরি করুন। আপনি নিজেই পরীক্ষা করে দেখুন, আনন্দময় ও উষ্ণ মন দিয়ে কাছের মানুষদের সঙ্গে মেলা-মেশা করলে, অচিরেই আপনার কাছের মানুষও আনন্দময় আর আশাবাদী হয়ে উঠবেন।
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মুহাম্মদ আলি জিন্না

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫



১৮৭৬ সালে করাচিতে এক দুষ্ট বালকের জন্ম হয়।
এবং ৭৬ বছর বয়সে দীর্ঘদিন যক্ষা রোগে ভূগে- দেশ ভাগের পরের বছর মারা যান। এই দুষ্ট বালক'ই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা। নাম তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

"রিকন্সিলিয়েশান"....ইহা কি খায় নাকি মাথায় দেয়?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:০০



সত্যি সত্যিই তাদের সুযোগ ছিলো ২৫ শে মার্চ এর পর যাবতীয় অপকর্ম জনগণের কাছে স্বীকার পূর্বক,
/মুক্তিযুদ্ধে তাদের দ্বারা নৃশংসতার শিকার জনগণের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা,
/তাদের ক্ষতিপূরণ দিয়ে এবং,
/সব... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেরা লেখক

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৭



বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভালো লেখক এক কথায় - হুমায়ূন আহমেদ। হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস মধ্যাহ্ন বা দেয়াল - এর পাশাপাশি রাখার মতো বাংলাদেশে আর কোনো উপন্যাস আছে কিনা আমার জানা... ...বাকিটুকু পড়ুন

=ডায়াটে একদিনের খাবার=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫১

ডায়াটের প্রথম দিকে-একদিনের খাবার। বর্তমানে আমাদের দেহে রোগসুগের অভাব নাই। ডায়াবেটিস, প্রেসার, ক্যান্সারসহ নানাবিধ রোগ বলা নাই কওয়া নাই শরীরে এসে বাসা বাঁধে।

আর এসব রোগের একমাত্র কারণ আনহেলদি... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিদায় নানা পাটেকার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৫৭



৯০ দশকের শুরুর দিকের কথা, সারা দিনের ক্লান্তি নিয়ে যখন বাসভবনে ফিরেছি, রুটিন মাফিক গোসল খাওয়া দাওয়া করে ঘুমোবো কিন্তু টিভি অন করে দেখি একটি সিনেমা শুরু হচ্ছে -... ...বাকিটুকু পড়ুন

×