আনন্দকে হৃদয়ে লালন করতে পারছি না যেহেতু ধরেই নিতে হবে সমস্যা আমার।ফেসবুক কিংবা ব্লগ যেখানেই চোখ রাখি না কেন শুধুই নেতিবাচক সংবাদ।এই সংবাদগুলো আজ শুধু অন্যের তথ্য দিয়ে সমৃদ্ধ করেছে, এমন হতে পারে একদিন আপনার সংবাদ দিয়ে সমৃদ্ধ হতে পারে।
আজ যদি নারী নির্যাতনের গল্প লিখি আপনার পছন্দ হবে না কারণ আপনি তো ভালো মানুষ কারো উপর নির্যাতন করেন না বা ভবিষ্যতে করবেন না বলে দাবী করেন। অথচ আপনি একাই সারা বাংলাদেশ নন,এখনো প্রতিদিন যৌতুকের জন্য,শুধু কন্যা সন্তান জন্মদানের জন্য অনেক অনেক ঘর ভেঙে যায়।নারীদের উপর বড্ড রাগ হয় আপনাদের। এরা শুধু সম অধিকার দাবী করে।
খেয়াল করেছেন এই সময়ে আপনার স্ত্রী অসুস্থ হলে কী করেন? সাথে সাথে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান?কখনোই নয় এমন পুরুষের সংখ্যা নিতান্তই কম।এখনকার সময়ে সম অধিকার দাবীর প্রভাব জীবনে এসে পড়েছে।ফলাফল স্বরূপ স্বামী আপনাকে বলেই বসবে একা একা যাও না ডাক্তারের কাছে,আমি না ভীষণ ব্যস্ত।এরপর সংসারের দায়িত্বেও ভাগ এসেছে।আমি ভীষণ ব্যস্ত তুমি মাসের বাজারটা করে নাও।নারীদের উপর কাজের চাপ বেড়েছে বৈ কমেনি।
সম অধিকার দাবী করা মানুষরা জেনে রাখুক নারী কখনোই পুরুষের সমকক্ষ হতে পারে না।নারী কখনোই সমান অধিকার রাখতে পারে না।নারী-পুরুষে ব্যবধান ছিল এবং থাকবেই।কথাগুলো অনেকেরই পছন্দ হবে না। যেখানে মহান আল্লাহ তা আলা সমান সমান অধিকার দেননি সেখানে আপনি আমি সমান অধিকার দেওয়ার কে!
সমান অধিকার নারীকে যতটুকু তার অধিকার দিচ্ছে তার চেয়ে অধিক নায্য অধিকারটুকু কেড়ে নিচ্ছে।আসলে কতটুকু সমান অধিকার দেবে?নারী অধিকার বলে যতই চিৎকার, সভা,মিছিল মিটিং করা হোক না কেন দিনশেষে তুমি যে নারীই।
নারী বলেই আজ ধর্ষণ। ছোট শিশুরাও বাদ যাচ্ছে না, কী করছে মানুষ,কী করছে সমাজ,দেশ,জাতি,প্রশাসন।দিনের পর দিন, একটার পর একটা ধর্ষণ মনে করিয়ে দেয় নারী হয়ে জন্ম নেয়া অভিশাপ।
নষ্ট সমাজে শুদ্ধ পুরুষগুলো আন্দোলনে নামুন, সত্যি সত্যি কিছু করে দেখান তো। ক্লান্ত চোখ, ভারাক্রান্ত হৃদয় আর পারে না আনন্দে হাসতে,প্রতিদিনের এই আহাজারি পীড়িত করে ছোট্ট মনকে।
পুরুষ নিজেকে প্রশ্ন করুন কী করলে আপনারা সত্যিকারের মানুষ হবেন!
#রুবাইদা গুলশান
ছবি ইন্টারনেট


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
