১। আমার মায়ের পাস-পোর্ট বানাইতে চাইছিলাম, জন্ম নিবন্ধন সনদ লাগবে। চেয়ারম্যানের কাছে গেলে তার সচিব দাবী করেছে ২০০ টাকা, এভাবেই নাকি নিয়ে থাকে। রশিদ নাই, সরকার টাকাটা নিলে কথা ছিল। গ্রামাঞ্চলে চেয়ারম্যান কর্তৃক এই রকম প্রহসন চলছে।
২। পাস-পোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দিতে হয়। সারাদেশেই ইহা চলছে। টাকা না দিলে উল্টা-পাল্টা রিপোর্টের ভয়ে আমরা টাকা দিয়ে থাকি।
৩। বিয়ের রেজিস্ট্রেশনের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি (কাবিনের টাকার পরিমানের উপর ভিত্তি করে) দিতে হয়, কোন রশিদ নাই, সরকার কত টাকা পায় জানি না। সেই এলাকার মসজিদের ঈমামকেও টাকা দিতে হয়, কেন দিতে হয় জানি না। টাকাটা না পায় মসজিদ, না পায় সরকার, সোজা ঈমামের পকেটে। বিয়ে যেহেতু জীবনে একবারই (ভদ্রলোকের জন্য) তাই এই ফি নিয়ে খুব একটা উচ্চবাচ্য করতে দেখা যায় না।
৪। বিয়ের সনদ (নিকাহ্নামা) তোলার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দিতে হয়, এক্ষেত্রেও কোন রশিদ নাই। টাকাটা কার পকেটে গেল মহান আল্লাহ্পাকই জানেন।
প্রতিকার কি
৩ নং এর জন্য কথা-বার্তা বলে সমঝোতায় আসা যায় এবং এই প্রহসন কমানো যায়। সরকার/প্রতিষ্ঠানকে ট্যাক্স/চাঁদা দেয়া যায়, কোন ব্যক্তি বিশেষকে নয়। আর ১, ২, এবং ৪ নং এর বেলায় বলার সময় যে দেন-দরবার হবে সেই কথপোকথন আপনার মোবাইল ফোনে রেকর্ড করুন এবং ক্লিপটা থানায় জমা দিন, ২ নং এর জন্য সাংবাদিকের (সাংঘাতিকের কাছে নয়) কাছে জমা দিন।
উপরোল্লিখিত ঘটনাগুলো সত্য। ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রমাণ চাইলে দেয়া যাবে। তবে আমি কোন ক্লিপ রাখি নাই।
ধন্যবাদ সবাইকে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


