somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এরশাদ স্বৈরাচার হলে খালেদা কি?

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

.আজকাল সকল আওয়ামী লীগ বিরোধী পোস্ট গুলাতে দেখা যায় ব্যাপক সমালোচনা চলছে স্বৈরাচার এরশাদের সাথে জোট করার জন্য। কথা বার্তা শুনলে মনে হয় স্বৈরাচার শব্দটি একা এরশাদের জন্য লাইসেন্স করা হয়েছে। ক্ষমতা না ছাড়তে চাওয়া যদি এরশাদের স্বৈরাচারি হওয়ার কারন হয় তাহলে বিগত বছর গুলিতে আমরা বিএনপি ও তাদের নেত্রী খালেদা জিয়ার কাছ থেকে কি দেখতে পেয়েছি আসুন তা পর্যালোচনা করে দেখি।

১৯৯৬ সালঃ বিএনপির সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে ও খালেদার জোর করে ক্ষমতা না ছাড়তে চাওয়া। নিজে প্রধানমন্ত্রী থেকে প্রহসনের নির্বাচন করা ও তাতে ব্যাপক কারচুপির মাধ্যমে জয়লাভ করা যা দেশ ও বিদেশে নিন্দিত হয়েছিল। পরে জনতার ও আওয়ামী লীগের আন্দোলনের ফসল হিসাবে তত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচনে বিএনপির ও খালেদার পরাজয় হয়।

২০০৬ সালঃ আমাদের গর্ধভ ও অপদার্থ প্রেসিডেন্ট, বিএনপির ইয়েসম্যান ইয়েসউদ্দিনরে দিয়ে তত্বাবধায়ক সরকার প্রধানের পদ দখল করা। ইয়েসউদ্দিন ও সিইসি বেহায়া আজিজকে দিয়ে নীলনকশার নির্বাচন করানোর চেস্টা। ফলশ্রুতিতে আবারও জনতার ও আওয়ামী লীগের আন্দোলন ও এই আন্দোলনের ফসল হিসাবে ১/১১ ও ডঃ ফখরুদ্দিন আহমদের নতুন তত্বাবধায়ক সরকারের জন্ম।

২০০৭ সালঃ গ্রেফতার হওয়ার আগে কোনো প্রকার বোর্ড মিটিং ছাড়া একক সিদ্ধান্তে দলের সাধারন সম্পাদক মান্নান ভূইয়া ও অন্যান্য সংস্কারপন্থী নেতাদের দল থেকে বহিস্কার করন। এই ছাড়াও দেশের সবাই যখন তারেক আর কোকোর দুর্নীতি নিয়ে ক্ষুব্ধ তখন খালেদার জনগনের বিপক্ষে দাবী তার পুত্ররা নাকি নির্দোশ এটা নাকি ষড়যন্ত্র।

উপরোক্ত ঘটনা গুলো থেকে আমরা দেখতে পাই স্বৈরাচার শুধু এরশাদ একা নয়। খালেদাও স্বৈরাচারের সকল সীমা অতিক্রম করেছেন। আমি বলছিনা এরশাদ খুব ভাল মানুষ। কিন্তু স্বৈরাচার টাইটেল এরশাদের একা হবে কেন? এরশাদ যা করেছেন খালেদার কুকীর্তিও তার চেয়ে কম কিছু নয়।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলা সাহিত্যে জায়গা পাচ্ছেন ওসমান হাদী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:১৭


সংবাদপত্র যা বলছে
জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ জুন ২০২৬ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জন-সংক্রান্ত কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুকুলে নয় শেখ হাসিনা (আপা) প্রতিকুল পরিস্থিতিতেই বেশি অকুতোভয়।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৪




একদিকে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন তিনি দেশে ফিরছেন, আরেকদিকে তিনি প্রায় নিশ্চিন্ন করে দেয়া আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠন করে ফেলেছেন! এবং সেই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের অগণতান্ত্রিক, ভয়ঙ্কর এবং অবৈধ রাজনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির আবালীপনা।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮

বিএনপি ৫০ হাজার নাচের শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। যার পেছনে ১০ বছরে ব্যায় হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। যা দিয়ে ফুল প্যাকেজ ৩০ টি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×