
আজ এক নির্বাচনী এলাকায় ঘুরতে গিয়ে হাতপাখা মার্কা পোষ্টার টানানো দেখলাম। প্রধান বিরোধী দলের অন্যতম প্রধান শর্ত সর্বত্র নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সক্ষমতা থাকা। সেই দিক থেকে জাতীয় পার্টি ১০০% ব্যর্থ। চরমনাই পারুক আর নাই পারুক সবজায়গায় প্রতিদ্বন্দীত্বা করে। এক্ষেত্রে আমার এক বন্ধুর কথা মনে পড়ে গেলো। বন্ধু মোজাম্মেল হক খুব পড়াশোনা করতো। ক্লাসের ফাঁকেও পড়তো। চেহরাও অনেক সুন্দর ছিলো। চুল ছিল কোকড়ানো। সমস্যা হলো এতো কিছুর পরেও পিছনের দিক থেকে প্রথম হতো। অর্থাৎ রোলনম্বরে সবার শেষে থাকতো। যাক সেটা বড় কথা নয়। কথা হচ্ছে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ তথা চরমনাই এখন সরকারের অন্যতম প্রধান বিরধী দল। সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রাণী স্যরি প্রার্থী প্রদান করে। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। পাশ করুক না করুক বন্ধু মোজাম্মেলের মতো পড়েই যাবে সারাক্ষণ।
তবে এতে কিন্তু একটা লাভ হচ্ছে। সরকারের কিন্তু বিরধী দলে ঘাটতি পূর্ণ হচ্ছে। ধন্যবাদ সরকারের বিশ্বস্ত ইসলামি দল ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ তথা চরমনাই। কারণ তারা নির্বাচনে না এলে সরকারের প্রতিদ্বন্দী খুজা লাকতো। যেভাবে ক্লোজলি ওয়ান, তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ ইত্যাদি অনুষ্ঠান তারকা খুজেছে।
এরপর চরমনায়ের ফেসবুক পেজ থেকে কিছু ছবি পেলাম। তার থেকে কিছু ছবি নিম্নে দেওয়া হলঃ
➤




সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ৮:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




