somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মাচু পিচুর কিছু জানা না জানা ইতিহাস ( ২য় এবং শেষ পর্ব)

১৬ ই আগস্ট, ২০১৬ দুপুর ২:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


মাচু পিচুর কিছু জানা না জানা ইতিহাস (প্রথম পর্ব)
মাচু পিচু এর অবস্থান
মাচু পিচু ইনকাদের রাজধানী কোস্কো থেকে ৭০ কিলোমিটার উত্তর ও পশ্চিমে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৩৫০ মিটার বা ৭৭১০ ফিট উচ্চতায় মাচু পিচু পবর্তের চূড়ায় অবস্থিত। এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি অন্যতম প্রধান প্রত্নতাত্ত্বিক কেন্দ্র এবং পেরুর সবচাইতে আকর্ষণীয় দর্শনীয় স্থান।মাচু পিচুর এক পাশ চূড়া থেকে একেবারে খাড়া ভাবে ৬০০ মিটার নিচে উরুবাম্বা নদীর পাদদেশে গিয়ে মিশেছে। গিরিখাত এবং পাহাড়পর্বতের দ্বারা প্রাপ্ত চমৎকার প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কারণে এই শহরের অবস্থান সামরিক কৌশলগত দিক থেকে গোপনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। উরুবাম্বা নদীর ওপর দড়ির তৈরি সেতু ইনকা সৈন্যদের গোপন প্রবেশদ্বার হিসেবে ব্যবহৃত হত। মাচু পিচুর পশ্চিম দিকে গাছের গুড়ি নির্মিত আরেকটি সেতু ছিল। এই সেতুর মাঝে ৬ মিটার বা২০ ফুট জায়গা ফাঁকা ছিল, প্রয়োজনমত গাছের তক্তা দিয়ে সেতুর দুই অংশকে সংযুক্ত করা যেত। সেতুটির নিচে ৫৭০ মিটার বা ১৯০০ ফুট গভীর গিরিখাত তাই গাছের তক্তা সরিয়ে দিলে কোনও শত্রুর পক্ষে তা অতিক্রম করা দুঃসাধ্য ব্যাপার হত। এই সেতুটি নির্মিত হয়েছিল উরুবাম্বা উপত্যকার ওপর।শহরটি দুই পাহাড়ের সংযোগস্থলে অবস্থিত। এখান থেকে নিচের উপত্যকা পরিস্কারভাবে দৃশ্যমান, যা সামরিক দিক সুবিধাজনক অবস্থান। তাছাড়া শহরের পেছনের খাড়া পর্বত প্রায় অনতিক্রম্য। মাচু পিচুর পানি সরবরাহ ব্যবস্থা পাহাড়ি ঝরনার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল, যা সহজে বন্ধ করা যেত না। এছাড়াও যে পরিমাণ চাষযোগ্য জমি ছিল তাতে উৎপন্ন ফসলে শহরের মোট জনসংখ্যার চারগুণ মানুষের খাদ্যের সংস্থান সম্ভব ছিল। পর্বতের পাশগুলো ধাপকেটে সমান করা হয়েছিল। তাতে একদিকে যেমন চাষযোগ্য জমির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছিল অন্যদিকে খাড়া ঢাল বেয়ে শহরে আসার পথটি আক্রমণকারীদের জন্য দুর্গম করা হয়েছিল। মাচু পিচু থেকে পাহাড়ের ওপর দিয়ে কোস্কো যাবার দুটি পথ আছে একটি সূর্য দরজা দিয়ে এবং অন্যটি ইনকা সেতু দিয়ে। শত্রুর আক্রমণের মুখে দুটি পথই সহজে বন্ধ করে দেয়া যেত। এই শহরের মূল উদ্দেশ্য যাই হোক না কেন, এর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছিল খুবই মজবুত।


হুয়ায়না পিচু এর চূড়া থেকে মাচু পিচু এবং আগুয়াস কালিয়েন্তেস থেকে এখানে যাতায়াতের রাস্তা হাইরাম বিঙাম মহাসড়ক দেখা যাচ্ছে
মাচু পিচুর বেশির ভাগ স্থাপনাই ইনকা বাস্তুকলার ঐতিহ্যবাহী নির্মাণ পদ্ধতিতে তৈরি। স্থাপনাগুলোর দেওয়াল পাথর নির্মিত এবং জোড়া দেবার জন্য কোনও রকম সিমেন্ট জাতীয় পদার্থ বা চুন সুরকির মিশ্রন ব্যবহার করা হয় নি। অ্যাশলার নামক এই নিমার্ণ কৌশলে ইনকারা খুবই দক্ষ ছিল। এই পদ্ধতিতে পাথরের খণ্ড এমন নিখুঁত ভাবে কাটা হত যেন কোনওরকম সংযোগকারী মিশ্রণ ছাড়াই পাথরগুলো খাজে খাজে শক্তভাবে একটার ওপর আরেকটা বসে যায়। ইনকারা পাথরের এই নির্মাণ পদ্ধতিতে পৃথিবীর সেরাদের সেরা ছিল। তাদের নির্মিত পাথরের দেয়ালগুলোর জোড় এতই নিপুন যে একটা পাতলা ছুরির ফলাও সেগুলোর ভেতর দিয়ে প্রবেশ করানো যায় না।মাচু পিচুর অন্যান্য স্থাপনাগুলো চুনসুরকির মিশ্রণ ব্যবহার করে তৈরি তবে ইনকা নির্মাণশৈলীর মান বিচারে সেসব নিম্নমানসম্পন্ন এবং তড়িঘরি করে তৈরি করা। পেরু একটি অতি ভূমিকম্প প্রবণ এলাকা এবং সিমেন্টজাতীয় মিশ্রণের গাথুনি দিয়ে তৈরি স্থাপনার চাইতে গাথুনি ছাড়া শুধুমাত্র খাজে খাজে পাথর বসিয়ে তৈরি স্থাপনা অনেক বেশি ভূমিকম্পপ্রতিরোধী। ইনকাদের তৈরি দেয়ালগুলোতে বিস্তারিত ভাবে প্রচুর সুক্ষ্ম নকশা দেখা যায় যেগুলো ভূমিকম্পের সময় দেয়াল ধ্বসেপড়া রোধ করে। দরজা এবং জানালাগুলো অসমচুতুর্ভুজ আকৃতির এবং নিচ থেকে ওপরে ক্রমে ভেতরের দিকে হেলানো। কোণাগুলো সাধারণতঃ গোলাকৃতির, ভেতরের দিকের কোণাগুলি মাঝে মাঝে কক্ষের ভেতরে অল্প হেলানো এবং অনেক জায়গায় ইংরেজি L আকৃতির পাথর খণ্ড ব্যবহার করে বাইরের কোণাগুলিকে পরস্পর জোড়া দেয়া হয়েছে। মাচু পিচুর দেয়ালগুলো ওপর থেকে নিচে একদম সোজা নয়; বরং এক সারি থেকে অন্য সারি কিছুটা হেলানো এবং এভাবে দেয়ালগুলোর ভারসাম্য রক্ষা করা হয়েছে। ফলে মাচু পিচু শহরটি অনেকগুলো ভূমিকম্প সহ্য করে এখনও ভালোভাবে টিকে আছে।

ইনকারা কখনই ব্যবহারিক কাজে চাকার ব্যবহার করেন নি। তাই তারা কীভাবে এত সংখ্যক বিশাল আকৃতির পাথর খণ্ড এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে গেছে সেটা এক রহস্য রয়ে রয়েছে। যদিও সাধারণভাবে মনে করা হয় যে এই বিশার আকৃতির পাথর খণ্ডগুলো পাহাড়ের সমতল ঢাল দিয়ে ঠেলে ওপরে তুলতে তারা শত শত শ্রমিক ব্যবহার করেছিলেন। এখনও কিছু কিছু পাথরের গায়ে হাতলের মতো গাঁট রয়েছে যা পাথরগুলোকে নির্দিষ্ট স্থানে বসানোর জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। পাথর খণ্ডগুলো জায়গামতো স্থাপনের পর ইনকারা হয়ত হাতলগুলোকে গুড়িয়ে সমান করে দিয়েছে।শহরটিতে ১৪০ টি স্থাপনার মধ্যে রয়েছে কিছু মন্দির, পবিত্র স্থান, উদ্যান এবং আবাসিক ভবনসমূহ আর আবাসিক ভবনগুলো দেখতে খড়ের ছাউনি মত। মাচু পিচুতে রয়েছে ১০০টিরও বেশি সিড়ি যার মধ্যে কিছু কিছু একটি মাত্র গ্রানাইট পাথরের খণ্ড কুদে তৈরি করা হয়েছে। এখানে আরও রয়েছে প্রচুর সংখ্যক ঝরনা, যেগুলো পাথর কেটে তৈরি করা ছোট ছোট খালের মাধ্যমে পরস্পর সংযুক্ত এবং এসব মূলতঃ সেচ কাজে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। প্রমাণ পাওয়া গেছে যে এই সেচ ব্যবস্থা ব্যবহার করে একটি পবিত্র ঝরনা থেকে পানি প্রতিটি বাড়িতে সঞ্চালনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।


মাচু পিচুর ইনকা দেওয়াল
প্রত্নতাত্ত্বিকদের বা বিশেষজ্ঞদের মতে মাচু পিচুর শহর ব্যবস্থা তিনটি বড় বিভাগে বিভক্ত ছিল সেগুলো হলঃ
১। পবিত্র এলাকা
২।জনসাধারণের এলাকা । আর এ দুটি শহরের দক্ষিণে অবস্থিত। এবং
৩। পুরোহিত এবং অভিজাত শ্রেনীর এলাকা।
পবিত্র এলাকায় মাচু পিচুর প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদগুলো অবস্থিত যেমনঃ ইন্তিউয়াতানা পাথর, সূর্য মন্দির এবং তিন জানালা ঘর। এসব স্থাপনা উৎসর্গ করা হয়েছিল ইন্তি তাদের সূর্য দেবতা এবং মহান দেবতার প্রতি। জনসাধারণের এলাকার সাধারণ নিম্ন শ্রেনীর লোকজন বাসবাস করত। এই এলাকার স্থাপনা গুলোর মধ্যে রয়েছে গুদামঘর এবং বসত বাড়ি।অভিজাত এলাকায় সম্ভ্রান্ত শ্রেনীর থাকার জন্য একটি অংশ ছিল। সে অংশের বাড়িগুলো একটি ঢালের ওপর কয়েক সারিতে অবস্থিত। হামাউতা বা বিচক্ষণ ব্যক্তিদের বাড়িগুলোর দেওয়াল কিছুটা লালচে রঙের। অন্যদিকে নিউস্তা বা রাজকুমারীদের অংশের ঘরগুলো অসম আয়তাকার। স্মৃতিসৌধ একটি খোদাইকৃত ভাস্কর্য যার ভেতর একটি নকশাকৃত কক্ষ রয়েছে। এটি যজ্ঞ এবং উৎসর্গের কাজে ব্যবহার করা হত।সড়ক ব্যবস্থার অংশ হিসাবে ইনকারা মাচু পিচু পর্যন্ত একটি রাস্তা তৈরি করেছিল। বর্তমানে হাজার হাজার পর্যটক ইনকাদের পথে পায়ে হেঁটে মাচু পিচু ভ্রমণ করে। তবে এর জন্য আগে কোস্কোতে যাত্রাবিরতি করে স্থানীয় আবহাওয়ার সাথে মানিয়ে নিয়ে তারপর উরুবাম্বা উপত্যকা হয়ে আন্দেস পর্বতমালার ওপর দিয়ে দুই থেকে চার দিনের এই পদযাত্রায় বের হতে হয়।স্থানীয় উপাখ্যান অনুসারে কোনও অনুভূতি সম্পন্ন মানুষ যদি এই পাথরে তার কপাল ঘসে তাহলে আধ্যাত্মিক জগৎ দেখতে পাবে। ইন্তিউয়াতানা পাথর দক্ষিণ আমেরিকার পূজিত পবিত্র পাথরগুলোর একটি। স্পেনীয়রা ২০ শতকের আগে এই পাথরটি খুঁজে পায় নি ফলে এটি ইনকাদের অন্যান্য পবিত্র পাথরের মতো ধ্বংস হবার হাত থেকে বেঁচে যায়। এই পাথরগুলো এমন ভাবে স্থাপন করা হয় যাতে শীতকালে এগুলো সরাসরি সূর্যের দিকে নির্দেশ করে। একে সূর্যের আকঁড়া বিন্দুও বলা হয় কেননা উপকথা অনুসারে এটি সূর্যকে তার জায়গায় আটকে রাখার উদ্দেশ্যে নির্মিত। ২১শে মার্চ ও ২১শে সেপ্টেম্বর বছরে এই দুবার দিনের মাঝামাঝি সময়ে সূর্য ইন্তিউয়াতানা পাথরের একেবারে ওপরে থাকে ফলে এর কোনও ছায়া তৈরি হয় না। প্রকৃতপক্ষে ইন্তিউয়াতানা একটি মহাকাশ ঘড়ি। এটি ২০০০ সাল পর্যন্ত অক্ষত অবস্থায় ছিল। সেই বছর একটি মদ কোম্পানির বিজ্ঞাপন নির্মাণের সময় ৯৯০ পাউন্ড ওজনের একটি ক্রেন এই পাথরের ওপর পড়ে গেলে কলমের আকারের একটুকরা ভেঙে যায়। কোম্পানিটির দাবী তারা এই ঘটনার জন্য দায়ী নয়। অনেক মানুষ মনে করে এই ঘটনার পর আত্মারা ইন্তিউয়াতানা ছেড়ে চলে গেছে।


সূর্য মন্দির
মাচু পিচু একটি ইউনোস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান। পেরুর সবচাইতে জনপ্রিয় পর্যটন স্থান এবং অন্যতম আয়ের উৎস হবার ফলে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কারণে হুমকির মুখে পড়েছে। ১৯৯০ সালের শেষের দিকে পেরু সরকার এখানে যাতায়াত ব্যবস্থার সুবিধার জন্য একটি কেবল কার নির্মাণ এবং বুটিক পর্যটকদের কমপ্লেক্স এবং রেস্তোরাঁ সংবলিত একটি বিলাসবহুল হোটেল তৈরির অনুমতি দেয়। বিজ্ঞানী, শিক্ষাবীদ এবং পেরুর জনগণ এই পরিকল্পনার তীব্র প্রতিবাদ করে তাদের সংশয় ছিল এর ফলে মাচু পিচুতে পর্যটকের সমাগম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধিপাবে এবং তা এই পুরাকীর্তির অস্তিত্বের জন্য মারাত্মক হুমকির সৃষ্টি করবে।


চূড়ার ওপরে টেরেস করা চাষের জমি
প্রতি বছরই মাচু পিচুতে পর্যটক সমাগম বাড়ছে, যা ২০০৩ সালে ৪ লক্ষ ছাড়িয়ে যায়। ফলে মাচু পিচুতে আর কোনও ধরনের সেতু নির্মানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ অব্যাহত আছে এবং বর্তমানে মাচু পিচুর উপর দিকে কোনওধরনের উড়োজাহাজ চালানো নিষিদ্ধ। ইউনেস্কো একে বিপন্ন বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার চিন্তভাবনা করছে। তা সত্ত্বেও অতিরিক্ত ব্যবহার এবং লোকসমাগমের ফলে মাচু পিচুর বেশ ক্ষতিসাধন হয়েছে। ২০০০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মাচু পিচুর শতাব্দী প্রাচীন ইন্তিউয়াতানা পাথর বা সূর্য ঘড়ি এর উপর ১০০০ পাউন্ড ওজনের ক্রেন পড়লে এটি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। জে ওয়াল্টার টমসন বিজ্ঞাপন এজেন্সির তত্ত্বাবধানে ক্রিস্টাল বিয়ারের বিজ্ঞাপনের চিত্রায়নের সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। ফেদেরিকো কাউফমান দোইগ নামক পেরুর একজন পুরাতত্ত্ববিদ বলেছেনঃ মাচু পিচু আমাদের পুরাতাত্মিক ঐতিহ্যের কেন্দ্রবিন্দু এবং ইন্তিউয়াতানা মাচু পিচুর হৃদয়। তারা আমাদের সবচাইতে পবিত্র ঐতিহ্যকে আঘাত করেছে। এছাড়াও ১৯৮০র দশকে হেলিকপ্টারের অবতরণস্থান তৈরির জন্য মাচু পিচুর কেন্দ্রস্থল থেকে একটি বড় পাথর অন্যস্থানে সরানো হয়। উল্লেখ্য, ১৯৯০ সাল থেকে কোনও ধরনের উড়োজাহাজে মাচু পিচুতে যাতায়াত বন্ধ করা হয়েছে।

রেফারেন্সঃ Click This Link
http://whc.unesco.org/pg.cfm?cid=31&id_site=274
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৪:২৪
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মরীচিকা

লিখেছেন সামিয়া, ২৩ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:২৮


তোমার চোখে আমি প্রতিবার দেখি ঝড়ের ঘূর্ণি। সেই ঘূর্ণির ভেতরে জমে থাকে এমন এক শঙ্কা, যার কাছে পৌঁছাতে গেলেই আমার নিজের বুকের ভেতরটাও কেমন অস্থির হয়ে ওঠে। তবু আমি প্রতিদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোথাও একটা ভুল হচ্ছে!

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৩ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৪২

একটা ছোট নৌকা পাল তুলে পাড়ি দিচ্ছে-
অনন্ত নক্ষত্রবীথি।
পেরিয়ে যাচ্ছে- গ্রহ নক্ষত্র, মহাজাগতিক উল্কা।
দূরে কোথাও সংঘর্ষ হচ্ছে।
ধীর, অতি ধীর তার গতি। নৌকায় কয়েকজন মানুষ!
একটি শিশু,... ...বাকিটুকু পড়ুন

পড়ালেখার গুরুত্ব

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৩ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৫



পড়ালেখার গুরুত্ব কি, আর কেনো পড়ালেখা করতে হবে? আমার মনে হয় উত্তর সকলের কম বেশি জানা আছে। কিন্তু আমরা বাস্তবে কি করছি? আমাদের দেশে মনে হয় ছাত্রছাত্রীদের পড়ালেখার আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

কাহিনীটা কী?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৩ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:১৭

কাহিনীটা কী?
বিএনপিকে যারা ২৪ ঘণ্টা অভিশাপ দেয়, গালমন্দ করে, "বিএনপি দেশটা শেষ করে দিয়েছে- আর ছয়মাসও টিকবে না", তারাই আবার বিএনপি কাকে মন্ত্রী বানালো, কাকে উপদেষ্টা করলো- এই হিসাব... ...বাকিটুকু পড়ুন

জজ মিয়া চিত্রনাট্য নিয়ে নির্মিত হোচ্ছে ভয়ংকর নতুন সিক‍্যুয়াল!!!

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৪:৪৭



বিএনপির পুলিশ এতো করিৎকর্মা যে চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে । খুনের তদন্ত করে একেবারে আদালতের রায় সহ রিপোর্ট দিয়ে দেয় ! পৃথিবীর সবচেয়ে আপগ্রেডেড আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখন শিলং সালাউদ্দিনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×