সালটা ২০১২ । সাবেক পররাষ্ট্র মুন্ত্রী দীপু মনি বুক চেতিয়ে বলেছিলেন, ভাসমান রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ ঢুকতে দেবে না। সাল ২০১৫ থাইল্যান্ড-মালয়েশিয়া বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের ঢুকতে দিচ্ছে না। সাগরের বুক থেকেই ফিরিয়ে দিচ্ছে নৌ যানের গতি।
সে দিন আমরা সবাই কেঁদেছিলাম--- বলেছিলাম- নাও ভেড়াও। তারপর শাস্তি দাও। আলাপ করে ফেরৎ পাঠাও। কিন্তু দীপু মণির মন গলেনি। মন গলেনি ডিজটাল সরকারের।
লাল গেঞ্জিপরা লোকটা যাকে মানুষ হিসাবে তার রব বানিয়েছেন তার জোড়হাতে এখনো চোখে ভাসে। নৌকায় স্ত্রী সন্তান নিয়ে মায়ানমারের শান্তির দেশ থেকে নিপীড়িত হয়ে বাঁচতে নৌকায় উঠেছিল।
সে দিন যদি কড়জোড় ওই হাতের দিকে তাকিয়ে আমাদের মন গলাতো আজ হয়ত আমাদের ভাই-বন্ধুরা সাগরে ভাসতে হতো না। মুত্র পান করে পানির তেষ্টা মেটাতে হতো না। তাও ভাসছে ধরে নিলাম তাদের ভুলে--- কিন্তু রাষ্ট্রের নির্বিকার অবস্থায় আহত। এ ভাবে চলতে পারে না। রাষ্ট্র শান্তি প্রতিষ্ঠায় রক্ষী রপ্তানি করে--- কিন্তু সঙ্কট সমাধানে কিছু করছে না ক্যানো।
অর্থমন্ত্রী বলেছেন, আমরা সুখী দ্যাশ। আসলেই সুখী। নাগরিকদের এমন কষ্ট খবর পেয়েও যারা বগল বাজায় তারা তো সুখোন্মাদ!
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মে, ২০১৫ বিকাল ৩:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



